১০:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কুষ্টিয়ায় ডাকাতি মামলায় ৯জনের কারাদন্ড

কুষ্টিয়ায় ডাকাতি মামলায় ৯ আসামিকে দশ বছর কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেকেই ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে কুষ্টিয়ার বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ আশরাফুল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন- কুষ্টিয়া চৌড়হাস উপজেলা রোড লালন শেখের ছেলে জাকির, মতিমিয়া রেলগেট সংলগ্ন মোশাররফ হোসেনের ছেলে উল্লাস, বাড়াদী এলাকার দাউদ হোসেনের ছেলে রফিক, খন্দকার রবিউল ইসলামের ছেলে তৈয়মুর ইসলাম, আমিরুল ইসলামের ছেলে পিচ্চি মনির, মৃত হাফিজ মোল্লার ছেলে সাগর।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালে ২২ জুলাই দিবাগত রাত ২টার দিকে একদল ডাকাত কুষ্টিয়ার চৌড়হাস মতিমিয়া রেল গেইট সংলগ্ন এলাকার এক বসতবাড়িতে হামলা করে। এসময় বাদী ফরিদা ইসলামসহ বাড়ির সদস্যদের অস্ত্রের ভয়
দেখিয়ে স্বর্ণালংকার, টাকা, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। একই সঙ্গে সবাইকে বেঁধে রেখে বাড়ীর আসবাবপত্র নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।

 

এ ঘটনায় ওই দিন দুপুরে কুষ্টিয়া মডেল থানায় বেগম ফরিদা ইসলাম বাদী হয়ে সন্দেহজনক
তিনজনের নাম উল্লেখ করে একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই হারাধন কুন্ডু মামলাটির তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারী ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলাটি সাক্ষ্য প্রমানে সন্দেহাতিতভাবে প্রমানিত হওয়ায় বুধবার আদালত এ রায় ঘোষণা
করেন। কুষ্টিয়া জজ কোর্টের পিপি অনুপ কুমার নন্দী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নারায়ণগঞ্জে ব্যবসায়ী হত্যায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

কুষ্টিয়ায় ডাকাতি মামলায় ৯জনের কারাদন্ড

প্রকাশিত : ০৮:১৬:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

কুষ্টিয়ায় ডাকাতি মামলায় ৯ আসামিকে দশ বছর কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেকেই ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে কুষ্টিয়ার বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোঃ আশরাফুল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন- কুষ্টিয়া চৌড়হাস উপজেলা রোড লালন শেখের ছেলে জাকির, মতিমিয়া রেলগেট সংলগ্ন মোশাররফ হোসেনের ছেলে উল্লাস, বাড়াদী এলাকার দাউদ হোসেনের ছেলে রফিক, খন্দকার রবিউল ইসলামের ছেলে তৈয়মুর ইসলাম, আমিরুল ইসলামের ছেলে পিচ্চি মনির, মৃত হাফিজ মোল্লার ছেলে সাগর।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালে ২২ জুলাই দিবাগত রাত ২টার দিকে একদল ডাকাত কুষ্টিয়ার চৌড়হাস মতিমিয়া রেল গেইট সংলগ্ন এলাকার এক বসতবাড়িতে হামলা করে। এসময় বাদী ফরিদা ইসলামসহ বাড়ির সদস্যদের অস্ত্রের ভয়
দেখিয়ে স্বর্ণালংকার, টাকা, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। একই সঙ্গে সবাইকে বেঁধে রেখে বাড়ীর আসবাবপত্র নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।

 

এ ঘটনায় ওই দিন দুপুরে কুষ্টিয়া মডেল থানায় বেগম ফরিদা ইসলাম বাদী হয়ে সন্দেহজনক
তিনজনের নাম উল্লেখ করে একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই হারাধন কুন্ডু মামলাটির তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারী ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলাটি সাক্ষ্য প্রমানে সন্দেহাতিতভাবে প্রমানিত হওয়ায় বুধবার আদালত এ রায় ঘোষণা
করেন। কুষ্টিয়া জজ কোর্টের পিপি অনুপ কুমার নন্দী রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন।