তানজিদ হাসান তামিম নিজের অভিষেকটা স্মরণীয় করতে পারেননি। মহিশ থিকশানার করা ইনিংসেই দ্বিতীয় ওভারেই এলবিডাব্লিউ হয়ে ফিরেছেন ০ রানে। আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ দীর্ঘদিন পর ওয়ানডেত সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পারেননি। ২৩ বলে ১৬ রান করে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন ধনাঞ্জয় ডি সিলভার বলে।
একপ্রান্ত আগলে রাখা নাজমুল হোসেন শান্তকে সঙ্গ দিতে পারেননি অধিনায়ক সাকিবও। মাথিশা পাথিরানার বলে ফিরেন ৫ রানে। মাত্র ৩৬ রানে তিন উইকেট হারিয়ে প্রবল চাপে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে দুই তরুণ নাজমুল হোসেন শান্ত আর তাওহীধ হৃদয়ের ব্যাটে শুরু হয় ঘুরে দাঁড়ানোর মিশন।
৬৬ বলে ফিফটি তুলে নেন শান্ত।
দুজনের চতুর্থ উইকেট জুটিও ছাড়িয়ে যায় পঞ্চাশ। এরপরই ছন্দপতন! দাসুন শানাকার বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে যান ৪১ বলে ২০ রান করা তাওহীদ হৃদয়। তার ইনিংসে নেই কোনো বাউন্ডারি।
ফিল্ড আম্পায়ার হৃদয়কে আউট না দিলেও রিভিউ নিয়ে জয়ী হয় শ্রীলঙ্কা। ভাঙে ৫৯ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি। ৯৫ রানে নেই ৫ উইকেট।

























