প্রেমের সম্পর্ক এরপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের কলেজ ছাত্রী সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন নিশান নামের এক যুবক। এরপর ওই তরুণী তার প্রেমিক নিশান উদ্দিন কে (২৬) বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে নানা টালবাহানা শুরু করে। একপর্যায়ে তাকে মুখ না খোলার জন্য নানা রকম ভয়ভীতি দেখানো হয়।
ভুক্তভোগী তরুণী বেড়া উপজেলার( আমিনপুর থানাধীন) রুপপুর ইউনিয়ন এর খানপুরা মধ্যপাড়া গ্রামের। আব্দুল আওয়াল মোল্লার মেয়ে উর্মি খাতুন(২১) ধর্ষণের অভিযোগে আমিনপুর থানায় নিশান উদ্দিন কে আইন অনুযায়ী একমাত্র আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহার নামীয় আসামী নিশান উদ্দিন একই গ্রামের নুর উদ্দিনের ছেলে। মামলা দায়েরের পর থেকে লাপাত্তা রয়েছে নিশান।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামী নিশান উদ্দিনের বাড়ী এবং ভুক্তভোগীর বাড়ী একই গ্রামে ও পাশাপাশি। রাস্তা ঘাটে চলাচলকালে আসামী দীর্ঘদিন যাবত তাকে প্রেমের প্রস্তাব সহ বিবাহের প্রস্তাব দিয়া আসিলো। ফলে তার সাথে প্রায় ১ (এক) বছর যাবত প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।
এক পর্যায়ে ইং-২৩/০৬/২৩ তারিখ রাত্রী অনুমান ১১ টায় সময় আসামী নিশান উদ্দিন। আমিনপুর থানাধীন খানপুরা মধ্যপাড়া সাকিনে বাদীর বসত বাড়ীতে আসিয়া ডাক দিলে বাদী সরল বিশ্বাসে ঘরের দরজা খুলিয়া দিলে আসামী নিশান তাকে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব দিয়া। সুকৌশলে শয়ন ঘরে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন ধরনের প্রলোভনসহ বিবাহের প্রস্তাব দিয়া।
তার স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় ও শয়ন কক্ষের খাটের উপর বাদীর ইচ্ছের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেও বিবাহ করিবে বলিয়া আশ্বস্ত করে এবং এই বিষয়ে কাউকে কোনো কিছু বলা যাবে না বলিয়া নিষেধ করিয়া চলে যায়। উক্ত আসামী একই কৌশলে পূর্বেও ভুক্তভোগীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে একই স্থানে একাধিকবার ধর্ষণ করিয়াছে এবং একই ধরনের কথা বলিয়া চলিয়া গিয়াছে।
বাদীর পরিবহন সূত্রে জানা যায়,আসামীকে বিবাহের জন্য চাপ দিলে যে প্রেমের সম্পর্ক ছিন্ন করার চেষ্টা চালায়। পরে উক্ত ঘটনার বিষয়ে বাদী তার মা বাবাকে বিস্তারিত বললে। তার মা বাবা ও আত্মীয়স্বজন বিস্তারিত ঘটনা জানিয়া আসামী নিশান উদ্দিন সহ তার পিতা মাতাকে তাদের বিয়ের প্রস্তাব দিলে তারা বিবাহের প্রস্তাব প্রত্যাখান করে।
ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাবাসহ স্থানীয় চারজন সাক্ষী সহ আরো অনেকে অবগত আছে। সঠিক বিচার চেয়ে ভুক্তভোগী বলেন,আমার সাথে নিশান এর প্রেমের সম্পর্ক। সে বিয়ের কথা বলে আমার সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলে একাধিকবার ধর্ষণ করছে। এখন সব কিছু অশিকার করছে। সে আমাদের বাড়িতে গভীর রাতে আসছিলো। এলাকার কয়েকজন দেখে ফেলায় ঝামেলা হয়েছে।
আমার পরিবারের লোকজন তার বাড়িতে বিবাহের কথা বলছে তারা বিয়ের বিষয় রাজি না। নিশান আমাকে কথা দিয়েছিলো বিয়ে করবে। এখন আর আমার সাথে যোগাযোগ করছে না। বিষয় টি তারা ধামাচাপা দিতে চায়।আমি এর সঠিক বিচার চাই। আইন অনুযায়ী সঠিক বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ভুক্তভোগী তরুণী ও তার পরিবার। এ বিষয় আরো জানতে নিশান উদ্দিন এর ব্যাক্তিগত মুঠোফোন নম্বরে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে নম্বর বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আনিসুর রহমান মুঠোফোনে বলেন,এ বিষয় একটি মামলা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আসামী আটকের জন্য চেষ্টা চলছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/একে




















