০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

কমলগঞ্জে ঈদকে সামনে রেখে নারী উদ্যোক্তাদের উই হাটবাজার

ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীদের সাথে পাল্লা দিয়ে নারী উদ্যোক্তারা এখন সক্রিয়। শত প্রতিক‚লতা অতিক্রম করে মফস্বল এলাকায়ও হয়েছে উদ্যোক্তা মেলা বা হাট। রবিবার সকাল ১০ থেকে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জেলা পরিষদ কাম মাল্টিপারপাস হলরুমে উই হাটবাজার শুরু হয়। উই হাটবাজারের উই টিম মৌলভীবাজারের আয়োজনে গত শনিবার বেলা ১১ ঘটিকায় হাটবাজারের উদ্বোধন করেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন। মেলায় সর্বমোট ১০টি স্টল অংশগ্রহণ করে।
নারী উদ্যোক্তারা জানান, মফস্বল এলাকায় কাজ করা খুব কঠিন। সামাজিক কুসংস্কারসহ নানা প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে আমরা এতোদুর এগিয়ে আসছি। আমাদের মূল লক্ষ্য নিজেদের কাজের সক্ষমতা তৈরি, নিজেরা আত্মনির্ভরশীল হওয়া, নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা, স্থানীয় ও জাতীয়ভাবে উই হাটবাজারের মাধ্যমে নিজেদের সংযোগের সুযোগ সৃষ্টি করা।
উই হাটবাজারের উদ্যোক্তা রোজিনা বেগম বলেন, আমাদের অনলাইন অফলাইনে ব্যবসা চলমান রয়েছে। তবে এই হাটবাজারের মাধ্যমে সারা দেশের সাথে আমাদের প্রচারনাও বৃদ্ধি পাবে। গ্রাহকদের চাহিদার ভিত্তিতে মণিপুরিসহ মানসম্মত দেশীয় কাপড় চোপড় বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করে আমরা সেগুলো বিক্রি করছি। তাছাড়া মেলার মাধ্যমে আমাদের প্রতিষ্ঠানের পরিচিতিও লাভ করছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ছিল বলে তিনি জানান।
উই হাটবাজার এর মৌলভীবাজার জেলা কো-অর্ডিনেটর ও মেলার তত্ত্বাবধায়ক ফাতেমা কবির মুক্তা বলেন, দেশীয় পোশাক আশাকসহ বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী নিয়ে প্রথমবারের মতো কমলগঞ্জে উই হাটবাজার মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম থাকলেও ইউএনও,এসিল্যান্ড মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, ব্যাংকার, স্কুল-কলেজের শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী ও পেশাজীবিদের উপস্থিতি আমাদেরকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে। সবার সহযোগিতায় আমরা নারী উদ্যোক্তারা আরো এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা রাখেন তিনি।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের প্রথমবারের মতো এধরণের একটি আয়োজন নি:সন্দেহে প্রশংসনীয়। তবে প্রচার প্রচারনা আরো বাড়লে মেলায় জনসমাগম আরো বৃদ্ধি পেতো। এভাবে কাজের মধ্যদিয়ে নারীরা আর ঘরে বন্দি না থেকে নিজেরাই নিজেদের সক্ষমতা ফিরিয়ে নিয়ে আসুক এবং
বেকারত্ব ও কুসংস্কারের বেড়াজাল থেকে মুক্ত হয়ে উঠুক। তাদের এধরণের কাজে সরকার ও প্রশাসন যথেষ্ট আন্তরিক বলে তিনি দাবি করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

কমলগঞ্জে ঈদকে সামনে রেখে নারী উদ্যোক্তাদের উই হাটবাজার

প্রকাশিত : ০৮:০৭:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৩

ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীদের সাথে পাল্লা দিয়ে নারী উদ্যোক্তারা এখন সক্রিয়। শত প্রতিক‚লতা অতিক্রম করে মফস্বল এলাকায়ও হয়েছে উদ্যোক্তা মেলা বা হাট। রবিবার সকাল ১০ থেকে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জেলা পরিষদ কাম মাল্টিপারপাস হলরুমে উই হাটবাজার শুরু হয়। উই হাটবাজারের উই টিম মৌলভীবাজারের আয়োজনে গত শনিবার বেলা ১১ ঘটিকায় হাটবাজারের উদ্বোধন করেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন। মেলায় সর্বমোট ১০টি স্টল অংশগ্রহণ করে।
নারী উদ্যোক্তারা জানান, মফস্বল এলাকায় কাজ করা খুব কঠিন। সামাজিক কুসংস্কারসহ নানা প্রতিবন্ধকতা অতিক্রম করে আমরা এতোদুর এগিয়ে আসছি। আমাদের মূল লক্ষ্য নিজেদের কাজের সক্ষমতা তৈরি, নিজেরা আত্মনির্ভরশীল হওয়া, নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা, স্থানীয় ও জাতীয়ভাবে উই হাটবাজারের মাধ্যমে নিজেদের সংযোগের সুযোগ সৃষ্টি করা।
উই হাটবাজারের উদ্যোক্তা রোজিনা বেগম বলেন, আমাদের অনলাইন অফলাইনে ব্যবসা চলমান রয়েছে। তবে এই হাটবাজারের মাধ্যমে সারা দেশের সাথে আমাদের প্রচারনাও বৃদ্ধি পাবে। গ্রাহকদের চাহিদার ভিত্তিতে মণিপুরিসহ মানসম্মত দেশীয় কাপড় চোপড় বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করে আমরা সেগুলো বিক্রি করছি। তাছাড়া মেলার মাধ্যমে আমাদের প্রতিষ্ঠানের পরিচিতিও লাভ করছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ছিল বলে তিনি জানান।
উই হাটবাজার এর মৌলভীবাজার জেলা কো-অর্ডিনেটর ও মেলার তত্ত্বাবধায়ক ফাতেমা কবির মুক্তা বলেন, দেশীয় পোশাক আশাকসহ বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী নিয়ে প্রথমবারের মতো কমলগঞ্জে উই হাটবাজার মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম থাকলেও ইউএনও,এসিল্যান্ড মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান, ব্যাংকার, স্কুল-কলেজের শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী ও পেশাজীবিদের উপস্থিতি আমাদেরকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে। সবার সহযোগিতায় আমরা নারী উদ্যোক্তারা আরো এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা রাখেন তিনি।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের প্রথমবারের মতো এধরণের একটি আয়োজন নি:সন্দেহে প্রশংসনীয়। তবে প্রচার প্রচারনা আরো বাড়লে মেলায় জনসমাগম আরো বৃদ্ধি পেতো। এভাবে কাজের মধ্যদিয়ে নারীরা আর ঘরে বন্দি না থেকে নিজেরাই নিজেদের সক্ষমতা ফিরিয়ে নিয়ে আসুক এবং
বেকারত্ব ও কুসংস্কারের বেড়াজাল থেকে মুক্ত হয়ে উঠুক। তাদের এধরণের কাজে সরকার ও প্রশাসন যথেষ্ট আন্তরিক বলে তিনি দাবি করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