বর্ষার শুরুতেই শাহজাদপুরে ছাতার কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন। শাহজাদপুরের পৌরসদর দারিয়াপুর মনিরামপুর, তালগাছি, জামিরতা, কৈজুরী খুকনি হাট বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ছাতার কারিগরদের ব্যস্ততা।এছাড়াও গ্রামে ঘুরে ঘুরে ছাতা মেরামতের কাজ করছেন তারা।
শাহজাদপুর কান্দাপাড়া গ্রামের ছাতার কারিগর রবিদাস ও উল্লাপাড়া চাঁনপুর গ্রামের আব্দুল মতিন জানান ২৭/৩০ বছর ধরে তারা এ পেশার সাথে জড়িত আছেন । বছরের ছয় মাস জীবিকা নির্বাহ করেন।প্রতিদিন ছাতা তৈরি ও মেরামত করে যে টাকা আয় হয় তা দিয়ে কোনমতে সংসার চলে।কোনদিন ৪০০ কিম্বা ৫০০ টাকা আয় করে তাই দিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করে ।কোন কোন দিন এর চেয়ে অনেক কম হয়ে থাকে । অপর ছাতার কারিগর খোকন চন্দ্রদাস ও উজ্জল চন্দ্রদাস জানান তিনি গত ১৫ বছর যাবৎ এ পেশার সাথে জড়িত আছেন ।
অন্যান্য বছরের এই বর্ষাকালে বর্ষা মৌসুমে তাদের আয় বেশি হতো।ব্রজবালা গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম বলেন আষাঢ়-শ্রাবণ-ভাদ্র এই তিন মাস বৃষ্টি একটু বেশি হয় , এবং ছাতা মেরামতের হিড়িক পড়ে যায় অপরদিকে চৈত্র-বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে প্রচন্ড রৌদ্র ও খরতাপ থেকে রেহাই পেতে ছাতা ব্যবহার বেড়ে যায় ফলে ছাতা মেরামত কারীদের বাড়তি আয় হয়। এ সময় ছাতা মেরামত কারিদের কদর থাকে চোখে পড়ার মতো।
ছাতা ক্রেতা নজরুল ইসলাম ও জুয়েল জানান ছাতা মানব জীবনের বন্ধু ।রোদ বৃষ্টিতে ছাতাই একমাত্র ভরসা । তাই বর্ষা কালীন সময়ে ছাতা কেনার হিড়িক পড়ে যায়।
এমনকি পুরাতন ছাতা সংস্কার করে ব্যবহার উপযোগী করা হয়।
চরআঙ্গারু গ্রামের কৃষক আলি ও পোরজনা গ্রামের স্কুল মাষ্টার রব্বানী জানান বর্ষা মৌসুমে ঘরের বাইরে যাওয়া যায় না তাই ঘরে পড়ে থাকার ভাঙ্গা ছাতাটি মেরামত করতে এসেছি।নতুন ছাতা কিনতে আসা সড়াতৈল গ্রামের গৃহিণী রুপবান বেগম জানান একটি ছাতা ২০০ টাকা দিয়ে ক্রয় করে এক বছরের বেশি সময় ব্যবহার করা যায় না ফলে বর্ষার শুরুতেই নতুন ছাতা কিনতে এসেছি।




















