০৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

তালিকাভুক্ত  শীর্ষ  সন্ত্রাস অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

রংপুরে তালিকাভূক্ত শীর্ষ রংপুরে তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ব্লাক রুবেল,মেরিল সুমনসহ ৫ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে মেট্র্রোপলিটন পুলিশ।এসময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র এবং বিপুল পরিমান মাদক উদ্ধার করা হয়।

বুধবার বিকেলে মহানগর পুলিশের কনফারেন্সরুমে প্রেসি ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন।এসময় তিনি বলেন, গোয়েন্দা
তথ্যের ভিত্তিতে গত সোমবার রাতে নগরীর পরশুরাম কোবারু মামা-ভাগ্যনের মোড়ে তল্লাসি চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করেছেন। তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী নওশান হোসেন ওরফে ব্লাক রুবেলসহ তার সহযোগি ফিরোজ হোসেন, শহিদুল ইসলাম,মোতাসিম বিল্লাহ নিয়নকে গ্রেফতার করা হয়।এসময় তাদের কাছ থেকে দেশিয় অস্ত্রসহ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার মধ্যরাতে কামাল কাছনার ইস্টার্ন হাউজিংয়ের তাতীপাড়াগামী সড়কে অভিযান চালিয়ে আহত অবস্থায় তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ১৫ মামলার আসামী রাজিব হোসেন ওরফে মেরিল সুমনকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার হয় বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র এবং ইয়াসা।এসময় তার তিন সহযোগি পালিয়ে যায়।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, মেরিল সুমন এবং ব্লাক রুবেল তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী এবং মোস্ট ওয়াডেন্ট। তারা খুন, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরণের অপরাধের সাথে জড়িত।  মাদকদ্রব্য ও একাধিক অস্ত্রসহ তালিকাভুক্ত ৫ শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।মেট্রোপলিটন পুলিশ কোতয়ালী থানা ও পরশুরাম থানা পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এসময় পাইপগান, দেশীয় অস্ত্র, ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সেই সাথে স্মার্ট ফোন, বাটন ফোন ও সাদা রংয়ের একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়। গ্রেফতার ব্যক্তিদের নামে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক ও অস্ত্রসহ একাধিক অস্ত্র ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী রাজিব হোসেন সুমন সুমন ওরফে মেরিল সুমন ও তার গ্রুপের ১০-১২ জন শীর্ষ সন্ত্রাসী কোন এক অজ্ঞাত এলাকায় ডাকাতির জন্য সশস্ত্র একত্রিত হয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে আরপিএমপি কোতয়ালী থানার ইনচার্জ নেতৃত্বে ১২ জন পুলিশের একটি চৌকস দল
অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পরে রংপুর নগরীর ২৪ নং ওয়াডস্থ কামাল কাছনা তাতিপাড়া ইস্টার্ন হাউজিং রংপুর আল ফালাহ জামে মসজিদের পূর্ব পার্শের শশ্বান সংলগ্ন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।  এসময় বিল্লাহ (২৭), আব্দুল মমিন (৪২) জুনায়েদ হোসেন অনিক (২৫) সাজ্জাদ হোসনে (২) পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও ১৫ টি মামলার অধিক মামলার আসামী তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী  রাজিব হোসেন সুমন সুমন ওরফে মেরিল সুমনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এসময় লোহার তৈরী পুরাতন পিস্তল, ১৬ পিচ ইয়াবা, জব্দ করা হয়। পরবর্তি ঘটনাস্থলের আশেপাশে থেকে লোহার রড, স্টিলের পাইপ, চাপাতি, লাইনলের রশি উদ্ধার করা হয়। সন্ত্রাসী ব্লাক রুবেল,মেরিল সুমনসহ ৫ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে মেট্র্রোপলিটন পুলিশ।এসময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র এবং বিপুল পরিমান মাদক উদ্ধার করা হয়।

