০১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

উত্তরের পরমাণুকেন্দ্র ধ্বংসের সিদ্ধান্তকে ট্রাম্পের স্বাগত

প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী উত্তর কোরিয়ার প্রধান পরমাণু পরীক্ষা কেন্দ্র ধ্বংসের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার টুইটারে ট্রাম্প এই স্বাগত বার্তা জানান।

এর আগে, কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি বা কেসিএনএ জানিয়েছে, পাংগাই-রি পরমাণু পরীক্ষা কেন্দ্রটিকে মে মাসের ২৩ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে ধ্বংস করা হবে।

সংবাদ সংস্থাটি জানায়, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের প্রতিনিধি ও সংবাদমাধ্যমের সামনে এই পরমাণু কেন্দ্র ধ্বংস্ব করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। কেন্দ্রের সব গবেষণাগার, পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র নষ্ট করে ফেলা হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে, দীর্ঘ দিনের টানাপোড়েনের পর আগামী ১২ জুন সিঙ্গাপুরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের মধ্যে বৈঠকের দিন স্থির হয়েছে।

বিবিসি জানিয়েছে, গত সেপ্টেম্বরে উত্তর কোরিয়ার পুঙ্গে-রি নামের পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রটির কিছুটা অংশ ভেঙে পড়ে। সেই কেন্দ্রটিই পুরোপুরি ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কিমের দেশ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

উত্তরের পরমাণুকেন্দ্র ধ্বংসের সিদ্ধান্তকে ট্রাম্পের স্বাগত

প্রকাশিত : ০১:০৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ মে ২০১৮

প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী উত্তর কোরিয়ার প্রধান পরমাণু পরীক্ষা কেন্দ্র ধ্বংসের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার টুইটারে ট্রাম্প এই স্বাগত বার্তা জানান।

এর আগে, কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি বা কেসিএনএ জানিয়েছে, পাংগাই-রি পরমাণু পরীক্ষা কেন্দ্রটিকে মে মাসের ২৩ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে ধ্বংস করা হবে।

সংবাদ সংস্থাটি জানায়, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের প্রতিনিধি ও সংবাদমাধ্যমের সামনে এই পরমাণু কেন্দ্র ধ্বংস্ব করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। কেন্দ্রের সব গবেষণাগার, পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র নষ্ট করে ফেলা হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে, দীর্ঘ দিনের টানাপোড়েনের পর আগামী ১২ জুন সিঙ্গাপুরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের মধ্যে বৈঠকের দিন স্থির হয়েছে।

বিবিসি জানিয়েছে, গত সেপ্টেম্বরে উত্তর কোরিয়ার পুঙ্গে-রি নামের পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রটির কিছুটা অংশ ভেঙে পড়ে। সেই কেন্দ্রটিই পুরোপুরি ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কিমের দেশ।