রাজধানীর কাকরাইল মোড়ে সংঘর্ষের কারণে নয়া পল্টনে বিএনপির সমাবেশ পণ্ড হয়ে যাওয়ার পর আগামীকাল রবিবার সারাদেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে দলটি। সারাদিন রাজপথে সহিংসতা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে বিএনপি। দীর্ঘদিন হরতাল-অবরোধের মতো সহিংস কর্মসূচি থেকে বিরত থাকলেও আবারও সেই একই পথে ফিরল দলটি।
আজ শনিবার মহাসমাবেশের মধ্যেই এ ঘোষণা দেন দলের শীর্ষ নেতারা। বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নয়াপল্টনে শান্তিপূর্ণ মহাসমাবেশে পুলিশের হামলার প্রতিবাদে এ হরতাল দিয়েছেন তারা।
পছন্দের ভেন্যু নয়াপল্টনেই আজ সমাবেশের অনুমতি পেয়েছিল বিএনপি। দলটির ঘোষণা ছিল, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ পালন করবে। এদিন লোক সমাগম হওয়ার কথা ছিল দুপুর দুইটা থেকে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সমাবেশস্থলে আসেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কাকরাইল মোড়ে তারা গাড়ি ভাঙচুর শুরু করেন। তখন বাস, পিকআপসহ বেশ কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর চালান নেতাকর্মীরা। এতে কাকরাইল এলাকা পরিণত হয় রণক্ষেত্রে। ব্যাপক ভাঙচুর ও আগুন জ্বালানোর ঘটনা ঘটে। আগুন দেওয়া হয় পুলিশ বক্সে। এমনকি প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা চালায় বিএনপি নেতাকর্মীরা।
এদিকে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষ চলাকালে এক পুলিশ সদস্য নিহতসহ ৪০ সদস্য আহত হন। অপরদিকে, সংঘর্ষের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আহত হন অন্তত ৯ সাংবাদিক। তাদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। আগুন দেওয়া হয় সাংবাদিকদের কয়েকটি মোটরসাইকেলেও।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে-পরে হরতাল-অবরোধের মতো কর্মসূচি দিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা চালিয়েছিল বিএনপি। কিন্তু তাদের সেই আন্দোলন সফল হয়নি।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ


























