০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

পেকুয়ায় শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে তরুণ গ্রেপ্তার

  • জাহেদ হোসেন
  • প্রকাশিত : ০৮:০৪:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৩
  • 72
পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের পেঠান মাতবরপাড়া এলাকায় চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত রবিবার রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে সোমবার আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠিয়েছে। আটক ইজিবাইক (টমটম) চালক কিশোর মো: মামুন শিলখালী ইউনিয়নের পেঠান মাতবরপাড়ার আলী আকবরের ছেলে।
শিশুটির মা বলেন, ২৮ জুলাই বিকেলে পেঠান মাতবরপাড়া এলাকায় কবরস্থানের মাঠের সঙ্গে লাগোয়া একটি প্রস্রাবখানায় নিয়ে আমার মেয়েকে কৌশলে উপর্যপরি দুবার ধর্ষণ করেন মামুন। মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় পেলেও মেয়ে ধর্ষণের ঘটনাটি তখন বলতে পারেনি। রবিবার সকালে আমার মেয়ে তার নানার সঙ্গে ঘর থেকে রাস্তায় বের হলে ইজিবাইক চালক মামুনকে দেখে কেঁদে দেয়। এসময় তার নানা কেন কাঁদছে জিজ্ঞেস করতেই আমার মেয়ে ধর্ষণের ঘটনাটি জানায়। এসময় মামুনকে স্থানীয় এলাকাবাসী আটক করে জিজ্ঞেস করলে তিনি ধর্ষণের ঘটনা স্বীকার করেন। পরে ৯৯৯ এ ফোন করা হলে পেকুয়া থানার পুলিশ গিয়ে মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং আমার মেয়ের কাছ থেকে জবানবন্দি নেয়। পরে পুলিশ আমার মেয়েকে উদ্ধার ও মামুনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুদীপ্ত শেখর ভট্টাচার্য বলেন, আটক মামুনের স্বীকারোক্তি ও শিশুটির জবানবন্দির মধ্যে মিল এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদ ২৮ মে

পেকুয়ায় শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে তরুণ গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ০৮:০৪:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৩
পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের পেঠান মাতবরপাড়া এলাকায় চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত রবিবার রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে সোমবার আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠিয়েছে। আটক ইজিবাইক (টমটম) চালক কিশোর মো: মামুন শিলখালী ইউনিয়নের পেঠান মাতবরপাড়ার আলী আকবরের ছেলে।
শিশুটির মা বলেন, ২৮ জুলাই বিকেলে পেঠান মাতবরপাড়া এলাকায় কবরস্থানের মাঠের সঙ্গে লাগোয়া একটি প্রস্রাবখানায় নিয়ে আমার মেয়েকে কৌশলে উপর্যপরি দুবার ধর্ষণ করেন মামুন। মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় পেলেও মেয়ে ধর্ষণের ঘটনাটি তখন বলতে পারেনি। রবিবার সকালে আমার মেয়ে তার নানার সঙ্গে ঘর থেকে রাস্তায় বের হলে ইজিবাইক চালক মামুনকে দেখে কেঁদে দেয়। এসময় তার নানা কেন কাঁদছে জিজ্ঞেস করতেই আমার মেয়ে ধর্ষণের ঘটনাটি জানায়। এসময় মামুনকে স্থানীয় এলাকাবাসী আটক করে জিজ্ঞেস করলে তিনি ধর্ষণের ঘটনা স্বীকার করেন। পরে ৯৯৯ এ ফোন করা হলে পেকুয়া থানার পুলিশ গিয়ে মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং আমার মেয়ের কাছ থেকে জবানবন্দি নেয়। পরে পুলিশ আমার মেয়েকে উদ্ধার ও মামুনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পেকুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুদীপ্ত শেখর ভট্টাচার্য বলেন, আটক মামুনের স্বীকারোক্তি ও শিশুটির জবানবন্দির মধ্যে মিল এবং ঘটনার পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা রুজু করা হয়েছে।