ঝিনাইদহ-চুয়াডাঙ্গা জেলার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ১৪ গ্রামের কর্চাডাঙ্গা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহা-শ্মশানের ১০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঝিনাইদহের সংবাদিক সংগঠন প্রেস ইউনিটির কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই মন্দিরের সাবেক সভাপতি কোটচাঁদপুর উপজেলার ছয়খাদা গ্রামের শ্রী স্বপন ঘোষ এই সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, মন্দিরের বর্তমান সভাপতি শ্রী বিন্দা ভৌমিকের কারসাজিতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত কর্চাডাঙ্গা মহা-শ্মশানের ১০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তিনি বলেন গত ১/১০/১৯ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ১৬.০৫.০০০০.১০৩.১৮.০০১.১৯.১৮ নম্বর স্মারকে সমগ্র বাংলাদেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও সংস্করণ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মন্দির সংস্করণ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কর্চাডাঙ্গা মহা শ্মশান এর আঙ্গিনা ঘর সংস্কার ও উন্নয়ন বাবদ ১০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেয়। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানটি ১৪ টি গ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একত্রিত যা চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলায় অন্তর্ভুক্ত, সেহেতু জীবননগর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় হতে প্রকল্প নকশায় উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানের দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট প্রস্থ ৪০ ফুট, সিঁড়ি, ১৬টি আর সিসি পিলার আর্চ আঙ্গিনা ঘরের মেজে সহ ছাদ ঢালায়ের কথা থাকলেও তা বাস্তবায়নে কোন রুপ পাইনি। আমি সড়ক দূর্ঘটনায় অসুস্থ হয়ে ভারত চিকিৎসার জন্য গেলে সেই সুযোগে ভুয়া রেজুলেশনের মাধ্যমে বরাদ্দকৃত অর্থ উত্তোলন করেন শ্রী বিন্দা ভৌমিক সভাপতি (সাবেক সাধারণ সম্পাদক) কর্চাডাঙ্গা মহা শ্বশান উন্নয়ন পরিচালনা কমিটি। উল্লেখ্য, আমি সভাপতি থাকাকালীন সময়ে আঙ্গিনা ঘর নির্মাণের লক্ষ্যে ৯ টি আর সিসি পিলার গ্রেডবীম সহ ৯ ফুট ৪ ইঞ্চি কাজ সম্পূর্ণ করা সহ ১৪ টি গ্রামের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিকট থেকে ছাদ ঢালায় ও সার্বিক উন্নয়নের জন্য নগদ ৬৫ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়। সেই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ৬৫ হাজার টাকা গচ্ছিত রেখে যাওয়া হয় বর্তমান সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শ্রী বিন্দা ভৌমিক এর নিকট। কিন্তু তিনি বর্তমানে সেই তৈরী করা ৯ টি পিলার ও নগদ ৬৫ হাজার টাকার কথা এখন অস্বীকার করছেন। শ্মশানে নদী থেকে খননকরা মাটির স্তুপ একক ভাবে বিক্রি করেন কমিটির পরামর্শ ছাড়া। তিনি আঙ্গিনা ঘর সংস্করণে বরাদ্দের টাকায় অসমাপ্ত যে কাজ করেছেন সেটা সর্বসাকুল্যে প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মত হবে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দের ১০ লক্ষ টাকার বাকি টাকা তিনি নিজে আত্মসাৎ করেছেন। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কে নিজ প্রতিষ্ঠান মনে করে ইচ্ছে মত খরচ করা সহ যাবতীয় অনিয়মের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।
।




