বুধবার বিকেলে মহানগর পুলিশের কনফারেন্সরুমে প্রেসি ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন।এসময় তিনি বলেন, গোয়েন্দা
তথ্যের ভিত্তিতে গত সোমবার রাতে নগরীর পরশুরাম কোবারু মামা-ভাগ্যনের মোড়ে তল্লাসি চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করেছেন। তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী নওশান হোসেন ওরফে ব্লাক রুবেলসহ তার সহযোগি ফিরোজ হোসেন, শহিদুল ইসলাম,মোতাসিম বিল্লাহ নিয়নকে গ্রেফতার করা হয়।এসময় তাদের কাছ থেকে দেশিয় অস্ত্রসহ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার মধ্যরাতে কামাল কাছনার ইস্টার্ন হাউজিংয়ের তাতীপাড়াগামী সড়কে অভিযান চালিয়ে আহত অবস্থায় তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ১৫ মামলার আসামী রাজিব হোসেন ওরফে মেরিল সুমনকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার হয় বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র এবং ইয়াসা।এসময় তার তিন সহযোগি পালিয়ে যায়।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, মেরিল সুমন এবং ব্লাক রুবেল তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী এবং মোস্ট ওয়াডেন্ট। তারা খুন, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরণের অপরাধের সাথে জড়িত।  মাদকদ্রব্য ও একাধিক অস্ত্রসহ তালিকাভুক্ত ৫ শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।মেট্রোপলিটন পুলিশ কোতয়ালী থানা ও পরশুরাম থানা পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এসময় পাইপগান, দেশীয় অস্ত্র, ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সেই সাথে স্মার্ট ফোন, বাটন ফোন ও সাদা রংয়ের একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়। গ্রেফতার ব্যক্তিদের নামে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক ও অস্ত্রসহ একাধিক অস্ত্র ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী রাজিব হোসেন সুমন সুমন ওরফে মেরিল সুমন ও তার গ্রুপের ১০-১২ জন শীর্ষ সন্ত্রাসী কোন এক অজ্ঞাত এলাকায় ডাকাতির জন্য সশস্ত্র একত্রিত হয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে আরপিএমপি কোতয়ালী থানার ইনচার্জ নেতৃত্বে ১২ জন পুলিশের একটি চৌকস দল
অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পরে রংপুর নগরীর ২৪ নং ওয়াডস্থ কামাল কাছনা তাতিপাড়া ইস্টার্ন হাউজিং রংপুর আল ফালাহ জামে মসজিদের পূর্ব পার্শের শশ্বান সংলগ্ন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।  এসময় বিল্লাহ (২৭), আব্দুল মমিন (৪২) জুনায়েদ হোসেন অনিক (২৫) সাজ্জাদ হোসনে (২) পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও ১৫ টি মামলার অধিক মামলার আসামী তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী  রাজিব হোসেন সুমন সুমন ওরফে মেরিল সুমনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এসময় লোহার তৈরী পুরাতন পিস্তল, ১৬ পিচ ইয়াবা, জব্দ করা হয়। পরবর্তি ঘটনাস্থলের আশেপাশে থেকে লোহার রড, স্টিলের পাইপ, চাপাতি, লাইনলের রশি উদ্ধার করা হয়।

এদিকে পরশুরাম থানার আওতাধীন এলাকায় ডাকাতির জন্য একটি সাদা প্রাইভেট কার যোগে বের হয়েছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরশুরাম থানার ইনচার্জ রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে ১০ জনের চৌকস পুলিশ চেকপোষ্ট স্থাপন করে। একপর্যায়ে কোবারু এলাকার মামা ভাগিনার মোড়ে চেকপোষ্টকালে ১ টি সাদা রংয়ের প্রাইভেট কার তল্লাসীর জন্য থামালে সে সময় পিছনে থাকা আরো ৩ টি মোটর সাইকেলে থাকা আলম মিয়া ও রঞ্জু মিয়াসহ অজ্ঞাত ৩-৪ জন পালিয়ে যায়। পরে প্রাইভেট কার তল্লাসী কালে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী নওশাদ হোসেন রুবেল অরফে ব্লাক রুবেলকে আটক করা হয়। এসময় একটি পাইপ গান, চাইনিজ কুড়াল, স্টিলের ছোড়া, ৮ পিচ ইয়াবাসহ স্মার্ট ফোন, সুবজ রংয়ের কার্তূজ উদ্ধার করা হয়। পৃথক দুটি অভিযানে গ্রেফতার ব্যক্তিদের কোতয়ালী ও পরশুরাম থানায় অস্ত্র, ডাকাতি, মাদক আইনে মামলা প্রক্রিয়াধিন রয়েছেন। রংপুর মেট্রাপলিটন পুলিশের  উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিদের নামে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক ও অস্ত্রসহ একাধিক অস্ত্র ও মাদকের মামলা রয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে আর কারা কারা এসবের সাতে জড়িত এবং আরো অস্ত্র রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখাসহ অভিযান পরিচালনা করা । সেই সাথে এরকম অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদপুরে বাবার স্মৃতি বিজড়িত খোদ্দ খাল খননের উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

