০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে ডিসি, বাঁধ নির্মানে জলবায়ু ট্রাস্টে পানি উন্নয়ন বোর্ডে প্রজেক্ট প্রপোজাল

নরসিংদীর রায়পুরায় রাক্ষুসে মেঘনার ভয়াল থাবায় প্রতি বছরই ভিটে মাটি হারিয়ে নি:স্ব হয়ে ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে উপজেলার নদী বেষ্টিত বিভিন্ন ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দা। ভাঙ্গন আতঙ্কে এখনো দিন পার করছেন নদী পাড়ের কয়েক শত পরিবার। নদী পাড়ের মানুষদের নিরাপদে রাখতে ভাঙ্গন এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছেন নরসিংদী জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. বদিউল আলম বাদল।
বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে রায়পুরা পান্থশালা ফেরী ঘাট থেকে স্পিডবোট যোগে কয়েকটি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখেন তিনি। পর্যবেক্ষন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, চরসুবুদ্ধি ইউনিয়নে ভাঙ্গন হয়েছে এবং শ্রীনগর ইউনিয়নে চর জাগার কারনে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে। হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে করার জন্য আবেদন করা হয়েছে। রিপোর্ট প্রাপ্তির পর সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টে দুটি প্রকল্প জমা দেওয়া হয়েছে সে গুলো প্রক্রিয়াধীণ রয়েছে। ভাঙ্গন রোধের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড ইতোমধ্যে জলবায়ু ট্রাস্টে প্রজেক্ট প্রপোজাল জমা দিয়েছে বলে জানান তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ মাসুম, রায়পুরা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: শফিকুল ইসলাম, রায়পুরা থানার অফিসার ইনচার্জ আজিজুর রহমান, রায়পুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম নূরউদ্দিন আহমেদ সহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য ও সাংবাদিকবৃন্দ।
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদপুরে বাবার স্মৃতি বিজড়িত খোদ্দ খাল খননের উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে ডিসি, বাঁধ নির্মানে জলবায়ু ট্রাস্টে পানি উন্নয়ন বোর্ডে প্রজেক্ট প্রপোজাল

প্রকাশিত : ০৮:৩৫:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৩
নরসিংদীর রায়পুরায় রাক্ষুসে মেঘনার ভয়াল থাবায় প্রতি বছরই ভিটে মাটি হারিয়ে নি:স্ব হয়ে ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে উপজেলার নদী বেষ্টিত বিভিন্ন ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দা। ভাঙ্গন আতঙ্কে এখনো দিন পার করছেন নদী পাড়ের কয়েক শত পরিবার। নদী পাড়ের মানুষদের নিরাপদে রাখতে ভাঙ্গন এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছেন নরসিংদী জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. বদিউল আলম বাদল।
বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে রায়পুরা পান্থশালা ফেরী ঘাট থেকে স্পিডবোট যোগে কয়েকটি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখেন তিনি। পর্যবেক্ষন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, চরসুবুদ্ধি ইউনিয়নে ভাঙ্গন হয়েছে এবং শ্রীনগর ইউনিয়নে চর জাগার কারনে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে। হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে করার জন্য আবেদন করা হয়েছে। রিপোর্ট প্রাপ্তির পর সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টে দুটি প্রকল্প জমা দেওয়া হয়েছে সে গুলো প্রক্রিয়াধীণ রয়েছে। ভাঙ্গন রোধের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড ইতোমধ্যে জলবায়ু ট্রাস্টে প্রজেক্ট প্রপোজাল জমা দিয়েছে বলে জানান তিনি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ মাসুম, রায়পুরা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: শফিকুল ইসলাম, রায়পুরা থানার অফিসার ইনচার্জ আজিজুর রহমান, রায়পুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম নূরউদ্দিন আহমেদ সহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য ও সাংবাদিকবৃন্দ।