০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

মাধবপুরে কৃষি জমি নষ্ট করে বালু উত্তোলন

হবিগঞ্জের মাধবপুরে বাঘাসুরা ফতেপুর মৌজা থেকে কৃষি জমি সুরক্ষা আইনের তোয়াক্কা না করে ড্রেজার মেশিন দিয়ে ফসলি জমি থেকে বালু উত্তোলন করছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। এর সঙ্গে স্থানীয় একজন জনপ্রতিনিধি জড়িত রয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় কৃষকরা জানান বাঘাসুরা ইউনিয়নের ফতেপুর মৌজার কৃষি জমিতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে পাইপের সহযোগীতায় বালু মজুদ করে রাখা হচ্ছে শাহজিবাজার বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্রের কাছে। কৃষি জমি থেকে ২০/২৫ ফুট খনন করে মাটি বালু উত্তোলনের কারনে অন্যান্য কৃষকের কৃষি জমি নষ্ট হচ্ছে। মজুত করা বালু পরে এক্সভেটর দিয়ে ট্রাক ও ট্রাক্টর দিয়ে বুঝাই করে অন্যত্র নেওয়া হচ্ছে। এভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে কৃষি জমির পরিমান কমে যাবে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন। স্থানীয় কৃষকরা মাটি বালু উত্তোলন বন্ধের জন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে নালিশ করেছেন। কিন্তু মাটি বালু উত্তোলন বন্ধ হচ্ছেনা। স্থানীয় একজন প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধি এর সঙ্গে জড়িত থাকায় কেউ কিছু করতে পারছেনা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় পাইপের সাহায্যে কৃষি জমি থেকে বালুমাটি এনে মাটি খনন যন্ত্র দিয়ে প্রকাশ্যে ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে নেওয়া হচ্ছে। ২০১০ সালের মাটি ও বালু ব্যবস্থাপনা আইনের ৫এর ১ ধারা অনুযায়ী পাম্প বা ড্রেজিং মেশিন বা অন্য কোন উপায়ে মাটির নিজ থেকে মাটি বালু উত্তোলন করলে আইন অমান্যকারীকে ২ বছরের কারাদন্ড বা ১০ লাখ টাকার জরিমানা করার বিধান রয়েছে। এক্ষেত্রে আইনের কোন প্রয়োগ হচ্ছেনা। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সাহাবুদ্দিন আহমেদ জানান, বালু উত্তোলনকারীদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তিনি প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন। মাধবপুর সহকারী কমিশনার ভুমি রাহাত বিন কুতুব জানান, কৃষি জমি থেকে বেআইনিভাবে মাটি বালু উত্তোলনের অভিযোগ সত্য হলে অবশ্যই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুর আহসান জানান, কৃষি জমি বিনষ্ট করা হলে অবশ্যই জড়িত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদ ২৮ মে

মাধবপুরে কৃষি জমি নষ্ট করে বালু উত্তোলন

প্রকাশিত : ০৭:৫৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৩

হবিগঞ্জের মাধবপুরে বাঘাসুরা ফতেপুর মৌজা থেকে কৃষি জমি সুরক্ষা আইনের তোয়াক্কা না করে ড্রেজার মেশিন দিয়ে ফসলি জমি থেকে বালু উত্তোলন করছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। এর সঙ্গে স্থানীয় একজন জনপ্রতিনিধি জড়িত রয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় কৃষকরা জানান বাঘাসুরা ইউনিয়নের ফতেপুর মৌজার কৃষি জমিতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে পাইপের সহযোগীতায় বালু মজুদ করে রাখা হচ্ছে শাহজিবাজার বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্রের কাছে। কৃষি জমি থেকে ২০/২৫ ফুট খনন করে মাটি বালু উত্তোলনের কারনে অন্যান্য কৃষকের কৃষি জমি নষ্ট হচ্ছে। মজুত করা বালু পরে এক্সভেটর দিয়ে ট্রাক ও ট্রাক্টর দিয়ে বুঝাই করে অন্যত্র নেওয়া হচ্ছে। এভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে কৃষি জমির পরিমান কমে যাবে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন। স্থানীয় কৃষকরা মাটি বালু উত্তোলন বন্ধের জন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে নালিশ করেছেন। কিন্তু মাটি বালু উত্তোলন বন্ধ হচ্ছেনা। স্থানীয় একজন প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধি এর সঙ্গে জড়িত থাকায় কেউ কিছু করতে পারছেনা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় পাইপের সাহায্যে কৃষি জমি থেকে বালুমাটি এনে মাটি খনন যন্ত্র দিয়ে প্রকাশ্যে ট্রাকে করে বিভিন্ন স্থানে নেওয়া হচ্ছে। ২০১০ সালের মাটি ও বালু ব্যবস্থাপনা আইনের ৫এর ১ ধারা অনুযায়ী পাম্প বা ড্রেজিং মেশিন বা অন্য কোন উপায়ে মাটির নিজ থেকে মাটি বালু উত্তোলন করলে আইন অমান্যকারীকে ২ বছরের কারাদন্ড বা ১০ লাখ টাকার জরিমানা করার বিধান রয়েছে। এক্ষেত্রে আইনের কোন প্রয়োগ হচ্ছেনা। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সাহাবুদ্দিন আহমেদ জানান, বালু উত্তোলনকারীদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তিনি প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন। মাধবপুর সহকারী কমিশনার ভুমি রাহাত বিন কুতুব জানান, কৃষি জমি থেকে বেআইনিভাবে মাটি বালু উত্তোলনের অভিযোগ সত্য হলে অবশ্যই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনজুর আহসান জানান, কৃষি জমি বিনষ্ট করা হলে অবশ্যই জড়িত ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।