০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

৭৫ পরবর্তী ক্ষমতাসীনরা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনে ব্যস্ত ছিলেন : শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারের হত্যার পর ক্ষমতাসীনরা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনে ব্যস্ত ছিলেন।

তিনি বলেছেন, ৭৫ পরবর্তী যেসব সরকার ক্ষমতায় ছিল তারা মানুষের কল্যাণে কোনো কাজ করেনি।

সোমবার, ১৫ মে বেলা পৌনে ১২টায় শাহবাগে বিসিএস প্রশাসন একাডেমিতে আইন ও প্রশাসন কোর্সের সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

১৫ আগস্টের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের স্মৃতিচারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ৭৫ পরবর্তী সময়ে ক্ষমতার পালাবদল হয়। সে সময় মানুষের বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। মানুষের বেঁচে থাকার কোনো অধিকার ছিল না। ক্ষমতাসীনরা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনে ব্যস্ত ছিলেন। সামরিক স্বৈরশাসকের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে দেশে ফিরে আসি।

দেশের প্রতিটি ক্ষেত্র আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে জোর দেওয়ার কথা জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষাসহ সব ক্ষেত্রই যাতে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হয় সেজন্য সব পদক্ষেণ নেওয়া হয়েছে। দারিদ্রের হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেবল শহর নয়, তৃণমূল পর্যন্ত উন্নয়ন পৌঁছে দেওয়াই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। যে মানুষটা তৃণমূলে পড়ে আছে তাকে আগে টেনে তুলে আনতে হবে। ক্ষমতায় থাকতে বিএনপি জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতি করে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে বলে মন্তব্য করেন সরকারপ্রধান।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

৭৫ পরবর্তী ক্ষমতাসীনরা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনে ব্যস্ত ছিলেন : শেখ হাসিনা

প্রকাশিত : ০১:২৭:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ মে ২০২৩

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারের হত্যার পর ক্ষমতাসীনরা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনে ব্যস্ত ছিলেন।

তিনি বলেছেন, ৭৫ পরবর্তী যেসব সরকার ক্ষমতায় ছিল তারা মানুষের কল্যাণে কোনো কাজ করেনি।

সোমবার, ১৫ মে বেলা পৌনে ১২টায় শাহবাগে বিসিএস প্রশাসন একাডেমিতে আইন ও প্রশাসন কোর্সের সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

১৫ আগস্টের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের স্মৃতিচারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ৭৫ পরবর্তী সময়ে ক্ষমতার পালাবদল হয়। সে সময় মানুষের বিচার চাওয়ার অধিকার ছিল না। মানুষের বেঁচে থাকার কোনো অধিকার ছিল না। ক্ষমতাসীনরা নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনে ব্যস্ত ছিলেন। সামরিক স্বৈরশাসকের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে দেশে ফিরে আসি।

দেশের প্রতিটি ক্ষেত্র আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে জোর দেওয়ার কথা জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষাসহ সব ক্ষেত্রই যাতে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হয় সেজন্য সব পদক্ষেণ নেওয়া হয়েছে। দারিদ্রের হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেবল শহর নয়, তৃণমূল পর্যন্ত উন্নয়ন পৌঁছে দেওয়াই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। যে মানুষটা তৃণমূলে পড়ে আছে তাকে আগে টেনে তুলে আনতে হবে। ক্ষমতায় থাকতে বিএনপি জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতি করে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে বলে মন্তব্য করেন সরকারপ্রধান।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব