০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

চুয়াডাঙ্গা সদরের তিতুদহে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী আ: লীগের ১০ বর্ষিয়ান নেতার পথসভা অনুষ্ঠিত

আসন্ন দ্বাদশ  জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামী লীগের ঐক্যবদ্ধ ১০ জন  বর্ষীয়ান নেতা চুয়াডাঙ্গা সদরের তিতুদহে পথসভা করেছেন। ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৩০ শে সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় বর্তমান সরকারের উন্নয়ন চিত্র সাধারণ জনগণের মাঝে তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন নেতৃবৃন্দ। এক পর্যায়ে পথাসভা জনসভায় রূপ নেয়। তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তিতুদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শুকুর আলীর সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাদুল ইসলাম আজাদ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান মনজু, জীবননগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবু মো: আব্দুল লতিফ অমল, দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সিরাজুল আলম ঝন্টু, দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, দৈনিক সকালের সময়ের সম্পাদক প্রকাশক বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদের মহাসচিব মানবাধিকার কর্মী নুর হাকিম, বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা চুয়াডাঙ্গা জেলা সমিতির ( ঢাকাস্থ) সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মার্জা শাহরিয়ার মাহমুদ লল্টু, দামুড়হুদা উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক চুয়াডাঙ্গা জেলা জজকোর্টের এপিপি অ্যাড. আবু তালেব। উপস্থিত ছিলেন দর্শনা পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আমির হোসেন প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল বারেক , দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডঃ রফিকুল ইসলাম রান্টু, নতিপোতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মমিন মাস্টার, নাটুদা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করীম, জুড়ান পুর ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব মাষ্টার, আওয়ামী লীগ নেতা বদর উদ্দিন, কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কাফি উদ্দীন টুটুল, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য শফিকুল ইসলাম নান্নু, হাসাদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মাহবুব বিশ্বাস, তিতুদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, নেহালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা সুজাহান জোয়ার্দ্দার, পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্মসম্পাদক আশাদুল হক, উতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা খোকন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সেলিম মল্লিক, বেগমপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহম্মদ, তিতুদহ ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি বসন্ত কুমার,
জীবননগর উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবু মাসুম,  জীবননগর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শামীম ফেরদৌস, তিতুদহ ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি রোকন, দামুড়হুদা উপজেলা ছাত্রলীগের  আইন বিষয়ক সম্পাদক বুলবুল আহমেদ, ঢাকা উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রাসেল আহমেদ মিঠু, দামুড়হুদা আব্দুল ওদুদ শাহ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের আহবায়ক শাহীন মোল্লা, আরিফুল, ইউপি সদস্য আক্তার , কাশেম মাস্টার, ইউপি সদস্য শমসের , ইউপি সদস্য সাগর, হাইদার বিডিআর, ইউপি সদস্য সামসুল, ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীরসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন,  সামনেই জাতীয় নির্বাচন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাগানে অনেক ফুল ফুটবে। যে ফুলটি পছন্দ হবে সেটাই তুলে নেবেন।  বক্তারা আরও বলেন,  বিগত ১৫ বছর দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। এই ১৫ বছরে দলীয় ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে বর্তমান এমপি নিজস্ব বলয় তৈরী করে জামায়াত-বিএনপিকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মামলা দিয়ে নির্যাতিত করেছেন, নিষ্পেসিত করেছেন। তিনি স্থানীয় ইউপি নির্বাচনে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী দাঁড় করিয়ে নৌকার প্রার্থীকে ফেল করিয়েছেন। বিগত উপজেলা নির্বাচনে নেত্রী দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সিরাজুল আলম ঝন্টুকে নৌকা দিয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে নিজের ভাইকে দাঁড় করিয়ে নৌকার প্রার্থী ঝন্টুকে ফেল করিয়েছেন। ওনি বলেছিলেন এ নৌকা সে নৌকা নয়। ওনার পছন্দমত প্রার্থী না হলেই ওনি বলেন এ নৌকা সে নৌকা নয়। এইভাবে বিগত ১৫ বছরে কমপক্ষে ১৫ জন নৌকার প্রার্থীকে ফেল করিয়েছেন। তবে এবার নেত্রী ষ্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন যে, যারা নৌকার বিরুদ্ধে কাজ করেছে তাদের এবার মনোনয়ন দেয়া হবেনা। দলের ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেবেন। বক্তারা আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অক্লান্ত পরিশ্রমে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। যারা দেশকে ভালবাসেন সেই দেশ প্রেমিক ভাইদের প্রতি আহবান, আপনারা সকলেই ভোট কেন্দ্রে যাবেন এবং
নৌকায় ভোট দিয়ে আবারও শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসাবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা। ১০ বর্ষিয়ান নেতার অঙ্গিকার, নৌকার প্রার্থীকে জয়যুক্ত করেই ঘরে ফিরবো ইনশাআল্লাহ।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন গড়াইটুপি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম রাজু ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদপুরে বাবার স্মৃতি বিজড়িত খোদ্দ খাল খননের উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

