শুরুতেই উইকেট হারিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। কিন্তু দ্বিতীয় উইকেটে ডেভন কনওয়ে আর কেন উইলিয়ামসন মিলে গড়ে ফেলেন ৮০ রানের জুটি। অবশেষে এই জুটিটি ভাঙলেন সাকিব আল হাসান।
কনওয়েকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন টাইগার অধিনায়ক। ৪৫ রানে সাজঘরে ফিরেছেন কিউই ওপেনার। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ২১ ওভার শেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১০০ রান। উইলিয়ামসন ৩১ আর ড্যারেল মিচেল ৭ রানে অপরাজিত আছেন।
নিউজিল্যান্ডের লক্ষ্য খুব বড় নয়, ২৪৬ রানের। বাংলাদেশের বোলারদের তাই দারুণ কিছু করতে হবে। শুরুটা কিন্তু ভালোই ছিল টাইগারদের।
ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই আঘাত হানেন মোস্তাফিজুর রহমান। কাটার মাস্টারের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রাচিন রাবিন্দ্র (১৩ বলে ৯)। ১২ রানে প্রথম উইকেট হারায় কিউইরা। কিন্তু এরপর দলকে অনেকটা এগিয়ে দেন কনওয়ে আর উইলিয়ামসন।
এর আগে তিন সিনিয়র ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম আর মাহমুদউল্লাহর ব্যাটে চড়ে কিউইদের বিপক্ষে সম্মানজনক পুঁজি পায় বাংলাদেশ, ৯ উইকেটে তোলে ২৪৫ রান।
চেন্নাইয়ে টস জিতে প্রথমে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। বরাবরের মতো শুরুতেই ধাক্কা। ট্রেন্ট বোল্টের বলে ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন লিটন। আগের ম্যাচে হাফসেঞ্চুরির পর এবার গোল্ডেন ডাকে (১ বলে ০) সাজঘরে টাইগার ওপেনার।
তরুণ তানজিদ হাসান তামিমও বড় মঞ্চে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারছেন না। আজ সেট হয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি। লুকি ফার্গুসনের বলে স্কয়ার লেগে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তামিম (১৭ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ১৬)।
মেহেদী হাসান মিরাজ তিন নম্বরে নেমে বেশ রানের গতি সচল করেছিলেন। কিন্তু ব্যক্তিগত ৩০ রানে তিনিও ভুল করে বসেন। ফার্গুসনকে পুল করতে গিয়ে ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই অলরাউন্ডার। ৪৬ বলের ইনিংসে তিনি হাঁকান ৪টি বাউন্ডারি।
এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত আউট হয়েছেন সহজ এক বলে। গ্লেন ফিলিপস নিজেও হয়তো আশা করেননি এমন বলে উইকেট পেয়ে যাবেন। আলতো করে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে পথে হাঁটেন শান্ত (৮ বলে ৭)।
১৩ ওভার না যেতেই ৫৬ রানেই নেই ৪ উইকেট। সেই ব্যাটিং বিপর্যয়, সেই পুরোনো চেহারায় বাংলাদেশ। দলের এই বিপর্যয়ের মুখে হাল ধরেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার সাকিব আল হাসান আর মুশফিকুর রহিম। ২১ ওভারে দলীয় সংগ্রহ ১০০ ছোঁয় টাইগাররা।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ
