তালিকাভুক্ত  শীর্ষ  সন্ত্রাস অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ০৭:৪৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৩

রংপুরে তালিকাভূক্ত শীর্ষ রংপুরে তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ব্লাক রুবেল,মেরিল সুমনসহ ৫ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে মেট্র্রোপলিটন পুলিশ।এসময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র এবং বিপুল পরিমান মাদক উদ্ধার করা হয়।

বুধবার বিকেলে মহানগর পুলিশের কনফারেন্সরুমে প্রেসি ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন।এসময় তিনি বলেন, গোয়েন্দা
তথ্যের ভিত্তিতে গত সোমবার রাতে নগরীর পরশুরাম কোবারু মামা-ভাগ্যনের মোড়ে তল্লাসি চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করেছেন। তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী নওশান হোসেন ওরফে ব্লাক রুবেলসহ তার সহযোগি ফিরোজ হোসেন, শহিদুল ইসলাম,মোতাসিম বিল্লাহ নিয়নকে গ্রেফতার করা হয়।এসময় তাদের কাছ থেকে দেশিয় অস্ত্রসহ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার মধ্যরাতে কামাল কাছনার ইস্টার্ন হাউজিংয়ের তাতীপাড়াগামী সড়কে অভিযান চালিয়ে আহত অবস্থায় তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ১৫ মামলার আসামী রাজিব হোসেন ওরফে মেরিল সুমনকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার হয় বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র এবং ইয়াসা।এসময় তার তিন সহযোগি পালিয়ে যায়।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, মেরিল সুমন এবং ব্লাক রুবেল তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী এবং মোস্ট ওয়াডেন্ট। তারা খুন, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরণের অপরাধের সাথে জড়িত।  মাদকদ্রব্য ও একাধিক অস্ত্রসহ তালিকাভুক্ত ৫ শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।মেট্রোপলিটন পুলিশ কোতয়ালী থানা ও পরশুরাম থানা পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এসময় পাইপগান, দেশীয় অস্ত্র, ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সেই সাথে স্মার্ট ফোন, বাটন ফোন ও সাদা রংয়ের একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়। গ্রেফতার ব্যক্তিদের নামে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক ও অস্ত্রসহ একাধিক অস্ত্র ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী রাজিব হোসেন সুমন সুমন ওরফে মেরিল সুমন ও তার গ্রুপের ১০-১২ জন শীর্ষ সন্ত্রাসী কোন এক অজ্ঞাত এলাকায় ডাকাতির জন্য সশস্ত্র একত্রিত হয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে আরপিএমপি কোতয়ালী থানার ইনচার্জ নেতৃত্বে ১২ জন পুলিশের একটি চৌকস দল
অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পরে রংপুর নগরীর ২৪ নং ওয়াডস্থ কামাল কাছনা তাতিপাড়া ইস্টার্ন হাউজিং রংপুর আল ফালাহ জামে মসজিদের পূর্ব পার্শের শশ্বান সংলগ্ন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।  এসময় বিল্লাহ (২৭), আব্দুল মমিন (৪২) জুনায়েদ হোসেন অনিক (২৫) সাজ্জাদ হোসনে (২) পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও ১৫ টি মামলার অধিক মামলার আসামী তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী  রাজিব হোসেন সুমন সুমন ওরফে মেরিল সুমনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এসময় লোহার তৈরী পুরাতন পিস্তল, ১৬ পিচ ইয়াবা, জব্দ করা হয়। পরবর্তি ঘটনাস্থলের আশেপাশে থেকে লোহার রড, স্টিলের পাইপ, চাপাতি, লাইনলের রশি উদ্ধার করা হয়। সন্ত্রাসী ব্লাক রুবেল,মেরিল সুমনসহ ৫ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে মেট্র্রোপলিটন পুলিশ।এসময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র এবং বিপুল পরিমান মাদক উদ্ধার করা হয়।

বুধবার বিকেলে মহানগর পুলিশের কনফারেন্সরুমে প্রেসি ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন।এসময় তিনি বলেন, গোয়েন্দা
তথ্যের ভিত্তিতে গত সোমবার রাতে নগরীর পরশুরাম কোবারু মামা-ভাগ্যনের মোড়ে তল্লাসি চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করেছেন। তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী নওশান হোসেন ওরফে ব্লাক রুবেলসহ তার সহযোগি ফিরোজ হোসেন, শহিদুল ইসলাম,মোতাসিম বিল্লাহ নিয়নকে গ্রেফতার করা হয়।এসময় তাদের কাছ থেকে দেশিয় অস্ত্রসহ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার মধ্যরাতে কামাল কাছনার ইস্টার্ন হাউজিংয়ের তাতীপাড়াগামী সড়কে অভিযান চালিয়ে আহত অবস্থায় তালিকাভূক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ১৫ মামলার আসামী রাজিব হোসেন ওরফে মেরিল সুমনকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার হয় বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র এবং ইয়াসা।এসময় তার তিন সহযোগি পালিয়ে যায়।

পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, মেরিল সুমন এবং ব্লাক রুবেল তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসী এবং মোস্ট ওয়াডেন্ট। তারা খুন, ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরণের অপরাধের সাথে জড়িত।  মাদকদ্রব্য ও একাধিক অস্ত্রসহ তালিকাভুক্ত ৫ শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ।মেট্রোপলিটন পুলিশ কোতয়ালী থানা ও পরশুরাম থানা পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এসময় পাইপগান, দেশীয় অস্ত্র, ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সেই সাথে স্মার্ট ফোন, বাটন ফোন ও সাদা রংয়ের একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়। গ্রেফতার ব্যক্তিদের নামে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক ও অস্ত্রসহ একাধিক অস্ত্র ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী রাজিব হোসেন সুমন সুমন ওরফে মেরিল সুমন ও তার গ্রুপের ১০-১২ জন শীর্ষ সন্ত্রাসী কোন এক অজ্ঞাত এলাকায় ডাকাতির জন্য সশস্ত্র একত্রিত হয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে আরপিএমপি কোতয়ালী থানার ইনচার্জ নেতৃত্বে ১২ জন পুলিশের একটি চৌকস দল
অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পরে রংপুর নগরীর ২৪ নং ওয়াডস্থ কামাল কাছনা তাতিপাড়া ইস্টার্ন হাউজিং রংপুর আল ফালাহ জামে মসজিদের পূর্ব পার্শের শশ্বান সংলগ্ন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।  এসময় বিল্লাহ (২৭), আব্দুল মমিন (৪২) জুনায়েদ হোসেন অনিক (২৫) সাজ্জাদ হোসনে (২) পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও ১৫ টি মামলার অধিক মামলার আসামী তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী  রাজিব হোসেন সুমন সুমন ওরফে মেরিল সুমনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এসময় লোহার তৈরী পুরাতন পিস্তল, ১৬ পিচ ইয়াবা, জব্দ করা হয়। পরবর্তি ঘটনাস্থলের আশেপাশে থেকে লোহার রড, স্টিলের পাইপ, চাপাতি, লাইনলের রশি উদ্ধার করা হয়।

এদিকে পরশুরাম থানার আওতাধীন এলাকায় ডাকাতির জন্য একটি সাদা প্রাইভেট কার যোগে বের হয়েছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরশুরাম থানার ইনচার্জ রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে ১০ জনের চৌকস পুলিশ চেকপোষ্ট স্থাপন করে। একপর্যায়ে কোবারু এলাকার মামা ভাগিনার মোড়ে চেকপোষ্টকালে ১ টি সাদা রংয়ের প্রাইভেট কার তল্লাসীর জন্য থামালে সে সময় পিছনে থাকা আরো ৩ টি মোটর সাইকেলে থাকা আলম মিয়া ও রঞ্জু মিয়াসহ অজ্ঞাত ৩-৪ জন পালিয়ে যায়। পরে প্রাইভেট কার তল্লাসী কালে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী নওশাদ হোসেন রুবেল অরফে ব্লাক রুবেলকে আটক করা হয়। এসময় একটি পাইপ গান, চাইনিজ কুড়াল, স্টিলের ছোড়া, ৮ পিচ ইয়াবাসহ স্মার্ট ফোন, সুবজ রংয়ের কার্তূজ উদ্ধার করা হয়। পৃথক দুটি অভিযানে গ্রেফতার ব্যক্তিদের কোতয়ালী ও পরশুরাম থানায় অস্ত্র, ডাকাতি, মাদক আইনে মামলা প্রক্রিয়াধিন রয়েছেন। রংপুর মেট্রাপলিটন পুলিশের  উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিদের নামে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক ও অস্ত্রসহ একাধিক অস্ত্র ও মাদকের মামলা রয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে আর কারা কারা এসবের সাতে জড়িত এবং আরো অস্ত্র রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখাসহ অভিযান পরিচালনা করা । সেই সাথে এরকম অভিযান অব্যাহত থাকবে।