০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

আনোয়ারায় সিইউএফএল সড়কের অবৈধ সিএনজি (অটোরিকশার) রাজত্ব

চট্টগ্রামে আনোয়ারা উপজেলায় সিইউএফএল সড়কের ৪০-৫০টি সিএনজি (অটোরিকশা) চলতেছে সিন্ডিকেটের রাজত্ব। সড়কের চলাচলের সিএনজি (অটোরিকশা) গুলো নাম্বার বিহীন। এসব সিএনজি নিয়ে তেমন কোন মাথা ব্যথা নেই প্রশাসনের। সরেজমিনে পরিদর্শন করে জানা যায়, চাতরী চৌমুহনী বাজারের সিইউএফএল সড়কের থেকে ফেরিঘাট পর্যন্ত সিএনজি (অটোরিকশা) রাজস্ব। চাতরী চৌমুহনী বাজার থেকে সেন্টারে পূর্ব গাড়ি ভাড়া ছিল ১০ টাকা। সেন্টার থেকে ফেরি ঘাটের ১০ টাকা। চাতরী চৌমুহনী বাজার থেকে ফেরিঘাটের সিএনজি ভাড়া ১৫ টাকা। সিএনজি চালকের সিন্ডিকেটের ফাঁদে চাতরী চৌমুহনী বাজার থেকে ফেরিঘাটের গাড়ি ভাড়া জনপ্রতি ৩০ টাকা। প্রতিটি সিএনজিতে ৫ জন যাত্রী নেওয়া কথা থাকলে কিছু সিএনজি (অটোরিকশা) নেওয়া হচ্ছে ৬ জন যাত্রী। সেন্টারে থেকে গাড়ি ভাড়া ১০ টাকা জায়গা নেওয়া হচ্ছে ২০ টাকা। কোরিয়ার কেইউপিজেট গার্মেন্টস শ্রমিকদের ছুটি হলে গাড়ি ভাড়া হয়ে যায় ২-৩ গুণ পর্যন্ত। অনেক সময় যাত্রীরা প্রতিবাদ করে প্রতিকার পাচ্ছে না। নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক এক সিএনজি চালক জানান,বন্দর পুলিশ ফাঁড়িতে প্রতি মাসে টাকা দিয়ে গাড়ি চালায়। এখানে গাড়ি রেজিস্ট্রেশন নাম্বার, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে দরকার নেই। বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিষয়ের জানতে চাইলে তিনি জানান, সবকিছু দাম বাড়তি। প্রতিদিন চাতরী চৌমুহনী বাজারের লাইন খরচ দিতে হয় ২০ টাকা, ফেরিঘাটে লাইন খরচ দিতে হচ্ছে ১০ টাকা। তাই বাড়তি ভাড়া নিচ্ছি। এতে যাত্রীদের সাথে প্রতিদিন ভাড়া নিয়ে ঝগড়া ও মারামারি লেগেই থাকে। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান,অবৈধ সিএনজি (অটোরিকশা) বিষয়ের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ জড়িত আছে। তবে বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিষয়টি আমরা অবগত নয়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বন্দর পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মোঃ রেজাউল জানান, চাতরী চৌমুহনী বাজারে সিইউএফএল সড়কের থেকে ফেরিঘাট পর্যন্ত সড়কের অবৈধ সিএনজি চলতেছে বাড়তি ভাড়া আদায় করতেছে, বিষয়টি আমি জানি না। এটা তো আমাদের এলাকায় না। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে সেন্টার থেকে কোরিয়ান গেইট পর্যন্ত। আমাদের ম্যানেস করে গাড়ি চালার কোন সুযোগও নেই। বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিষয়ের চাতরী চৌমুহনী বাজারের ট্রাফিক পুলিশের সাথে যোগাযোগ করুন। আমাদের এখানে কোন ট্রাফিক পুলিশ নেই। বিষয়টি আমি খোঁজ খবর নিয়ে দেখতেছি। উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিনের জানান, অবৈধ যানবাহনে এবং বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাধ্যমে জরিমানা করা হয়। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ফলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

আনোয়ারায় সিইউএফএল সড়কের অবৈধ সিএনজি (অটোরিকশার) রাজত্ব

প্রকাশিত : ০৪:১৩:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৩

চট্টগ্রামে আনোয়ারা উপজেলায় সিইউএফএল সড়কের ৪০-৫০টি সিএনজি (অটোরিকশা) চলতেছে সিন্ডিকেটের রাজত্ব। সড়কের চলাচলের সিএনজি (অটোরিকশা) গুলো নাম্বার বিহীন। এসব সিএনজি নিয়ে তেমন কোন মাথা ব্যথা নেই প্রশাসনের। সরেজমিনে পরিদর্শন করে জানা যায়, চাতরী চৌমুহনী বাজারের সিইউএফএল সড়কের থেকে ফেরিঘাট পর্যন্ত সিএনজি (অটোরিকশা) রাজস্ব। চাতরী চৌমুহনী বাজার থেকে সেন্টারে পূর্ব গাড়ি ভাড়া ছিল ১০ টাকা। সেন্টার থেকে ফেরি ঘাটের ১০ টাকা। চাতরী চৌমুহনী বাজার থেকে ফেরিঘাটের সিএনজি ভাড়া ১৫ টাকা। সিএনজি চালকের সিন্ডিকেটের ফাঁদে চাতরী চৌমুহনী বাজার থেকে ফেরিঘাটের গাড়ি ভাড়া জনপ্রতি ৩০ টাকা। প্রতিটি সিএনজিতে ৫ জন যাত্রী নেওয়া কথা থাকলে কিছু সিএনজি (অটোরিকশা) নেওয়া হচ্ছে ৬ জন যাত্রী। সেন্টারে থেকে গাড়ি ভাড়া ১০ টাকা জায়গা নেওয়া হচ্ছে ২০ টাকা। কোরিয়ার কেইউপিজেট গার্মেন্টস শ্রমিকদের ছুটি হলে গাড়ি ভাড়া হয়ে যায় ২-৩ গুণ পর্যন্ত। অনেক সময় যাত্রীরা প্রতিবাদ করে প্রতিকার পাচ্ছে না। নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক এক সিএনজি চালক জানান,বন্দর পুলিশ ফাঁড়িতে প্রতি মাসে টাকা দিয়ে গাড়ি চালায়। এখানে গাড়ি রেজিস্ট্রেশন নাম্বার, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে দরকার নেই। বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিষয়ের জানতে চাইলে তিনি জানান, সবকিছু দাম বাড়তি। প্রতিদিন চাতরী চৌমুহনী বাজারের লাইন খরচ দিতে হয় ২০ টাকা, ফেরিঘাটে লাইন খরচ দিতে হচ্ছে ১০ টাকা। তাই বাড়তি ভাড়া নিচ্ছি। এতে যাত্রীদের সাথে প্রতিদিন ভাড়া নিয়ে ঝগড়া ও মারামারি লেগেই থাকে। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান,অবৈধ সিএনজি (অটোরিকশা) বিষয়ের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ জড়িত আছে। তবে বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিষয়টি আমরা অবগত নয়। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বন্দর পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মোঃ রেজাউল জানান, চাতরী চৌমুহনী বাজারে সিইউএফএল সড়কের থেকে ফেরিঘাট পর্যন্ত সড়কের অবৈধ সিএনজি চলতেছে বাড়তি ভাড়া আদায় করতেছে, বিষয়টি আমি জানি না। এটা তো আমাদের এলাকায় না। আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে সেন্টার থেকে কোরিয়ান গেইট পর্যন্ত। আমাদের ম্যানেস করে গাড়ি চালার কোন সুযোগও নেই। বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিষয়ের চাতরী চৌমুহনী বাজারের ট্রাফিক পুলিশের সাথে যোগাযোগ করুন। আমাদের এখানে কোন ট্রাফিক পুলিশ নেই। বিষয়টি আমি খোঁজ খবর নিয়ে দেখতেছি। উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিনের জানান, অবৈধ যানবাহনে এবং বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাধ্যমে জরিমানা করা হয়। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ফলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।