০৬:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

নবীনগরে আবাদ হচ্ছে “ওয়াকিনাওয়া” জাতের জাপানি মিষ্টি আলু

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় গত দুই বছর ধরে আবাদ হচ্ছে জাপানি মিষ্টি আলু “ওয়াকিনাওয়া”। রপ্তানি উপযোগী এই জাতের আলু ২০২১-২২ অর্থবছরে উৎপাদন করতে কৃষি বিভাগ থেকে ০৫ জন কৃষকের মাঝে কাটিং সরবরাহ করা হয়। গত বছরের উৎপাদিত মিষ্টি আলু দিয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরে আরো কয়েক জন কৃষকের মাঝে প্রদর্শনী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে উপজেলা কৃষি অফিস। নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের নবীপুর গ্রামের নুরুল আমীন, চর লাপাংয়ে অহিদ মিয়া প্রায় ৩০ বিঘা জমিতে স¤প্রসারিত হয়েছে। স্থানীয় আলুর তুলনায় এই আলুর আকার বেশ বড় এবং ভিতরের অংশ কমলা রঙের। স্থানীয় কৃষক এবং ভোক্তা পর্যায়ে এই মিষ্টি আলু “গাজর আলু” হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। নবীনগর উপজেলায় প্রতি বছর ১৭৫ হেক্টর জমিতে মিষ্টি আলু আবাদ হয়ে থাকে। অধিকাংশ জাত স্থানীয়, যার উৎপাদন কম হয়। পাশাপাশি রোগবালাই ও বিভিন্ন কীট-পতঙ্গ আক্রমণ করে বেশী, যা এ জাতের ক্ষেত্রে হয় না।

জাপানি মিষ্টি আলু “ওয়াকিনাওয়া” বিঘা প্রতি গড় ফলন- ৭৫ মন। যা স্থানীয় বাজারে পাইকারি মূল্য কেজি প্রতি -২৫ টাকা।ওয়াকিনাওয়া আলু নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান, রপ্তানি উপযোগী এই মিষ্ট আলু স¤প্রসারিত হলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা যাবে। আগে সাধারণ মানের স্থানীয় জাতের মিষ্টি আলুর আবাদ করা হতো। সে গুলো তেমন পুষ্টি গুণসম্পন্ন ছিল না। ওয়াকিনাওয়া জাতের আলুতে প্রচুর পরিমাণ এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এটি ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা হ্রাস করে। এ নতুন জাতের মিষ্টিআলুর চাষ করে কৃষকরা আর্থিক ভাবে লাভের স্বপ্ন দেখছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

নবীনগরে আবাদ হচ্ছে “ওয়াকিনাওয়া” জাতের জাপানি মিষ্টি আলু

প্রকাশিত : ০৩:০৯:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ মে ২০২৩

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় গত দুই বছর ধরে আবাদ হচ্ছে জাপানি মিষ্টি আলু “ওয়াকিনাওয়া”। রপ্তানি উপযোগী এই জাতের আলু ২০২১-২২ অর্থবছরে উৎপাদন করতে কৃষি বিভাগ থেকে ০৫ জন কৃষকের মাঝে কাটিং সরবরাহ করা হয়। গত বছরের উৎপাদিত মিষ্টি আলু দিয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরে আরো কয়েক জন কৃষকের মাঝে প্রদর্শনী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে উপজেলা কৃষি অফিস। নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের নবীপুর গ্রামের নুরুল আমীন, চর লাপাংয়ে অহিদ মিয়া প্রায় ৩০ বিঘা জমিতে স¤প্রসারিত হয়েছে। স্থানীয় আলুর তুলনায় এই আলুর আকার বেশ বড় এবং ভিতরের অংশ কমলা রঙের। স্থানীয় কৃষক এবং ভোক্তা পর্যায়ে এই মিষ্টি আলু “গাজর আলু” হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে। নবীনগর উপজেলায় প্রতি বছর ১৭৫ হেক্টর জমিতে মিষ্টি আলু আবাদ হয়ে থাকে। অধিকাংশ জাত স্থানীয়, যার উৎপাদন কম হয়। পাশাপাশি রোগবালাই ও বিভিন্ন কীট-পতঙ্গ আক্রমণ করে বেশী, যা এ জাতের ক্ষেত্রে হয় না।

জাপানি মিষ্টি আলু “ওয়াকিনাওয়া” বিঘা প্রতি গড় ফলন- ৭৫ মন। যা স্থানীয় বাজারে পাইকারি মূল্য কেজি প্রতি -২৫ টাকা।ওয়াকিনাওয়া আলু নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান, রপ্তানি উপযোগী এই মিষ্ট আলু স¤প্রসারিত হলে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা যাবে। আগে সাধারণ মানের স্থানীয় জাতের মিষ্টি আলুর আবাদ করা হতো। সে গুলো তেমন পুষ্টি গুণসম্পন্ন ছিল না। ওয়াকিনাওয়া জাতের আলুতে প্রচুর পরিমাণ এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এটি ক্যান্সার প্রতিরোধ এবং উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা হ্রাস করে। এ নতুন জাতের মিষ্টিআলুর চাষ করে কৃষকরা আর্থিক ভাবে লাভের স্বপ্ন দেখছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব