১৬ই এপ্রিল ( রবিবার ) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের শিমলা পাড়া নাক্কুর চালা এলাকায় নির্জন শালবন থেকে শিয়ালে খাওয়া অর্ধ গলিত এক অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে শ্রীপুর থানা পুলিশ।
স্থানীয় ওই এলাকার মেম্বার আব্দুর সাত্তার ঘটনার বিষয়ে অবগত হলে তিনি পরে পুলিশকে খবর দেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে মর্জিনা বেগম নামে এক মহিলা জানান সকালে ঘুম থেকে উঠে তারা কয়েকজন ওই বনে পাতা কুঁড়াতে যায় পরে আশে পাশে কিছু একটা পঁচা গন্ধ পেয়ে তারা এগিয়ে ঘটনাস্থলে যায় ,গিয়ে দেখতে পায় একজন মানুষ মরে গলে গেছে। তার তারা দ্রুত ওই স্থান ত্যাগ করে।
পরবর্তীতে আশে পাশে এলাকায় ঘটনার বিষয় ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে স্থানীয় ওই ইউপি সদস্য জানার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাথে সাথে শ্রীপুর থানা পুলিশকে জানায়। পরবর্তীতে শ্রীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। মুহূর্তে ঘটনার বিষয় সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে। পরবর্তীতে উপজেলার সিংগারদিঘী জগদীশ মোড় এলাকার রফিকুল ইসলাম (৩০) নামে এক যুবক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের গায়ে থাকা লুঙ্গি ও পাশেই মাটিতে থাকা রুমাল দেখে তার বাবা বলে দাবি জানান। ওই যুবক। পরবর্তীতে খুঁজ নিয়ে জানা যায় ওই যুবকের বাবা আব্দুল বারেক (৭৫) পিতা ফজর আলীর ছেলে।গত মঙ্গলবার থেকে নিখোঁজ রয়েছেন তিনি।
মাওনা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মিন্টু মিয়া আজকের বিজনেস বাংলাদেশকে বলেন, স্থানীয় লোকজন ও ইউপি সদস্যের কাছে খবর পেয়ে শালবনের ভেতর থেকে বৃদ্ধের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে স্বজনেরা লাশ শনাক্ত করেছেন। ঘটনাস্থলে বিষের বোতল পাওয়া গেছে।
ঘটনার বিষয়ে শ্রীপুর থানা অফিসার ইনচার্জ এ. এফ. এম নাসিম আজকের বিজনেস বাংলাদেশকে জানান ঘটনার বিষয়ে অবগত হওয়ার পরপরই সেখানে আমাদের মাওনা পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার এস আই মিন্টু ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘটনার বিষয় নিশ্চিত করে। পরবর্তীতে সার্কেল স্যার সহ আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অজ্ঞাত ওই লাশের বিষয়ে একজন যুবক দাবি জানান নিহত ব্যক্তি সম্পর্কে তার পিতা। যেহেতু লাশটি গলিত অবস্থায় পাওয়া যায় তাই (ডি এন এ) পরীক্ষা ছাড়া কোনভাবেই বলা যাচ্ছেনা লাশটি কার।
লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




















