১২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মানিকগঞ্জে রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে ভাগনের ছোড়া ইটের আঘাতে খালা নিহত, ভাগিনা পলাতক

মানিকগঞ্জে বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা নিয়ে কলহের জেরে ভাগনের ইটের আঘাতে খালা নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে মানিকগঞ্জ পৌর এলাকার বড়াইগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই নারীর নাম হারুনী বেগম (৪০)। স্বামী পরিত্যক্ত এই নারী দুই সন্তান নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে রাস্তা নিয়ে ঝগড়ার একপর্যায়ে ভাগনে আলমগীর ইট দিয়ে খালা হারুনীর মাথায় আঘাত করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় লোকজন। তবে অবস্থার অবনতি হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক হারুনীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসলে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।

পুলিশ ও মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর হারুনী ছেলে বাবু মিয়া ও মেয়ে সুমি আক্তারকে নিয়ে বড়াইগ্রামে বাবার বাড়িতে থাকতেন। স্বামী মারা যাওয়ার পর ছেলে আলমগীর হোসেনকে নিয়ে হারুনীর বড় বোন বিমলা বেগমও বাবার বাড়িতে চলে আসেন। তারা বাবার বাড়িতে পৃথক ঘরে বসবাস করছিলেন। তবে বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা নিয়ে মাঝেমধ্যে দুই বোন বিমলা ও হারুনীর মধ্যে ঝগড়া হতো।

নিহত হারুনী বেগমের মেয়ে সুমি আক্তার (১৯) বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে রাস্তা নিয়ে ঝগড়ার সময় আলমগীর তাঁর মায়ের মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছেন। হত্যাকারীর শাস্তি দাবি করেন তিনি।

এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আলমগীর পলাতক। তবে আলমগীরের মা বিমলা বেগম বলেন, তার সঙ্গে বোন হারুনীর রাস্তা নিয়ে ঝগড়া হয়। এতে সহ্য করতে না পেরে তার ছেলে আলমগীর ইট নিক্ষেপ করলে তা হারুনীর মাথায় লাগে। পরে তিনি স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহত বোনকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রউফ সরকার বলেন, বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা নিয়ে বিরোধের জের ধরে ইটের আঘাতে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আলমগীর পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh

ট্যাগ :

শেষ মুহূর্তের গোলে চেলসিকে হারিয়ে ফাইনালে আর্সেনাল

মানিকগঞ্জে রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে ভাগনের ছোড়া ইটের আঘাতে খালা নিহত, ভাগিনা পলাতক

প্রকাশিত : ০৪:৩৪:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

মানিকগঞ্জে বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা নিয়ে কলহের জেরে ভাগনের ইটের আঘাতে খালা নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে মানিকগঞ্জ পৌর এলাকার বড়াইগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই নারীর নাম হারুনী বেগম (৪০)। স্বামী পরিত্যক্ত এই নারী দুই সন্তান নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে রাস্তা নিয়ে ঝগড়ার একপর্যায়ে ভাগনে আলমগীর ইট দিয়ে খালা হারুনীর মাথায় আঘাত করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় লোকজন। তবে অবস্থার অবনতি হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক হারুনীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার মাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসলে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।

পুলিশ ও মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর হারুনী ছেলে বাবু মিয়া ও মেয়ে সুমি আক্তারকে নিয়ে বড়াইগ্রামে বাবার বাড়িতে থাকতেন। স্বামী মারা যাওয়ার পর ছেলে আলমগীর হোসেনকে নিয়ে হারুনীর বড় বোন বিমলা বেগমও বাবার বাড়িতে চলে আসেন। তারা বাবার বাড়িতে পৃথক ঘরে বসবাস করছিলেন। তবে বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা নিয়ে মাঝেমধ্যে দুই বোন বিমলা ও হারুনীর মধ্যে ঝগড়া হতো।

নিহত হারুনী বেগমের মেয়ে সুমি আক্তার (১৯) বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে রাস্তা নিয়ে ঝগড়ার সময় আলমগীর তাঁর মায়ের মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেছেন। হত্যাকারীর শাস্তি দাবি করেন তিনি।

এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আলমগীর পলাতক। তবে আলমগীরের মা বিমলা বেগম বলেন, তার সঙ্গে বোন হারুনীর রাস্তা নিয়ে ঝগড়া হয়। এতে সহ্য করতে না পেরে তার ছেলে আলমগীর ইট নিক্ষেপ করলে তা হারুনীর মাথায় লাগে। পরে তিনি স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আহত বোনকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রউফ সরকার বলেন, বাড়িতে প্রবেশের রাস্তা নিয়ে বিরোধের জের ধরে ইটের আঘাতে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আলমগীর পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh