০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

৩২ বছর হাত পাখা বিক্রয় করে জীবিকা নির্বাহ

কয়েকদিনের প্রচণ্ড দাপদাহে বেড়ায় হাত পাখার কদর বেড়েছে। অধিকাংশ এলাকার খেটে খাওয়া মানুষ গরমের তাড়নায় দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। প্রচণ্ড গরমে মাঝে মধ্যেই দেখা দিচ্ছে বিদ্যুতের আশা যাওয়ার লুকোচুরি। এর ফলে মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে চলেছে। প্রচণ্ড গরমে প্রশান্তি পরশ দিতে বেড়া উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার গুলোতে বিক্রি করছে বাহারি রকমের হাত পাখা। এগুলোর মধ্যে রয়েছে,তালের পাখা, সুতায় বুনানো পাখা, বিভিন্ন  কাপড়ের তৈরি হাত পাখা। তাছাড়াও প্লাস্টিকের তৈরি পাখাও বাজারে বিক্রি হচ্ছে। অনেকে দারিদ্র্যতাকে কাছ থেকে ছুয়ে আবার অনেকে পেশা বদল করে অল্প পূঁজির পাখার ব্যাবসার সাথে যুক্ত হচ্ছেন।
 তাদের একজন গংগাচড়া থানাধীন বড়াবিল মন্থনা গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিক (৫৩) হাত পাখার বিক্রয় করছে ৩২ বছরেরও বেশি সময়। সংসারের কাজের ফাঁকে তার এ পাখা তৈরির কাজে সাহায্যে করেন পাঁচ সন্তানের জননী স্ত্রী শাহিনা খাতুন(৪০)। আবু বক্কর সিদ্দিক এর কাছে তার পাখা বিক্রয়ের গল্প জানতে চাইলে তিনি বলেন,সংসারের কাজের ফাঁকে ফাঁকে আমার এই পাখা তৈরির কাজে সাহায্য করে আমার স্ত্রী শাহিনা খাতুন। বড় ছেলে সোহাগ এই ব্যাবসা করে। ছোট ছেলে সোহান ৫ ম শ্রেনীতে পরে। তিন মেয়ে ইয়াসমিন,জিয়াসমিন, বৃষ্টির বিয়ে দিয়েছি।
স্থানীয় পাখা তৈরী কারিগর পিস প্রতি মূল্য নিয়ে পাখা তৈরি করে। পিস তৈরিতে কারিগর ৭/৮ টাকা মজুরী পায়।এবং সুতার তৈরি পাখার মজুরী দেয়া পায়১৫-২০ টাকা,আর বিক্রি হয় ৪০-৫০ টাকা। হাত পাখা বিক্রেতা আবু বকর সিদ্দিক আরো বলেন,তিনি বাপ-দাদার ব্যবসা ধরে রেখে বিভিন্ন হাট-বাজারে হাত পাখা বিক্রি করেই সংসার চালাচ্ছেন।বসে নেই আবু বক্কর সিদ্দিক এর মতো হাত পাখা তৈরি কারিগররাও। গরম শুরুর প্রথম থেকেই বেড়েছে হাত পাখা কারিগরদের ব্যস্ততা।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

৩২ বছর হাত পাখা বিক্রয় করে জীবিকা নির্বাহ

প্রকাশিত : ০৪:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৩
কয়েকদিনের প্রচণ্ড দাপদাহে বেড়ায় হাত পাখার কদর বেড়েছে। অধিকাংশ এলাকার খেটে খাওয়া মানুষ গরমের তাড়নায় দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। প্রচণ্ড গরমে মাঝে মধ্যেই দেখা দিচ্ছে বিদ্যুতের আশা যাওয়ার লুকোচুরি। এর ফলে মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে চলেছে। প্রচণ্ড গরমে প্রশান্তি পরশ দিতে বেড়া উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার গুলোতে বিক্রি করছে বাহারি রকমের হাত পাখা। এগুলোর মধ্যে রয়েছে,তালের পাখা, সুতায় বুনানো পাখা, বিভিন্ন  কাপড়ের তৈরি হাত পাখা। তাছাড়াও প্লাস্টিকের তৈরি পাখাও বাজারে বিক্রি হচ্ছে। অনেকে দারিদ্র্যতাকে কাছ থেকে ছুয়ে আবার অনেকে পেশা বদল করে অল্প পূঁজির পাখার ব্যাবসার সাথে যুক্ত হচ্ছেন।
 তাদের একজন গংগাচড়া থানাধীন বড়াবিল মন্থনা গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিক (৫৩) হাত পাখার বিক্রয় করছে ৩২ বছরেরও বেশি সময়। সংসারের কাজের ফাঁকে তার এ পাখা তৈরির কাজে সাহায্যে করেন পাঁচ সন্তানের জননী স্ত্রী শাহিনা খাতুন(৪০)। আবু বক্কর সিদ্দিক এর কাছে তার পাখা বিক্রয়ের গল্প জানতে চাইলে তিনি বলেন,সংসারের কাজের ফাঁকে ফাঁকে আমার এই পাখা তৈরির কাজে সাহায্য করে আমার স্ত্রী শাহিনা খাতুন। বড় ছেলে সোহাগ এই ব্যাবসা করে। ছোট ছেলে সোহান ৫ ম শ্রেনীতে পরে। তিন মেয়ে ইয়াসমিন,জিয়াসমিন, বৃষ্টির বিয়ে দিয়েছি।
স্থানীয় পাখা তৈরী কারিগর পিস প্রতি মূল্য নিয়ে পাখা তৈরি করে। পিস তৈরিতে কারিগর ৭/৮ টাকা মজুরী পায়।এবং সুতার তৈরি পাখার মজুরী দেয়া পায়১৫-২০ টাকা,আর বিক্রি হয় ৪০-৫০ টাকা। হাত পাখা বিক্রেতা আবু বকর সিদ্দিক আরো বলেন,তিনি বাপ-দাদার ব্যবসা ধরে রেখে বিভিন্ন হাট-বাজারে হাত পাখা বিক্রি করেই সংসার চালাচ্ছেন।বসে নেই আবু বক্কর সিদ্দিক এর মতো হাত পাখা তৈরি কারিগররাও। গরম শুরুর প্রথম থেকেই বেড়েছে হাত পাখা কারিগরদের ব্যস্ততা।