০৮:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

কসবায় ৮ মাসে ৪০ মন গাঁজা – মাদকসহ গ্রেফতার ২২২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার অফিসার্স ইনচার্জ হিসেবে মোঃ মহিউদ্দিন ( পি পি এম) এর যোগদানের পর আইনশৃংখলা পরিস্হিতির আশাতীত উন্নতি হয়েছে। ভারত সীমান্তবর্তী এই এলাকায় কসবা থানা পুলিশের বিশেষ তৎপরতায় নিয়ন্ত্রণ রয়েছে প্রায় সকল প্রকার অপরাধ কর্মকান্ড। কসবা থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানের ব্যাপক তৎপরতার কারনে আতংকিত মাদক ব্যাবসায়ীরা তাদের পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন। জানা যায়, দালালমুক্ত এই থানায় সেবা প্রত্যাশীরা এসে অফিসার ইনচার্জের সাথে সরাসরি কথা বলে সকল সেবা নিশ্চিত করতে পারেন। তাছাড়া পুলিশ কর্তৃক কমেছে হয়রানি বেড়েছে সেবা। তাই কসবা থানা এলাকার সবার মুখে “বাংলাদেশ পুলিশের প্রশংসা ” সদালাপি ও পরিচ্ছন্ন এই কর্মকর্তার দায়িত্বশীল আচরন ও কর্মকান্ডে সাধারন মানুষের কাছে পুলিশের ভাবমূর্তি অনেকটাই উজ্জল হয়েছে। গত জুলাই ‘২২ থেকে ফেব্রুয়ারী ‘২৩ আটক ৮ মাসে কসবা থানা পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে গাঁজা ৪০ মন, ইয়াবা ১৫ হাজার ২ শত ৭৬ পিছ স্কপ ৭শত ১২ বোতল, ফেনসিডিল ১শত ৩৭ বোতল, হুস্কি ১৭ বোতল, বিয়ার ১শত ৫৩ বোতল, বিদেশি মদ ৩শত ২৫ বোতলসহ আসামী গ্রেফতার হয়েছে ২২২ জন। এব্যপারে কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ( পি পি এম) বলেন, পুলিশের প্রতিটি সদস্য এদেশের ই অধিবাসী কিংবা নাগরিক । পুলিশ সদস্য প্রত্যেকের ই পিতা -মাতা ও ভাই -বোন, স্বজন – পরিজন রয়েছে। আর এই দেশটাও আমাদের সকলের তাই ভালো মন্দের দায়বার আমাদের সকলের উপর ই বর্তায়। তিনি জানান, এই চিরসত্যটাকে লালন করেই তিনি সেবামূলক দায়িত্বের মাধ্যমে এটা প্রমান করতে চান ” তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ জনগনের বন্ধু “এটি কেবল স্লোগান নয়। আসুন সবাই মিলে মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে পুলিশ জনতা ভাই ভাই হিসেবে মিলেমিশে এই দেশের জন্য কাজ করি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

কসবায় ৮ মাসে ৪০ মন গাঁজা – মাদকসহ গ্রেফতার ২২২

প্রকাশিত : ০৫:২২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ এপ্রিল ২০২৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার অফিসার্স ইনচার্জ হিসেবে মোঃ মহিউদ্দিন ( পি পি এম) এর যোগদানের পর আইনশৃংখলা পরিস্হিতির আশাতীত উন্নতি হয়েছে। ভারত সীমান্তবর্তী এই এলাকায় কসবা থানা পুলিশের বিশেষ তৎপরতায় নিয়ন্ত্রণ রয়েছে প্রায় সকল প্রকার অপরাধ কর্মকান্ড। কসবা থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানের ব্যাপক তৎপরতার কারনে আতংকিত মাদক ব্যাবসায়ীরা তাদের পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন। জানা যায়, দালালমুক্ত এই থানায় সেবা প্রত্যাশীরা এসে অফিসার ইনচার্জের সাথে সরাসরি কথা বলে সকল সেবা নিশ্চিত করতে পারেন। তাছাড়া পুলিশ কর্তৃক কমেছে হয়রানি বেড়েছে সেবা। তাই কসবা থানা এলাকার সবার মুখে “বাংলাদেশ পুলিশের প্রশংসা ” সদালাপি ও পরিচ্ছন্ন এই কর্মকর্তার দায়িত্বশীল আচরন ও কর্মকান্ডে সাধারন মানুষের কাছে পুলিশের ভাবমূর্তি অনেকটাই উজ্জল হয়েছে। গত জুলাই ‘২২ থেকে ফেব্রুয়ারী ‘২৩ আটক ৮ মাসে কসবা থানা পুলিশের বিভিন্ন অভিযানে গাঁজা ৪০ মন, ইয়াবা ১৫ হাজার ২ শত ৭৬ পিছ স্কপ ৭শত ১২ বোতল, ফেনসিডিল ১শত ৩৭ বোতল, হুস্কি ১৭ বোতল, বিয়ার ১শত ৫৩ বোতল, বিদেশি মদ ৩শত ২৫ বোতলসহ আসামী গ্রেফতার হয়েছে ২২২ জন। এব্যপারে কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ( পি পি এম) বলেন, পুলিশের প্রতিটি সদস্য এদেশের ই অধিবাসী কিংবা নাগরিক । পুলিশ সদস্য প্রত্যেকের ই পিতা -মাতা ও ভাই -বোন, স্বজন – পরিজন রয়েছে। আর এই দেশটাও আমাদের সকলের তাই ভালো মন্দের দায়বার আমাদের সকলের উপর ই বর্তায়। তিনি জানান, এই চিরসত্যটাকে লালন করেই তিনি সেবামূলক দায়িত্বের মাধ্যমে এটা প্রমান করতে চান ” তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ জনগনের বন্ধু “এটি কেবল স্লোগান নয়। আসুন সবাই মিলে মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করে পুলিশ জনতা ভাই ভাই হিসেবে মিলেমিশে এই দেশের জন্য কাজ করি।