চুয়াডাঙ্গা সদরের তিতুদহে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী আ: লীগের ১০ বর্ষিয়ান নেতার পথসভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত : ০৮:৩০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

আসন্ন দ্বাদশ  জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী আওয়ামী লীগের ঐক্যবদ্ধ ১০ জন  বর্ষীয়ান নেতা চুয়াডাঙ্গা সদরের তিতুদহে পথসভা করেছেন। ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৩০ শে সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পথসভায় বর্তমান সরকারের উন্নয়ন চিত্র সাধারণ জনগণের মাঝে তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন নেতৃবৃন্দ। এক পর্যায়ে পথাসভা জনসভায় রূপ নেয়। তিতুদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তিতুদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শুকুর আলীর সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজাদুল ইসলাম আজাদ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান মনজু, জীবননগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবু মো: আব্দুল লতিফ অমল, দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সিরাজুল আলম ঝন্টু, দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, দৈনিক সকালের সময়ের সম্পাদক প্রকাশক বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদের মহাসচিব মানবাধিকার কর্মী নুর হাকিম, বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা চুয়াডাঙ্গা জেলা সমিতির ( ঢাকাস্থ) সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মার্জা শাহরিয়ার মাহমুদ লল্টু, দামুড়হুদা উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক চুয়াডাঙ্গা জেলা জজকোর্টের এপিপি অ্যাড. আবু তালেব। উপস্থিত ছিলেন দর্শনা পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আমির হোসেন প্রবীণ আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল বারেক , দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যাডঃ রফিকুল ইসলাম রান্টু, নতিপোতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মমিন মাস্টার, নাটুদা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করীম, জুড়ান পুর ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব মাষ্টার, আওয়ামী লীগ নেতা বদর উদ্দিন, কুড়ুলগাছি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কাফি উদ্দীন টুটুল, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য শফিকুল ইসলাম নান্নু, হাসাদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মাহবুব বিশ্বাস, তিতুদহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, নেহালপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা সুজাহান জোয়ার্দ্দার, পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্মসম্পাদক আশাদুল হক, উতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা খোকন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাবেক নেতা সেলিম মল্লিক, বেগমপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহীন আহম্মদ, তিতুদহ ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি বসন্ত কুমার,
জীবননগর উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবু মাসুম,  জীবননগর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শামীম ফেরদৌস, তিতুদহ ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি রোকন, দামুড়হুদা উপজেলা ছাত্রলীগের  আইন বিষয়ক সম্পাদক বুলবুল আহমেদ, ঢাকা উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রাসেল আহমেদ মিঠু, দামুড়হুদা আব্দুল ওদুদ শাহ ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের আহবায়ক শাহীন মোল্লা, আরিফুল, ইউপি সদস্য আক্তার , কাশেম মাস্টার, ইউপি সদস্য শমসের , ইউপি সদস্য সাগর, হাইদার বিডিআর, ইউপি সদস্য সামসুল, ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীরসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন,  সামনেই জাতীয় নির্বাচন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাগানে অনেক ফুল ফুটবে। যে ফুলটি পছন্দ হবে সেটাই তুলে নেবেন।  বক্তারা আরও বলেন,  বিগত ১৫ বছর দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। এই ১৫ বছরে দলীয় ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে বর্তমান এমপি নিজস্ব বলয় তৈরী করে জামায়াত-বিএনপিকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মামলা দিয়ে নির্যাতিত করেছেন, নিষ্পেসিত করেছেন। তিনি স্থানীয় ইউপি নির্বাচনে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী দাঁড় করিয়ে নৌকার প্রার্থীকে ফেল করিয়েছেন। বিগত উপজেলা নির্বাচনে নেত্রী দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সিরাজুল আলম ঝন্টুকে নৌকা দিয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে নিজের ভাইকে দাঁড় করিয়ে নৌকার প্রার্থী ঝন্টুকে ফেল করিয়েছেন। ওনি বলেছিলেন এ নৌকা সে নৌকা নয়। ওনার পছন্দমত প্রার্থী না হলেই ওনি বলেন এ নৌকা সে নৌকা নয়। এইভাবে বিগত ১৫ বছরে কমপক্ষে ১৫ জন নৌকার প্রার্থীকে ফেল করিয়েছেন। তবে এবার নেত্রী ষ্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন যে, যারা নৌকার বিরুদ্ধে কাজ করেছে তাদের এবার মনোনয়ন দেয়া হবেনা। দলের ত্যাগী, পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেবেন। বক্তারা আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অক্লান্ত পরিশ্রমে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। যারা দেশকে ভালবাসেন সেই দেশ প্রেমিক ভাইদের প্রতি আহবান, আপনারা সকলেই ভোট কেন্দ্রে যাবেন এবং
নৌকায় ভোট দিয়ে আবারও শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসাবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা। ১০ বর্ষিয়ান নেতার অঙ্গিকার, নৌকার প্রার্থীকে জয়যুক্ত করেই ঘরে ফিরবো ইনশাআল্লাহ।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন গড়াইটুপি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম রাজু ।