১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

শুধু যানবাহন নয়, বিভিন্ন অনুষ্ঠান থেকে প্রতিনিয়ত শব্দ দূষণ হচ্ছে

দিন দিন আমাদের জন সংখ্যা বৃদ্ধি ও উন্নয়ন বেড়েই চলেছে। সেই উন্নয়নের নির্মাণ কাজ থেকে শুরু করে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান থেকে শব্দ দূষণ হচ্ছে। এছাড়াও যোগাযোগের গুরত্বপূর্ণ মাধ্যম শব্দ, সেখান থেকে দূষণ হয়। তাই বলা যায়, শুধু যানবাহন নয়, বিভিন্ন অনুষ্ঠান থেকে প্রতিনিয়ত শব্দ দূষণ হচ্ছে। টাঙ্গাইলে আন্তর্জাতিক শব্দসচেতনতা দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় বক্তারা বলেন, শব্দ দূষণের কারনে রক্ত চাপ বেড়ে গিয়ে শারিরীক ও মানসিক সমস্যা হয়। শব্দদূষণে শুধু নিজের নয়, সবার ক্ষতি হচ্ছে। শুধু মানুষ নয়, শব্দ দূষণে বিভিন্ন প্রাণিরও ক্ষতি হচ্ছে। দিন দিন শব্দ দূষণ বেড়েই চলেছে। তাই শব্দদূষণ এড়াতে জনসাধারণকে সচেতন করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, নিজ নিজ অবস্থান থেকে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে হবে। অন্যদের শব্দদূষণে ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করতে হবে এবং শব্দদূষণ না করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে। হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আবাসিক এলাকা ও অফিস পাড়া এবং সরকার ঘোষিত নিরব এলাকা হতে সকল ধরনের শব্দ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অপসারণ ও অযথা হর্ণ না বাজানোর বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। যে কোন ধরনের প্রচারণার জন্য মাইকের ব্যবহার সীমিত করতে হবে। পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় সমাবেশে নির্ধারিত মাত্রায় শব্দ যন্ত্রের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। উচ্চ শব্দ থেকে হেড ফোন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডা. মো. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া, জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জমির উদ্দিন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লারেব সভাপতি জাফর আহমেদ, বিআরটিএ রাজস্ব কর্মকর্তা রেজাউল করিম, ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (টিআই প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ। এ সময় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে সার্কিট হাউজের সামনে শব্দদূষণরোধে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে সেখান থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ /  হাবিব

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

শুধু যানবাহন নয়, বিভিন্ন অনুষ্ঠান থেকে প্রতিনিয়ত শব্দ দূষণ হচ্ছে

প্রকাশিত : ০৩:০০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৩

দিন দিন আমাদের জন সংখ্যা বৃদ্ধি ও উন্নয়ন বেড়েই চলেছে। সেই উন্নয়নের নির্মাণ কাজ থেকে শুরু করে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠান থেকে শব্দ দূষণ হচ্ছে। এছাড়াও যোগাযোগের গুরত্বপূর্ণ মাধ্যম শব্দ, সেখান থেকে দূষণ হয়। তাই বলা যায়, শুধু যানবাহন নয়, বিভিন্ন অনুষ্ঠান থেকে প্রতিনিয়ত শব্দ দূষণ হচ্ছে। টাঙ্গাইলে আন্তর্জাতিক শব্দসচেতনতা দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় বক্তারা বলেন, শব্দ দূষণের কারনে রক্ত চাপ বেড়ে গিয়ে শারিরীক ও মানসিক সমস্যা হয়। শব্দদূষণে শুধু নিজের নয়, সবার ক্ষতি হচ্ছে। শুধু মানুষ নয়, শব্দ দূষণে বিভিন্ন প্রাণিরও ক্ষতি হচ্ছে। দিন দিন শব্দ দূষণ বেড়েই চলেছে। তাই শব্দদূষণ এড়াতে জনসাধারণকে সচেতন করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, নিজ নিজ অবস্থান থেকে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে হবে। অন্যদের শব্দদূষণে ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সচেতন করতে হবে এবং শব্দদূষণ না করার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে। হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আবাসিক এলাকা ও অফিস পাড়া এবং সরকার ঘোষিত নিরব এলাকা হতে সকল ধরনের শব্দ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অপসারণ ও অযথা হর্ণ না বাজানোর বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। যে কোন ধরনের প্রচারণার জন্য মাইকের ব্যবহার সীমিত করতে হবে। পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় সমাবেশে নির্ধারিত মাত্রায় শব্দ যন্ত্রের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। উচ্চ শব্দ থেকে হেড ফোন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সিভিল সার্জন ডা. মো. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া, জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জমির উদ্দিন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লারেব সভাপতি জাফর আহমেদ, বিআরটিএ রাজস্ব কর্মকর্তা রেজাউল করিম, ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক (টিআই প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ। এ সময় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে সার্কিট হাউজের সামনে শব্দদূষণরোধে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে সেখান থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ /  হাবিব