চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে শুক্রবার, ১২ মে ভোররাত ৩টার দিকে এক হাজার ১২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল মোখা। কক্সবাজার, মোংলা, পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকেও প্রায় এমনই দূরত্বে রয়েছে ঘূর্ণিঝড়টি। এজন্য এসব সমুদ্রবন্দরকে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
সুপার সাইক্লোনে পরিণত হওয়ার শংকা নিয়ে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় মোখার ব্যাপারে সজাগ রয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। আবহাওয়া বিভাগের সাথে ঘণ্টায় ঘণ্টায় যোগাযোগ রেখে মোখার ব্যাপারে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নিচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলার ব্যাপারটি সিডিউল করা আছে। কখন কি করতে হবে তা পলিসি আকারে করা আছে। বিষয়টি এখন অনেক অর্গানাইজড। আমরা সেভাবে আমাদের করণীয় পর্যায়ক্রমে পরিচালনা করছি।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমরা মাইকিং করেছি। লাইটারেজ জাহাজ এবং অয়েল ট্যাংকারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলেছি। যেগুলো মোংলা, খুলনা, পায়রা কিংবা ঢাকা যাবে সেগুলোকে একটু আগে ভাগে চলে যেতে বলেছি। যারা যাবে না তাদেরকে উজানে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে। সেখানে আমরা আমাদের টাগ মোতায়েন করে রাখছি। নৌ বাহিনীর জাহাজও আমাদের চ্যানেলে থাকে। তারাও তাদের মতো করে নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে, নিচ্ছে। আমরা সবকিছু গুছিয়ে নিয়েছি।
দুই নম্বর সংকেতের কথা উল্লেখ করে বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল বলেন, সংকেত উপরে উঠলে আমরা নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শুরু করব। ৪ নম্বর সংকেত দেখাতে বললে বন্দরে স্টান্ডিং কমিটির মিটিং হবে এবং অন্যান্য বিভিন্ন কমিটিকে অ্যালার্ট করা হবে। সংকেত ৫–এ গেলে জেটিতে থাকা জাহাজ বহির্নোঙরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তবে আপাতত আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করছি। সংকেত উপরে উঠলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা মোখার ব্যাপারে সজাগ রয়েছি। আবহাওয়া বিভাগের সাথে যোগাযোগ রেখে আমরা প্রয়োজনীয় সবকিছু মনিটরিং করছি। এছাড়া বিভিন্ন দফতরে চিঠিপত্র দিয়েছি। আমাদের যা করণীয় সবই করছি।
বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব




















