০৬:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শেরপুরে ইজিবাইক চালক হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার-২

শেরপুরে ইজিবাইক চালক শাহ আলম হত্যার ঘটনায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একইসাথে ছিনতাইকৃত ইজিবাইকটিও উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ ৯ অক্টোবর দুপুরে পুলিশ সুপার মোনালিশা বেগম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গতকাল রাতে ঝিনাইগাতীর বালিয়াচন্ডি পশ্চিম পাড়া থেকে খুনের সাথে জড়িত ওই দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে, গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর চান্দনা চৌরাস্তার ইটহাটার শাহজাহান মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়া (৩৯) ও শেরপুরের ঝিনাইগাতীর ছোট মালিঝিকান্দার আঃ রহিমের ছেলে রুপন (২০)।

পুলিশ জানায়, শ্রীবরদী উপজেলার ধাতুয়া গ্রামের জসিম উদ্দিন ফকিরের ছেলে শাহ আলম (৪১) ঢাকায় কাজ করতো। ২০/২৫ দিন আগে সে গ্রামের বাড়িতে চলে আসে। বাড়িতে এসে ১৫দিন আগে কিস্তিতে একটি অটোরিকশা ক্রয় করে কুরুয়া এলাকায় চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলো। সে ৭ অক্টোবর অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আসে। ওইদিন রাত আটটার দিকে গ্রেপ্তারকৃত সবুজ ও রূপন অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে শাহ আলমে অটোতে উঠে কুচনিপাড়া এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গলায় রশি পেচিয়ে খুন করে শাহ আলমের মরদেহ রাস্তার পাশ্বে ধান ক্ষেতে ফেলে অটোরিকশা নিয়ে চলে যায়।

পরে ঝিনাইগাতী থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সবুজ ও রূপনকে গ্রেপ্তার এবং ছিনতাইকৃত অটোরিকশা উদ্ধার করে।
আজ দুপুরে পুলিশ সুপার মোনালিশা বেগম বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

শেরপুরে ইজিবাইক চালক হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার-২

প্রকাশিত : ০৫:০১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০২৩

শেরপুরে ইজিবাইক চালক শাহ আলম হত্যার ঘটনায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একইসাথে ছিনতাইকৃত ইজিবাইকটিও উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ ৯ অক্টোবর দুপুরে পুলিশ সুপার মোনালিশা বেগম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গতকাল রাতে ঝিনাইগাতীর বালিয়াচন্ডি পশ্চিম পাড়া থেকে খুনের সাথে জড়িত ওই দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে, গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর চান্দনা চৌরাস্তার ইটহাটার শাহজাহান মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়া (৩৯) ও শেরপুরের ঝিনাইগাতীর ছোট মালিঝিকান্দার আঃ রহিমের ছেলে রুপন (২০)।

পুলিশ জানায়, শ্রীবরদী উপজেলার ধাতুয়া গ্রামের জসিম উদ্দিন ফকিরের ছেলে শাহ আলম (৪১) ঢাকায় কাজ করতো। ২০/২৫ দিন আগে সে গ্রামের বাড়িতে চলে আসে। বাড়িতে এসে ১৫দিন আগে কিস্তিতে একটি অটোরিকশা ক্রয় করে কুরুয়া এলাকায় চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলো। সে ৭ অক্টোবর অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আসে। ওইদিন রাত আটটার দিকে গ্রেপ্তারকৃত সবুজ ও রূপন অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে শাহ আলমে অটোতে উঠে কুচনিপাড়া এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গলায় রশি পেচিয়ে খুন করে শাহ আলমের মরদেহ রাস্তার পাশ্বে ধান ক্ষেতে ফেলে অটোরিকশা নিয়ে চলে যায়।

পরে ঝিনাইগাতী থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সবুজ ও রূপনকে গ্রেপ্তার এবং ছিনতাইকৃত অটোরিকশা উদ্ধার করে।
আজ দুপুরে পুলিশ সুপার মোনালিশা বেগম বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh