স্কয়ার আবাসিক হোটেলের স্বত্বাধিকারী নিয়াজ আহম্মেদ বলেন, পর্যটনের মৌসুম হবার শর্তেও দেশের বর্তমান অস্তিরতার কারণে একদম পর্যটন শূর্ণ রাঙ্গামাটি। পর্যটক নেই বল্লেই চলে, শুক্রবার-শনিবার বন্ধের দিনের কেউ আসছে না ঝুঁকি মনে করে। আমাকের বিদ্যুতের খরচ তুলতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বাকি স্টাফ বেতন, ব্যাংকের কিস্তি তো পরিশোধ করা তো দূরের কথা।
হাউজ বোর্ট ওনার এসোসিয়েশন সভাপতি বাপ্পি তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, দেশের রাজনৈতিক অস্তিরতার মূল ভুক্তভোগী পর্যটন ব্যবসায়ীরা। মানুষ নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ঘর থেকে বের হচ্ছে না। এছাড়া দেশের রাজনৈতিক প্রভাব পড়েছে অর্থনীতিতে। মানুষের যদি পকেটে টাকা থাকে এবং স্বাচ্ছন্দ্য ভাবে চলতে পারে তবেই তারা ঘুরাঘুরি করার জন্য বের হয়। কিন্তু এখন তো মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থাও খারাপ। যার কারণে পর্যটনের ভরা মৌসুমেও ভাটা পড়েছে।
টুরিস্ট বোর্ট ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি রমজান আলী বলেন, আমাদের পর্যটন ব্যবসা হয় বছরে শেষের শীতের এ তিনমাস। এছাড়া দুই ঈদের সময়। কিন্তু এখন পর্যটনের মৌসুম হবার শর্তেও দেশের অস্তিরতার কারণে পর্যটক আসছে না। তাই বোর্ট ঘাটে সারিসারি ভাবে টুরিস্ট বোর্ট বেঁধে রাখা হয়েছে। মানবেতর দিনপাত করছে বোর্ট চালকরা। কারণ বোর্ট না চল্লে তো তাদের খাবার জুটে না। এতে করে অনেক বোর্ট চালক ভিন্ন কাজে যুক্ত হয়ে পড়ছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের পরে দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আশা করা যায় পর্যটক আসবে এবং ব্যবসা আবারও চাঙ্গা হবে।
রাঙ্গামাটি পর্যটন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপক অলোক বিকাশ চাকমা বলেন, পর্যটক নেই বল্লেই চলে। আমাদের পর্যটন কমপ্লেক্সে বিভিন্ন এনজিও প্রোগ্রাম চলতেছে আর অল্পস্বল্প কিছু পর্যটন ও বিদেশিরা আসতেছে। তবে তুলনামূলক একদমই দম।
বিজনেস বাংলাদেশ/একে




















