কুড়িগ্রামের চিলমারীতে জমির প্রকৃত মালিক হওয়া সত্বেও ভূমিদস্যু আখ্যায়িত করে মানহানিকর বক্তব্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করার প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন বকুল মিয়া গং। রোববার বেলা ১২টায় প্রেসক্লাব চিলমারীর কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো.বকুল মিয়া। তিনি বলেন,চিলমারী ইউনিয়নের শাখাহাতি মৌজার মোসলেম উদ্দিন গং গত শুক্রবার প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সেখানে তাকেঁসহ রফিকুল ইসলাম,আব্দুল জলিল,আবুল হোসেন ও মজিদ গংকে ভূমিদস্যু বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এতে আমাদের সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন,রফিকুল ইসলাম,আব্দুল জলিল,আবুল হোসেন,বকুল মিয়া ও জোবেদা খাতুন গং চিলমারী ইউনিয়নের শাখাহাতি মৌজার খতিয়ান নং ৪৩১ এবং ৭৯ এর মোট ৩০একর ৭৩শতাংশ জমি এসএ খতিয়ান মুলে বৈধ মালিক হইয়া দীর্ঘদিন যাবৎ ভোগ দখল করে আসিতেছে।গত ১বছর ধরে জাহাঙ্গীর আলম,মামুন মিয়া,স্বপন মিয়া,মোসলেম উদ্দিন,ডালিম,বায়েজিদ ইসলাম,আলমগীর হোসেন,আব্দুল আজিজ,আমিনুল ইসলাম এবং আব্দুল হামিদ গং উল্লেখিত জমি দখল ও জমিতে চাষাবাদকৃত ফসল ধ্বংস করার চেষ্টা করিতেছে।
এ বিষয়ে আমরা থানায় মামলা দিলে প্রতিপক্ষ দলও মামলা দায়ের করে। এ পরিস্থিতিতে থানা কর্তৃপক্ষ দু’পক্ষকে সালিশের প্রস্তাব দেন। কিন্ত তারা সবকিছু উপেক্ষা করে আমাদের উপর হয়রানিসহ চাষাবাদকৃত ফসল নষ্ট ও ভূমি দখলের পায়তারা অব্যাহত রেখেছে। তিনি ষড়যন্ত্রমূলক এসব কার্যকলাপের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,রফিকুল ইসলাম,আব্দুল জলিল,আবুল হোসেন,বকুল মিয়া,জোবেদা খাতুনসহ শতাধিক এলাকাবাসী।




















