নাটোরের লালপুর উপজেলার আড়বাব ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতা সাবেক এমপি মমতাজ উদ্দিন হত্যা মামলার পলাতক আসামী শাহিনুল ইসলাম ওরফে সুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে পুলিশ সোমবার তাকে আড়বাব ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন হত্যা মামলার মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী হিসেবে আটক করেছেন। গ্রেফতারকৃত সুজন লালপুর উপজেলার আড়বাব ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের শহিদুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে। সোমবার দুপুরে রাজশাহী মহানগরের বিনোদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। নাটোরের পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম জানান, ২০০২সালের ১ মার্চ লালপুর উপজেলার আড়বাব ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে ছাত্রলীগ নেতার বাবা শুকুর মৃধা বাদী হয়ে ২১ জনের নাম উল্লেখ করে লালপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল নাটোরের অতিরিক্ত দায়রা জজ ও স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-২ গ্রেফতারকৃত সুজনসহ ৪জনকে মৃত্যুদন্ড এবং ১জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের রায় ঘোষণা করেন। তার পর থেকেই সুজন পলাতক ছিল। অপরদিকে মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ (মরণোত্তর) একুশে পদক প্রাপ্ত নাটোর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মমতাজ উদ্দিনকে ২০০৩ সালের ৬ জুন রাতে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে। মমতাজ উদ্দিনের ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা শামীম আহমেদ সাগর জানান, ২০১৩ সালের ১৩ মার্চ রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের বিচারক মোঃ একরামুল হক চৌধুরী এই মামলার রায়ে সুজনসহ ৯জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেন। উভয় মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী সুজন দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দুপুরে একটি লেগুনা গাড়িতে যাওয়ার সময় রাজশাহী মহানগরের বিনোদপুর এলাকা থেকে নাটোরের লালপুর থানা পুলিশ তাকে আটক করে। সোমবার সন্ধ্যার আগে পুলিশ গ্রেফতারকৃত সুজনকে আদালতের মাধ্যমে নাটোর জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে।
০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম :
হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
-
নাটোর প্রতিনিধি - প্রকাশিত : ০৭:৫৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অক্টোবর ২০২৩
- 66
ট্যাগ :
জনপ্রিয়




















