০৬:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বেহাল দশায় সিরাজগঞ্জ সরকারী খামার ১ ডিমের খরচ ৪৫ টাকা!

সিরাজগঞ্জ সরকারি মুরগির খামারটি সমস্যা আর সঙ্কটে স্থবির হয়ে পড়েছে। যার কারণে এক সময়ের লাভজনক প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে সংকটের মুখে পড়েছে।
জানা যায়, খামারে ৯ শ মুরগি রয়েছে, যার জন্য নিয়োজিত রয়েছে ১২ জন কর্মচারী ও কর্মকর্তা । আর এদের বেতন বাবদ সরকার প্রতিমাসে ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা প্রদান করেছেন। খামারে ডিম উৎপাদন হয় ৪শর মতো। মুরগির খাদ্য ও ওষুধ বাবদ প্রায় সরকারের খরচ হয় দেড় লাখ টাকা। এতে দেখা যায়, সরকারের প্রতি ডিম উৎপাদনে খরচ হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। ডিম কম হওয়ায় বাচ্চা উৎপাদন বর্তমানে বন্ধ রয়েছে এক বছর ধরে।

খামারের ২০১১ থেকে ২০১২ অর্থ বছরের তথ্য থেকে জানা যায়, ঐ বছরে খামারে ৫ লাখ ডিম উৎপাদন হয়। আর বাচ্চা উৎপাদন হয় তার প্রায় অর্ধেক।

স্থানীয় খামারী কালাম জানান, সঠিক পরিকল্পনা ও অদক্ষতায় এক সময়ের লাভজনক প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে সংকটের মুখে পড়েছে। এই খামার ঘিরে গড়ে ওঠে ছিল, ছোট বড় অসংখ্য খামার, খামারে ডিম উৎপাদন কমে গেছে, একারণে বাচ্চা উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে , ফলে এই অঞ্চলে বাচ্চা দাম বেড়ে গেছে, খামারি সংখ্যাও কমে গেছে।

আরও জানা যায়, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোলে ১৯৮২ সালে ৩ একর জমি ওপর সরকারি মুরগির প্রজনন ও উন্নয়ন খামারটি গড়ে তোলা হয়। বিপুল সম্ভাবনা থাকলেও দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে খামারটির কার্যক্রম এখন স্থবির হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, খামারটিতে ৮টি শেডে মুরগি রয়েছে। ৪ টি শেড জরাজীর্ণ ভাবে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। বন্ধ রয়েছে ৬৪ হাজার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ৪ টি হ্যাচারী।

সিরাজগঞ্জ মুরগি খামারের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক ডাক্তার হাবিবুর রহমান বলেন, আমি নতুন এসেছি, এক সময়ে এই প্রতিষ্ঠান লাভজনক ছিল। বর্তমানে সিরাজগঞ্জ সরকারি মুরগি খামার নানা সমস্যার মধ্যে রয়েছে।

এ বিষয়ে সরকারি খামারের সহকারী পরিচালক মজিবর রহমান জানান, আমাদের জনবলের অভাবে চাহিদা মাফিক উৎপাদন করতে পারছি না।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

বেহাল দশায় সিরাজগঞ্জ সরকারী খামার ১ ডিমের খরচ ৪৫ টাকা!

প্রকাশিত : ০৯:০৮:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ অক্টোবর ২০২৩

সিরাজগঞ্জ সরকারি মুরগির খামারটি সমস্যা আর সঙ্কটে স্থবির হয়ে পড়েছে। যার কারণে এক সময়ের লাভজনক প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে সংকটের মুখে পড়েছে।
জানা যায়, খামারে ৯ শ মুরগি রয়েছে, যার জন্য নিয়োজিত রয়েছে ১২ জন কর্মচারী ও কর্মকর্তা । আর এদের বেতন বাবদ সরকার প্রতিমাসে ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা প্রদান করেছেন। খামারে ডিম উৎপাদন হয় ৪শর মতো। মুরগির খাদ্য ও ওষুধ বাবদ প্রায় সরকারের খরচ হয় দেড় লাখ টাকা। এতে দেখা যায়, সরকারের প্রতি ডিম উৎপাদনে খরচ হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। ডিম কম হওয়ায় বাচ্চা উৎপাদন বর্তমানে বন্ধ রয়েছে এক বছর ধরে।

খামারের ২০১১ থেকে ২০১২ অর্থ বছরের তথ্য থেকে জানা যায়, ঐ বছরে খামারে ৫ লাখ ডিম উৎপাদন হয়। আর বাচ্চা উৎপাদন হয় তার প্রায় অর্ধেক।

স্থানীয় খামারী কালাম জানান, সঠিক পরিকল্পনা ও অদক্ষতায় এক সময়ের লাভজনক প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে সংকটের মুখে পড়েছে। এই খামার ঘিরে গড়ে ওঠে ছিল, ছোট বড় অসংখ্য খামার, খামারে ডিম উৎপাদন কমে গেছে, একারণে বাচ্চা উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে , ফলে এই অঞ্চলে বাচ্চা দাম বেড়ে গেছে, খামারি সংখ্যাও কমে গেছে।

আরও জানা যায়, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোলে ১৯৮২ সালে ৩ একর জমি ওপর সরকারি মুরগির প্রজনন ও উন্নয়ন খামারটি গড়ে তোলা হয়। বিপুল সম্ভাবনা থাকলেও দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে খামারটির কার্যক্রম এখন স্থবির হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, খামারটিতে ৮টি শেডে মুরগি রয়েছে। ৪ টি শেড জরাজীর্ণ ভাবে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। বন্ধ রয়েছে ৬৪ হাজার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ৪ টি হ্যাচারী।

সিরাজগঞ্জ মুরগি খামারের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক ডাক্তার হাবিবুর রহমান বলেন, আমি নতুন এসেছি, এক সময়ে এই প্রতিষ্ঠান লাভজনক ছিল। বর্তমানে সিরাজগঞ্জ সরকারি মুরগি খামার নানা সমস্যার মধ্যে রয়েছে।

এ বিষয়ে সরকারি খামারের সহকারী পরিচালক মজিবর রহমান জানান, আমাদের জনবলের অভাবে চাহিদা মাফিক উৎপাদন করতে পারছি না।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh