১২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

কার মাইকেল কলেজের ঐতিহ্য শতবর্ষে কাইজেলিয়া গাছ

রংপুর সহ উত্তরাঞ্চলের গর্ব শতবর্ষী কার মাইকেল কলেজ। সবুজের শ্যামলে সুশো ভীত এ কলেজের গৌরব আরও বাড়িয়েছে কাইজেলিয়া গাছ। গাছটির আদি নিবাস সেনেগলের দক্ষিণাঞ্চলে। আফ্রিকার বাইরে এটি অস্তিত্ব পাওয়া দুর্লভ। রংপুর কার মাইকেল কলেজের মূল ফটো নিয়ে ঢুকলেই চোখের সামনে পড়বে একটি ছায়াঘেরা সড়ক। সামনে কিছু দূর হাঁটলে দর্শনার্থীদের চোখ আটকে যাবে একটি সাইনবোর্ডে। এতে মোটা অক্ষরের লেখা দাঁড়াও পথিকবর আমার নাম কাইজেলিয়া।
পৃথিবীর মাঝে বিরল প্রজাতির গাছের মধ্যে এটি অন্যতম। এর ফল কাঁচা অবস্থায় সবুজ রং পাকলে বাদামি। এই ফল বিষাক্ত তবে অত্যন্ত রোচক । গাছটির উচ্চতায় ২০ থেকে ২৫ মিটার। লম্বাটে ও গোলাকার এক একটি ফলের ওজন ৫থেকে ১০ কেজি। এটি প্রক্রিয়াজাত করলে আলসার সিফিলিস সর্প   দংশনের ঔষধ বাত, ছত্রাক দমন, চর্মরোগ ,মেয়েদের প্রসাধনী সামগ্রী এমনকি ক্যান্সারের চিকিৎসাও বহুল ব্যবহৃত হতে পারে।
এ কলেজে দুটি বড় কাইজেলিয়া রয়েছে। একটি গাছ প্রধান ফটক থেকে ৫০০ গজ দূরে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিপরীতে। অপর গাছটি কলেজ মসজিদের সামনে। ঐতিহ্যবাহী কারমাইকেল কলেজ দেখতে আসা দেশ-বিদেশের দর্শনার্থীরা কাইজেরিয়ার ছায়ায় দাঁড়িয়ে এর আত্মকথা শোনেন। অনেকে বন্ধুদের আড্ডা দেন, গাছের সঙ্গে ছবি তোলেন । গৌরবের এ গাছটিকে অমরত্ন দেখতে কলেজে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে কার্মিকেল কাইজেলিয়া। শিক্ষা সংস্কৃতি সংসদ (কাকা শিস)। প্রতিবছর এর সংগঠনের নেতারা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে কাইজেলিয়ার নামকে সবার সামনে তুলে  ধরেছেন ।
এতে দিন দিন তাইজেলিয়াকে জানার আগ্রহ বাড়ছে কলেজে আসা শিক্ষার্থীদের। কারমাইকেল কলেজের শিক্ষার্থী রোকনুজ্জামান রোমান গণমাধ্যম কর্মীকে জানান, কার মাইকেলের কলেজের গৌরব ঐতিহ্যকে বাড়িয়েছে কাইজেলিয়া গাছ। কলেজে আসাদ যাওয়ার পথে এই গাছের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন অন্ত দুইবার দেখা হয়। তাই ক্যাম্পাসে গাছের কথা উঠলে প্রথমে উচ্চারিত হয় কাইজেলিয়ার গাছের নাম।
কারমাইকেল কাইজেলিয়া শিক্ষা সংস্কৃতি সংসদের  কাকাশিসি সভাপতি সঞ্জয় কুমার রায় গণমাধ্যম কর্মীকে বলেন গৌরবের এ গাছটিকে অমরত্ন দিতে কলেজে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে লিয়া শিক্ষা সংস্কৃতি সংসদ কাকা শিস। প্রতিবছর আমরা এর সংগঠনের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কাইজেলিয়ার নামকে সবার সামনে তুলে ধরছি প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান থেকে বেশি বিদেশি পর্যটক ও বৃক্ষ প্রেমী দর্শনার্থীরা কালমেকেল কলেজের কাইজেলিয়া গাছকে দেখতে আসেন।
গাছের পাশে থাকা সাইনবোর্ড থেকে জানা যায় এক গাছ প্রেম িক আনুমানিক ১৯২০ সালের দিকে রংপুরের এই কামে গেলে কলেজে রোপণ করেছিলেন দুর্লভ প্রজাতির ঔষধি গাছ কাইজেলিয়া।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদ ২৮ মে

কার মাইকেল কলেজের ঐতিহ্য শতবর্ষে কাইজেলিয়া গাছ

প্রকাশিত : ০৫:১৯:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০২৩
রংপুর সহ উত্তরাঞ্চলের গর্ব শতবর্ষী কার মাইকেল কলেজ। সবুজের শ্যামলে সুশো ভীত এ কলেজের গৌরব আরও বাড়িয়েছে কাইজেলিয়া গাছ। গাছটির আদি নিবাস সেনেগলের দক্ষিণাঞ্চলে। আফ্রিকার বাইরে এটি অস্তিত্ব পাওয়া দুর্লভ। রংপুর কার মাইকেল কলেজের মূল ফটো নিয়ে ঢুকলেই চোখের সামনে পড়বে একটি ছায়াঘেরা সড়ক। সামনে কিছু দূর হাঁটলে দর্শনার্থীদের চোখ আটকে যাবে একটি সাইনবোর্ডে। এতে মোটা অক্ষরের লেখা দাঁড়াও পথিকবর আমার নাম কাইজেলিয়া।
পৃথিবীর মাঝে বিরল প্রজাতির গাছের মধ্যে এটি অন্যতম। এর ফল কাঁচা অবস্থায় সবুজ রং পাকলে বাদামি। এই ফল বিষাক্ত তবে অত্যন্ত রোচক । গাছটির উচ্চতায় ২০ থেকে ২৫ মিটার। লম্বাটে ও গোলাকার এক একটি ফলের ওজন ৫থেকে ১০ কেজি। এটি প্রক্রিয়াজাত করলে আলসার সিফিলিস সর্প   দংশনের ঔষধ বাত, ছত্রাক দমন, চর্মরোগ ,মেয়েদের প্রসাধনী সামগ্রী এমনকি ক্যান্সারের চিকিৎসাও বহুল ব্যবহৃত হতে পারে।
এ কলেজে দুটি বড় কাইজেলিয়া রয়েছে। একটি গাছ প্রধান ফটক থেকে ৫০০ গজ দূরে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিপরীতে। অপর গাছটি কলেজ মসজিদের সামনে। ঐতিহ্যবাহী কারমাইকেল কলেজ দেখতে আসা দেশ-বিদেশের দর্শনার্থীরা কাইজেরিয়ার ছায়ায় দাঁড়িয়ে এর আত্মকথা শোনেন। অনেকে বন্ধুদের আড্ডা দেন, গাছের সঙ্গে ছবি তোলেন । গৌরবের এ গাছটিকে অমরত্ন দেখতে কলেজে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে কার্মিকেল কাইজেলিয়া। শিক্ষা সংস্কৃতি সংসদ (কাকা শিস)। প্রতিবছর এর সংগঠনের নেতারা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে কাইজেলিয়ার নামকে সবার সামনে তুলে  ধরেছেন ।
এতে দিন দিন তাইজেলিয়াকে জানার আগ্রহ বাড়ছে কলেজে আসা শিক্ষার্থীদের। কারমাইকেল কলেজের শিক্ষার্থী রোকনুজ্জামান রোমান গণমাধ্যম কর্মীকে জানান, কার মাইকেলের কলেজের গৌরব ঐতিহ্যকে বাড়িয়েছে কাইজেলিয়া গাছ। কলেজে আসাদ যাওয়ার পথে এই গাছের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিন অন্ত দুইবার দেখা হয়। তাই ক্যাম্পাসে গাছের কথা উঠলে প্রথমে উচ্চারিত হয় কাইজেলিয়ার গাছের নাম।
কারমাইকেল কাইজেলিয়া শিক্ষা সংস্কৃতি সংসদের  কাকাশিসি সভাপতি সঞ্জয় কুমার রায় গণমাধ্যম কর্মীকে বলেন গৌরবের এ গাছটিকে অমরত্ন দিতে কলেজে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গড়ে তোলা হয়েছে লিয়া শিক্ষা সংস্কৃতি সংসদ কাকা শিস। প্রতিবছর আমরা এর সংগঠনের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কাইজেলিয়ার নামকে সবার সামনে তুলে ধরছি প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান থেকে বেশি বিদেশি পর্যটক ও বৃক্ষ প্রেমী দর্শনার্থীরা কালমেকেল কলেজের কাইজেলিয়া গাছকে দেখতে আসেন।
গাছের পাশে থাকা সাইনবোর্ড থেকে জানা যায় এক গাছ প্রেম িক আনুমানিক ১৯২০ সালের দিকে রংপুরের এই কামে গেলে কলেজে রোপণ করেছিলেন দুর্লভ প্রজাতির ঔষধি গাছ কাইজেলিয়া।