০৭:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

প্রভাষক ও সহকারী শিক্ষকের বেতন ভাতা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ

কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার বুড়িচং ইসলামিয়া সুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ আবুল হোসেন কর্তৃক জাল কাগজপত্র সৃজনপূর্বক এমপিও নীতিমালা অমান্য করে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ লিখে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে জমা দিয়েছে অত্র মাদ্রাসার প্রভাষক ও সহকারী শিক্ষকগণ।গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টার সময় মাদ্রাসার প্রভাষক আবুল কালাম আবদুল্লাহ,মনিরুল ইসলাম,নাছরিন জাহান,মোস্তফা কামাল, মহিউদ্দিন, মোঃ ছায়েম,সহকারী শিক্ষক যথাক্রমে হারুনুর রশিদ,আবদুল জব্বার,হালিমা আক্তার, আবদুল গফুর, নেয়ামত উল্লাহ স্বাক্ষরিত অভিযোগ পত্রটি জমা দেন। পূর্বে তা দুদক ও শিক্ষা অধিদপ্তরেও জমা দিয়েছেন। পূর্ব অভিযোগ দেওয়ার কারণেই ক্ষোভে অধ্যক্ষ আবুল হোসেন এ কাজ করেছে ভোক্তভোগীরা বলেছেন।প্রত্যেক মাসের বেতন ওঠানোর জন্য অফিস সহকারী আমজাদ হোসেন সকলের স্বাক্ষর নিতেন,কিন্তু এবার অধ্যক্ষ নিজেই কোন প্রভাষক শিক্ষক কারোও স্বাক্ষর না নিয়েই বেতন সীট জমা দিয়ে দিয়েছেন।মাদ্রাসার প্রভাষক মনিরুল ইসলামের সন্দেহ লাগায় সোনালী ব্যাংকে টাকা উঠাতে গেলে ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন আপনাদের বেতন ভাতা বন্ধ করে রেখেছেন অধ্যক্ষ আবুল হোসেন।পরবর্তীতে সকল প্রভাষক ও শিক্ষকগণ বিষয়টি জানতে পেরে হতাশ হয়ে গিয়েছেন।কেননা সামনে পবিত্র ঈদুল ফিতর,এই মূহুর্তে অধ্যক্ষ আবুল হোসেনের এই কর্মকাণ্ডে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এছাড়াও নিম্ন স্বাক্ষরকারীগ অভিযোগ করেন বুড়িচং ইসলামীয়া সুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসা (মাদ্রাসা ইআইএন নং-১০৫৩০৩) বিগত ৬জুলাই ২০২২ ইং তারিখে মাদ্রাসাটি আলীম স্তরে উন্নীত হয়। গত ৬ জুলাই ২০২২ ইং তারিখে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠান শুরু লগ্ন ৯ জানুয়ারি ২০০৫ থেকে আবুল কালাম মোঃ আব্দুল্লাহ(প্রভাষক বাংলা ),মোঃ মনিরুল ইসলাম (প্রভাষক রাষ্ট্রবিজ্ঞান) অদ্যবধি পর্যন্ত কর্মরত আছেন।উক্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবুল হোসেন টাকার বিনিময়ে জাল কাগজপত্র সৃজন-পূর্বক মোহাম্মদ বদিউল আলম ভূঁইয়া নামক কে যাহার ইনডেক্স নং এম ০০৩৫৫৫০,মোঃ মোকাম্মেল হক নামক কে যাহার ইনডেক্স নং এন্ড০০৩৭৩১০ এই দুজনকে আরবি প্রভাষক হিসেবে এমপিওভুক্ত করেন,যাহা সম্পূর্ণ অবৈধ। এনিয়ে এলাকার লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বলেন এই দুইজন শিক্ষক পূর্বে কখনো দেখিনি।শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে মাদ্রাসার শিক্ষকরা সচেষ্টা থাকবে,তাই তারা যেকোন অনিয়মে বাঁধা দেওয়া নৈতিক অধিকার।এই মর্মে মাদ্রাসার সকল প্রভাষক ও শিক্ষকগণ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন,উপজেলা প্রশাসন ও এমপি মহোদয়ের নিকট সুষ্ঠু বিচারের দাবি প্রার্থনা করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

