০৪:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

‘দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নের ধারা সূচনা করেছিলেন শেখ কামাল’

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নের ধারা সূচনা করেছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল। তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং প্রতিভাবান। শনিবার সকালে দিকে জেলাপ্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শেখ কামালের জন্মদিনে অনুষ্ঠিত স্মৃতিচারণে বক্তারা এসব কথা বলেন।

ফেনী জেলা প্রশাসনের আয়োজিত সভায় বক্তারা বলেন, ঘাতকের বুলেটের আঘাতে আগস্ট মাসেই নিস্তব্ধ হয়েছিলো সূর্যসন্তান শেখ কামাল। এদেশকে অন্ধকারে ঠেলে দিতে ১৫ আগস্ট কালরাতে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধুমাতাসহ সেই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোছাম্মৎ শাহীনা আক্তার বলেন, শহীদ শেখ কামাল যুবসমাজের প্রেরণার উৎস। তিনি ক্রীড়াঙ্গনের বিবিধ উন্নয়নের মাধ্যমে মূলত যুবসমাজের উন্নয়নে কাজ করেছিলেন। ঘাতকরা জানত, তাকে স্তব্ধ করতে পারলে ধ্বংস করা যাবে তরুণ প্রজন্মকে। কিন্তু তাদের সেই উদ্দেশ্য সফল হয়নি।

পুলিশ সুপার জাকির হাসান বলেন, যুবকদের সঠিক পথে ধরে রাখতে শহীদ শেখ কামাল আবাহনী ক্রীড়া চক্র গঠন করেছিলেন। ক্রীড়ায় বাংলাদেশের স্বপ্নপুরুষ তিনি। তার জীবনাদর্শ যদি যুবসমাজ পাঠ করে, নিশ্চয়ই সঠিক ধারা ধরে থাকতে পারবে।

ফেনী জেলা প্রশাসক মোছাম্মৎ শাহীনা আক্তারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনীর পুলিশ সুপার জাকির হাসান।

বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার ফেনীর উপ-পরিচালক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন, জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা আজগর আলী, ফেনী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোক্তার হোসেইন, অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক (সার্বিক) অভিষেক দাশ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালেব, ব্যবসায়ী জাফর উদ্দিন, জেলা পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম নবী, শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পারভেজুল ইসলাম হাজারী, আরবান ইয়ূথ সোসাইটির কর্ণধার লিয়াকত আলী আরমান, পরিবেশ ক্লাব প্রতিনিধি।

আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা কর্মরত বিভিন্ন দফতর প্রধান, শিক্ষাবিধ, শিক্ষার্থী প্রমুখ। এর আগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে অস্থায়ী প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন অতিথিরা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদ ২৮ মে

‘দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নের ধারা সূচনা করেছিলেন শেখ কামাল’

প্রকাশিত : ০৫:১৮:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অগাস্ট ২০২৩

বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নের ধারা সূচনা করেছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল। তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং প্রতিভাবান। শনিবার সকালে দিকে জেলাপ্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শেখ কামালের জন্মদিনে অনুষ্ঠিত স্মৃতিচারণে বক্তারা এসব কথা বলেন।

ফেনী জেলা প্রশাসনের আয়োজিত সভায় বক্তারা বলেন, ঘাতকের বুলেটের আঘাতে আগস্ট মাসেই নিস্তব্ধ হয়েছিলো সূর্যসন্তান শেখ কামাল। এদেশকে অন্ধকারে ঠেলে দিতে ১৫ আগস্ট কালরাতে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধুমাতাসহ সেই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোছাম্মৎ শাহীনা আক্তার বলেন, শহীদ শেখ কামাল যুবসমাজের প্রেরণার উৎস। তিনি ক্রীড়াঙ্গনের বিবিধ উন্নয়নের মাধ্যমে মূলত যুবসমাজের উন্নয়নে কাজ করেছিলেন। ঘাতকরা জানত, তাকে স্তব্ধ করতে পারলে ধ্বংস করা যাবে তরুণ প্রজন্মকে। কিন্তু তাদের সেই উদ্দেশ্য সফল হয়নি।

পুলিশ সুপার জাকির হাসান বলেন, যুবকদের সঠিক পথে ধরে রাখতে শহীদ শেখ কামাল আবাহনী ক্রীড়া চক্র গঠন করেছিলেন। ক্রীড়ায় বাংলাদেশের স্বপ্নপুরুষ তিনি। তার জীবনাদর্শ যদি যুবসমাজ পাঠ করে, নিশ্চয়ই সঠিক ধারা ধরে থাকতে পারবে।

ফেনী জেলা প্রশাসক মোছাম্মৎ শাহীনা আক্তারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনীর পুলিশ সুপার জাকির হাসান।

বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার ফেনীর উপ-পরিচালক গোলাম মোহাম্মদ বাতেন, জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা আজগর আলী, ফেনী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোক্তার হোসেইন, অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক (সার্বিক) অভিষেক দাশ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মোতালেব, ব্যবসায়ী জাফর উদ্দিন, জেলা পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম নবী, শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পারভেজুল ইসলাম হাজারী, আরবান ইয়ূথ সোসাইটির কর্ণধার লিয়াকত আলী আরমান, পরিবেশ ক্লাব প্রতিনিধি।

আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা কর্মরত বিভিন্ন দফতর প্রধান, শিক্ষাবিধ, শিক্ষার্থী প্রমুখ। এর আগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে অস্থায়ী প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন অতিথিরা।