১২:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

টাঙ্গাইলে মামা হত্যায় দুই ভাগিনা গ্রেফতার

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় চাঞ্চল্যকর মামা আ. জলিল (৪৫) হত্যা মামলার পলাতক প্রধান দুই আসামী ভাগিনাদের গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। বুধবার (২৬ এপ্রিল ) ভোর রাতে কালিহাতি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ঘাতক দুই ভাইকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন-সিহাদ মিয়া (২৩) ও আসামী নোমান (২৫)। র‌্যাব-১৪ এর ৩ নং কোম্পানী কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের (পিপিএম) দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, ১৫ এপ্রিল উপজেলার শোলাকুড়ি ইউনিয়নের হরিণধারা বাজারে আসামী সিহাদ মিয়া এর সাথে ক্যারাম খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত আ. জলিলের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ওই দিন ইফতারের আগে হরিণধারা বাজার এলাকায় ধারালো ছুরি দিয়ে দুই ভাগিনা আ. জলিলকে হত্যা করে। আ. জলিল শোলাকুড়ি (গিলাগাইছা) গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। হত্যা মামলার আপন দুই ভাই আসামী সিহাদ মিয়া ও আসামী নোমান রাতে কালিহাতি বাসস্ট্যান্ড এলাকা অবস্থান করছে। পরে র‌্যাব কালিহাতি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে।

হত্যাকান্ডের পর থেকেই আসামীরা সিলেটে আত্মগোপনে ছিল। হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত আ. জলিলের ছোট ভাই মো. খলিলুর রহমান (৪৩) বাদী হয়ে মধুপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসামীদের সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করার নিমিত্তে মধুপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ /  হাবিব

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

টাঙ্গাইলে মামা হত্যায় দুই ভাগিনা গ্রেফতার

প্রকাশিত : ০৩:৩২:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৩

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় চাঞ্চল্যকর মামা আ. জলিল (৪৫) হত্যা মামলার পলাতক প্রধান দুই আসামী ভাগিনাদের গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। বুধবার (২৬ এপ্রিল ) ভোর রাতে কালিহাতি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ঘাতক দুই ভাইকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন-সিহাদ মিয়া (২৩) ও আসামী নোমান (২৫)। র‌্যাব-১৪ এর ৩ নং কোম্পানী কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের (পিপিএম) দুপুরে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, ১৫ এপ্রিল উপজেলার শোলাকুড়ি ইউনিয়নের হরিণধারা বাজারে আসামী সিহাদ মিয়া এর সাথে ক্যারাম খেলাকে কেন্দ্র করে নিহত আ. জলিলের সাথে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ওই দিন ইফতারের আগে হরিণধারা বাজার এলাকায় ধারালো ছুরি দিয়ে দুই ভাগিনা আ. জলিলকে হত্যা করে। আ. জলিল শোলাকুড়ি (গিলাগাইছা) গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। হত্যা মামলার আপন দুই ভাই আসামী সিহাদ মিয়া ও আসামী নোমান রাতে কালিহাতি বাসস্ট্যান্ড এলাকা অবস্থান করছে। পরে র‌্যাব কালিহাতি বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে।

হত্যাকান্ডের পর থেকেই আসামীরা সিলেটে আত্মগোপনে ছিল। হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত আ. জলিলের ছোট ভাই মো. খলিলুর রহমান (৪৩) বাদী হয়ে মধুপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আসামীদের সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করার নিমিত্তে মধুপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ /  হাবিব