প্রভাষক ও সহকারী শিক্ষকের বেতন ভাতা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত : ০৭:১৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩

কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার বুড়িচং ইসলামিয়া সুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোঃ আবুল হোসেন কর্তৃক জাল কাগজপত্র সৃজনপূর্বক এমপিও নীতিমালা অমান্য করে শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ লিখে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে জমা দিয়েছে অত্র মাদ্রাসার প্রভাষক ও সহকারী শিক্ষকগণ।গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টার সময় মাদ্রাসার প্রভাষক আবুল কালাম আবদুল্লাহ,মনিরুল ইসলাম,নাছরিন জাহান,মোস্তফা কামাল, মহিউদ্দিন, মোঃ ছায়েম,সহকারী শিক্ষক যথাক্রমে হারুনুর রশিদ,আবদুল জব্বার,হালিমা আক্তার, আবদুল গফুর, নেয়ামত উল্লাহ স্বাক্ষরিত অভিযোগ পত্রটি জমা দেন। পূর্বে তা দুদক ও শিক্ষা অধিদপ্তরেও জমা দিয়েছেন। পূর্ব অভিযোগ দেওয়ার কারণেই ক্ষোভে অধ্যক্ষ আবুল হোসেন এ কাজ করেছে ভোক্তভোগীরা বলেছেন।প্রত্যেক মাসের বেতন ওঠানোর জন্য অফিস সহকারী আমজাদ হোসেন সকলের স্বাক্ষর নিতেন,কিন্তু এবার অধ্যক্ষ নিজেই কোন প্রভাষক শিক্ষক কারোও স্বাক্ষর না নিয়েই বেতন সীট জমা দিয়ে দিয়েছেন।মাদ্রাসার প্রভাষক মনিরুল ইসলামের সন্দেহ লাগায় সোনালী ব্যাংকে টাকা উঠাতে গেলে ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন আপনাদের বেতন ভাতা বন্ধ করে রেখেছেন অধ্যক্ষ আবুল হোসেন।পরবর্তীতে সকল প্রভাষক ও শিক্ষকগণ বিষয়টি জানতে পেরে হতাশ হয়ে গিয়েছেন।কেননা সামনে পবিত্র ঈদুল ফিতর,এই মূহুর্তে অধ্যক্ষ আবুল হোসেনের এই কর্মকাণ্ডে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। এছাড়াও নিম্ন স্বাক্ষরকারীগ অভিযোগ করেন বুড়িচং ইসলামীয়া সুন্নিয়া আলিম মাদ্রাসা (মাদ্রাসা ইআইএন নং-১০৫৩০৩) বিগত ৬জুলাই ২০২২ ইং তারিখে মাদ্রাসাটি আলীম স্তরে উন্নীত হয়। গত ৬ জুলাই ২০২২ ইং তারিখে উক্ত প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠান শুরু লগ্ন ৯ জানুয়ারি ২০০৫ থেকে আবুল কালাম মোঃ আব্দুল্লাহ(প্রভাষক বাংলা ),মোঃ মনিরুল ইসলাম (প্রভাষক রাষ্ট্রবিজ্ঞান) অদ্যবধি পর্যন্ত কর্মরত আছেন।উক্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবুল হোসেন টাকার বিনিময়ে জাল কাগজপত্র সৃজন-পূর্বক মোহাম্মদ বদিউল আলম ভূঁইয়া নামক কে যাহার ইনডেক্স নং এম ০০৩৫৫৫০,মোঃ মোকাম্মেল হক নামক কে যাহার ইনডেক্স নং এন্ড০০৩৭৩১০ এই দুজনকে আরবি প্রভাষক হিসেবে এমপিওভুক্ত করেন,যাহা সম্পূর্ণ অবৈধ। এনিয়ে এলাকার লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বলেন এই দুইজন শিক্ষক পূর্বে কখনো দেখিনি।শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে মাদ্রাসার শিক্ষকরা সচেষ্টা থাকবে,তাই তারা যেকোন অনিয়মে বাঁধা দেওয়া নৈতিক অধিকার।এই মর্মে মাদ্রাসার সকল প্রভাষক ও শিক্ষকগণ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন,উপজেলা প্রশাসন ও এমপি মহোদয়ের নিকট সুষ্ঠু বিচারের দাবি প্রার্থনা করেন।