পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টিতে পানিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে আনোয়ারা উপজেলার প্রাণ কেন্দ্র চাতরী চৌমুহনী বাজার সিইউএফএল সড়কের।ড্রেন সংস্কারের অভাবে সড়কটি যেন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।ময়লা আবর্জনার ও কাদাযুক্ত পানি দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে লোকজন ও যানবাহনকে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায় গেছে, কোরিয়ান কেইপিজেড গার্মেন্টস, সিইউএফএল, কাফকো, কর্ণফুলী টানেলের শ্রমিক-কর্মচারী, পর্যটন কেন্দ্র পারকী সমুদ্রের সৈকতের যাতায়াতের মূল কেন্দ্র হচ্ছে চাতরী চৌমুহনী বাজার সিইউএফএল সড়কটি। কিন্তু বৃষ্টি নোংরা পানি ময়লা আবর্জনার জলাবদ্ধতা দুর্ভোগের কাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চরম ভোগান্তিতে চলাচল করতে পথযাত্রী।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচএ) ডা. মামুনুর রশিদ, কোন নিদিষ্ট স্থানে ৩ দিনের বেশি পানি জমে থাকলে সেখানে বিশেষ করে এসিড মশা লাভা সৃষ্টি হয়।সেখান থেকে এসিড মশা উৎপত্তি হয়।
সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়, চাতরী চৌমুহনী বাজারের সিইউএফএল সড়কের কাঁচাবাজার পর্যন্ত ময়লা আবর্জনাসহ পানি জমে আছে। পথযাত্রীরা সীমাহীন ভোগান্তি নিয়ে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে। সড়কের কাঁচাবাজারে,হোটলের, মুর্দি দোকানদারের ময়লা আবর্জনা অধিকাংশ ড্রেন ভরপুর। ড্রেন দিয়ে পানি চলাচলের নেই উপযুক্ত সংযোগ।
এলজিইডি সূত্রে জানা যায়,চাতরী চৌমুহনী বাজারের পানি নিষ্কাশন ও উন্নয়নের জন্য ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৬০ লাখ টাকার উন্নয়নকাজ করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ। এ প্রকল্পের অধীনে বাজারের পানি নিষ্কাশনে নালা তৈরির কাজে ২০ লাখ এবং ফুটপাত ও গোল চতুর তৈরিতে ব্যয় হয় ৪০ লাখ টাকা।
এ বিষয়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ ইশতিয়াক ইমন জানান, চাতরী চৌমুহনী বাজারের পানি নিষ্কাশনের ব্যাপারে আমরা ইউপি চেয়ারম্যান সাথে কথা বলেছি।পানি নিষ্কাশনের জন্য কয়েকদিন আগে ড্রেন গুলো পরিষ্কার করা হয়েছে। সবজি বাজারের লোকেরা ময়লা পেলে বয়কেট করে ফেলেছে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে আমরা বলেছি কাঁচা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির যারা আছে। তাদের সাথে ২/১ দিনের মধ্যে একটা মিটিং করবো। ড্রেনগুলো যদি ক্লিয়ার রাখা যায়। তাহলে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থাটা সহজ হবে।তাও যদি না যায় তাহলে বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/bh





















