০২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

ভারত ও নেপাল মোংলা-খুলনা রেলপথ দিয়ে মোংলা বন্দরে যেতে পারবে

রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, মোংলা সমুদ্র বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য মোংলা-খুলনা রেলপথ নির্মাণ করা হয়েছে। রেল যোগাযোগ স্থাপনের ফলে এ বন্দরের সক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে গেছে। এতে প্রতিবেশী দেশ ভারত, নেপাল ও ভুটান এ রেলপথ দিয়ে সহজেই মোংলা বন্দর ব্যবহার করতে পারবে।

আজ শনিবার বিকেলে এ রেলপথ পরিদর্শন শেষে মোংলা বন্দর রেল স্টেশনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আগে সড়ক ও নদী পথে এ বন্দরের পণ্য পরিবহণ হতো। রেলপথে পণ্য পরিবহণে খরচ কম। এর সুবিধা পণ্যের ওপর যোগ হবে। ফলে এর সুফল জনগণই পাবেন।তিনি আরো বলেন, এ রেলপথের রূপসার ওপারের দুই থেকে আড়াই কিলোমিটারের কিছু অংশ লিংকেজ সম্পন্ন হয়নি। এক সপ্তাহের মধ্যে এ লিংকেজ সম্পন্ন হয়ে গেলে রেলপথটি পুরোপুরি চলাচলের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে। এ ছাড়া ২/৩টি ব্রিজে ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। ইতিমধ্যে তা সংস্কার করা হয়েছে।এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রেলপথ প্রকল্প পরিচালক, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা
ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভারত ও নেপাল মোংলা-খুলনা রেলপথ দিয়ে মোংলা বন্দরে যেতে পারবে

প্রকাশিত : ০৭:৫৭:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৩
রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, মোংলা সমুদ্র বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য মোংলা-খুলনা রেলপথ নির্মাণ করা হয়েছে। রেল যোগাযোগ স্থাপনের ফলে এ বন্দরের সক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে গেছে। এতে প্রতিবেশী দেশ ভারত, নেপাল ও ভুটান এ রেলপথ দিয়ে সহজেই মোংলা বন্দর ব্যবহার করতে পারবে।

আজ শনিবার বিকেলে এ রেলপথ পরিদর্শন শেষে মোংলা বন্দর রেল স্টেশনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আগে সড়ক ও নদী পথে এ বন্দরের পণ্য পরিবহণ হতো। রেলপথে পণ্য পরিবহণে খরচ কম। এর সুবিধা পণ্যের ওপর যোগ হবে। ফলে এর সুফল জনগণই পাবেন।তিনি আরো বলেন, এ রেলপথের রূপসার ওপারের দুই থেকে আড়াই কিলোমিটারের কিছু অংশ লিংকেজ সম্পন্ন হয়নি। এক সপ্তাহের মধ্যে এ লিংকেজ সম্পন্ন হয়ে গেলে রেলপথটি পুরোপুরি চলাচলের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে। এ ছাড়া ২/৩টি ব্রিজে ত্রুটি দেখা দিয়েছিল। ইতিমধ্যে তা সংস্কার করা হয়েছে।এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রেলপথ প্রকল্প পরিচালক, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা