০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

উত্তরাঞ্চলের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী,বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত ভারতীয় সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন (CWC) এর তথ্য,ভারতের উত্তর সিকিম এ তিস্তা নদীর চুংথাং ড্যাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উজানে তিস্তা নদীর পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিপদসীমার  উপর দিয়ে পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড। 
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ভারতের গজলডোবা পয়েন্টে পানি সমতল বিগত মধ্যরাত হতে প্রায় ২৮৫ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়েছে (বর্তমান পানি সমতল ১১০.৩০ মি.) এবং দোমুহুনী পয়েন্টে আজ সকাল  হতে প্রায় ৮২ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়েছে (বর্তমান পানি সমতল ৮৫.৯৫ মি.) বৃদ্ধি অব্যাহত আছে।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড আরও বলছেন তিস্তা নদীর পানি সমতল ডালিয়া পয়েন্টে হ্রাস পাচ্ছে।তিস্তা ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টের পানি বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা।
মঙ্গলবার সকালে ডালিয়া পয়েন্টের পানি সমতল ৫১.৩৫ মি. (বিপদসীমার ৮০ সে.মি. নিচে),বৃদ্ধি পেতে পারে এবং মঙ্গলবার  বিকাল নাগাদ বিপসীমা অতিক্রম করে মধ্যরাত পর্যন্ত বিপদসীমার ৫০ সে.মি. উপর পর্যন্ত উঠতে পারে।
তিস্তা নদী কাউনিয়া পয়েন্টের পানি সমতল ২৮.১৫ মি. (বিপদসীমার ৬০ সে.মি. নিচে) যা আগামীকাল বুধবার ভোররাতে বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে।
এর ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারি, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা জেলার তিস্তা নদী তীরবর্তী এলাকাসমূহ প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
ভারতীয় আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভারতের সিকিম অঞ্চলে আগামী ৪৮ ঘন্টা পর্যন্ত ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকায় তিস্তা নদীর বন্যা পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে এবং পরবর্তীতে সর্বোচ্চ পানি সমতলের (৫২.৮৪ মি) কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।
তিস্তা পাড়ের মানুষদের দাবি টেকসই মজবুত বেরিবাধ নির্মাণ না করার  ফলে ভোগান্তি আর দুর্ভোগ পানি বাড়ার সাথে সাথে পড়তে হচ্ছে ।তবে অনেকেই নিম্নাঞ্চল থেকে উচুস্থানে আশ্রয় নিচ্ছেন।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব জানান,ভারতের উত্তর সিকিম এ তিস্তা নদীর চুংথাং ড্যাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উজানে তিস্তা নদীর পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিপদসীমার  উপর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড। এরপর ফলে তিস্তা নদীর  নিম্নাঞ্চল,চরাঞ্চলে মানুষকে সতর্ক থাকার জন্য আহবান করছেন।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদপুরে বাবার স্মৃতি বিজড়িত খোদ্দ খাল খননের উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

উত্তরাঞ্চলের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা

প্রকাশিত : ০৮:৫৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০২৩
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী,বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত ভারতীয় সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন (CWC) এর তথ্য,ভারতের উত্তর সিকিম এ তিস্তা নদীর চুংথাং ড্যাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উজানে তিস্তা নদীর পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিপদসীমার  উপর দিয়ে পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড। 
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ভারতের গজলডোবা পয়েন্টে পানি সমতল বিগত মধ্যরাত হতে প্রায় ২৮৫ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়েছে (বর্তমান পানি সমতল ১১০.৩০ মি.) এবং দোমুহুনী পয়েন্টে আজ সকাল  হতে প্রায় ৮২ সে.মি. বৃদ্ধি পেয়েছে (বর্তমান পানি সমতল ৮৫.৯৫ মি.) বৃদ্ধি অব্যাহত আছে।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড আরও বলছেন তিস্তা নদীর পানি সমতল ডালিয়া পয়েন্টে হ্রাস পাচ্ছে।তিস্তা ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টের পানি বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা।
মঙ্গলবার সকালে ডালিয়া পয়েন্টের পানি সমতল ৫১.৩৫ মি. (বিপদসীমার ৮০ সে.মি. নিচে),বৃদ্ধি পেতে পারে এবং মঙ্গলবার  বিকাল নাগাদ বিপসীমা অতিক্রম করে মধ্যরাত পর্যন্ত বিপদসীমার ৫০ সে.মি. উপর পর্যন্ত উঠতে পারে।
তিস্তা নদী কাউনিয়া পয়েন্টের পানি সমতল ২৮.১৫ মি. (বিপদসীমার ৬০ সে.মি. নিচে) যা আগামীকাল বুধবার ভোররাতে বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে।
এর ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারি, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা জেলার তিস্তা নদী তীরবর্তী এলাকাসমূহ প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
ভারতীয় আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভারতের সিকিম অঞ্চলে আগামী ৪৮ ঘন্টা পর্যন্ত ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস থাকায় তিস্তা নদীর বন্যা পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে এবং পরবর্তীতে সর্বোচ্চ পানি সমতলের (৫২.৮৪ মি) কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।
তিস্তা পাড়ের মানুষদের দাবি টেকসই মজবুত বেরিবাধ নির্মাণ না করার  ফলে ভোগান্তি আর দুর্ভোগ পানি বাড়ার সাথে সাথে পড়তে হচ্ছে ।তবে অনেকেই নিম্নাঞ্চল থেকে উচুস্থানে আশ্রয় নিচ্ছেন।
রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব জানান,ভারতের উত্তর সিকিম এ তিস্তা নদীর চুংথাং ড্যাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উজানে তিস্তা নদীর পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিপদসীমার  উপর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড। এরপর ফলে তিস্তা নদীর  নিম্নাঞ্চল,চরাঞ্চলে মানুষকে সতর্ক থাকার জন্য আহবান করছেন।