০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতে এক মাসের মধ্যে দুবার কমল এলপিজির দাম

ভারতে এলপিজির দাম কমেছে। তবে সবার জন্য এই দাম কমেনি, কমেছে শুধু বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম। এ নিয়ে ভারতে এলপিজির দাম এক মাসের ব্যবধানে দুবার কমল। যদিও রান্নার গ্যাসের দাম এখনো আগের পর্যায়েই আছে।

সেই সঙ্গে বিমানের জ্বালানি জেট ফুয়েলের দামও কমানো হয়েছে ২ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমতে থাকায় ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলো ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের মূল্য ১৭১ দশমিক ৫০ রুপি কমিয়েছে। তাতে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ১৯ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম পড়বে ১ হাজার ৮৫৬ রুপি। কলকাতায় সেই দাম পড়বে ১ হাজার ৯৬০ দশমিক ৫০ রুপি। গতকাল সোমবার অর্থাৎ মে দিবস থেকে তা কার্যকর হয়েছে। এতে হোটেল, রেস্তোরাঁসহ বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত গ্যাসের গ্রাহকেরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন।

এক মাসের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম কমল ভারতে। এর আগে গত ১ এপ্রিল বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৯১ দশমিক ৫০ রুপি কমিয়েছিল ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলো।

এদিকে বিমান জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম কিলোলিটারপ্রতি ২ হাজার ৪১৪ রুপি করে কমানো হয়েছে। তাতে ভারতের নয়াদিল্লিতে প্রতি কিলোলিটার জেট ফুয়েলের দাম পড়ছে ৯৫ হাজার ৯৩৫ রুপি। এ নিয়ে টানা তিন মাস জেট ফুয়েলের দাম কমল ভারতে। প্রতি মাসের ১ তারিখে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে ভারতে জেট ফুয়েলের দাম সমন্বয় করা হয়।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। ২০২২ সালের শেষ দিকে তা আবার যুদ্ধের আগের পর্যায়ে ফিরে আসে।

সম্প্রতি ওপেক ও সহযোগী দেশগুলো হঠাৎ তেল উৎপাদন হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিলে জ্বালানির দাম আবার বাড়তে শুরু করে। কিন্তু অর্থনীতিতে মন্দার আশঙ্কা থাকায় তেলের দাম বেশি দিন চাঙা থাকেনি। আবার তা ৮০ ডলারের নিচে নেমে গেছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে এই প্রতিবেদন লেখার সময় বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের মূল্য ছিল ব্যারেলপ্রতি ৭৮ দশমিক ৮৮ ডলার। অন্যান্য তেলের দামও ছিল একই রকম, ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ছিল ৭৫ দশমিক ২০ ডলার।

ইকোনমিক টাইমসের সংবাদে বলা হয়েছে, ভারতে পেট্রল-ডিজেলের দাম সাধারণত প্রতিদিন বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়। কিন্তু বাজারের অনিশ্চয়তার কারণে ভারতে গত ১৩ মাস ধরে এসবের দাম স্থির।

বাংলাদেশের সরকারের মন্ত্রীরা বারবার বলেছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলে দেশে সমন্বয় করা হবে। কিন্তু গত বছরের শেষ দিক থেকে জ্বালানি তেলের দর ব্যারেলে ৮০ ডলারের আশপাশে থাকলেও দেশে এখনো সমন্বয় করা হয়নি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভারতে এক মাসের মধ্যে দুবার কমল এলপিজির দাম

প্রকাশিত : ০৭:৫৫:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩

ভারতে এলপিজির দাম কমেছে। তবে সবার জন্য এই দাম কমেনি, কমেছে শুধু বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম। এ নিয়ে ভারতে এলপিজির দাম এক মাসের ব্যবধানে দুবার কমল। যদিও রান্নার গ্যাসের দাম এখনো আগের পর্যায়েই আছে।

সেই সঙ্গে বিমানের জ্বালানি জেট ফুয়েলের দামও কমানো হয়েছে ২ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমতে থাকায় ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলো ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের মূল্য ১৭১ দশমিক ৫০ রুপি কমিয়েছে। তাতে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ১৯ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম পড়বে ১ হাজার ৮৫৬ রুপি। কলকাতায় সেই দাম পড়বে ১ হাজার ৯৬০ দশমিক ৫০ রুপি। গতকাল সোমবার অর্থাৎ মে দিবস থেকে তা কার্যকর হয়েছে। এতে হোটেল, রেস্তোরাঁসহ বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত গ্যাসের গ্রাহকেরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন।

এক মাসের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম কমল ভারতে। এর আগে গত ১ এপ্রিল বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৯১ দশমিক ৫০ রুপি কমিয়েছিল ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলো।

এদিকে বিমান জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম কিলোলিটারপ্রতি ২ হাজার ৪১৪ রুপি করে কমানো হয়েছে। তাতে ভারতের নয়াদিল্লিতে প্রতি কিলোলিটার জেট ফুয়েলের দাম পড়ছে ৯৫ হাজার ৯৩৫ রুপি। এ নিয়ে টানা তিন মাস জেট ফুয়েলের দাম কমল ভারতে। প্রতি মাসের ১ তারিখে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে ভারতে জেট ফুয়েলের দাম সমন্বয় করা হয়।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। ২০২২ সালের শেষ দিকে তা আবার যুদ্ধের আগের পর্যায়ে ফিরে আসে।

সম্প্রতি ওপেক ও সহযোগী দেশগুলো হঠাৎ তেল উৎপাদন হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিলে জ্বালানির দাম আবার বাড়তে শুরু করে। কিন্তু অর্থনীতিতে মন্দার আশঙ্কা থাকায় তেলের দাম বেশি দিন চাঙা থাকেনি। আবার তা ৮০ ডলারের নিচে নেমে গেছে। আজ মঙ্গলবার বিকেলে এই প্রতিবেদন লেখার সময় বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের মূল্য ছিল ব্যারেলপ্রতি ৭৮ দশমিক ৮৮ ডলার। অন্যান্য তেলের দামও ছিল একই রকম, ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ছিল ৭৫ দশমিক ২০ ডলার।

ইকোনমিক টাইমসের সংবাদে বলা হয়েছে, ভারতে পেট্রল-ডিজেলের দাম সাধারণত প্রতিদিন বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়। কিন্তু বাজারের অনিশ্চয়তার কারণে ভারতে গত ১৩ মাস ধরে এসবের দাম স্থির।

বাংলাদেশের সরকারের মন্ত্রীরা বারবার বলেছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলে দেশে সমন্বয় করা হবে। কিন্তু গত বছরের শেষ দিক থেকে জ্বালানি তেলের দর ব্যারেলে ৮০ ডলারের আশপাশে থাকলেও দেশে এখনো সমন্বয় করা হয়নি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh