১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

পশুর নদীতে ডুবে যাওয়া জাহাজ থেকে কয়লা অপসারণ শুরু

বাগেরহাটের মোংলার পশুর নদীতে ৮০০ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে ডুবে যাওয়া লাইটার জাহাজ ‌‘এমভি প্রিন্স অব ঘষিয়াখালি-১’ থেকে কয়লা অপসারণ শুরু হয়েছে।

শনিবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে জাহাজটির মালিকপক্ষ কয়লা অপসারণের কাজ শুরু করেন। কয়লা অপসারণ শেষে ৪-৫ দিনের ভেতর জাহাজটি উদ্ধার সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে মালিক মো. বশির আহম্মেদ।

বশির আহমেদ বলেন, ডুবে যাওয়া লাইটার জাহাজের কয়লা অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। কয়লা অপসারণের জন্য ‘ফারহা’ নামের একটি ট্রাকবোট ও অপসারণ করা কয়লা রাখার জন্য ‘মা বুশরা’ নামের একটি নৌযান ব্যবহার করা হচ্ছে। আমরা দুপুর থেকে কয়লা অপসারণের কাজ শুরু করেছি। কয়লা অপসরণ শেষ হলে জাহাজটি উদ্ধার কাজ শুরু করা হবে। আশা করছি ৪-৫ দিনের মধ্যে জাহাজটি উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

এর আগে, গতকাল শুক্রবার মোংলা বন্দরে অবস্থানরত একটি বিদেশি বানিজ্যিক জাহাজ থেকে ৮০০ মেট্রিক টন কয়লা বোঝাই করে যশোরের নোয়াপাড়া যাওয়ার সময় পশুর নদীর কানাইনগর এলাকায় তলা ফেটে  ডুবে যায় ‘এমভি প্রিন্স অব ঘষিয়াখালী-১’ জাহাজটি।

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

পশুর নদীতে ডুবে যাওয়া জাহাজ থেকে কয়লা অপসারণ শুরু

প্রকাশিত : ০৪:২৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৩

বাগেরহাটের মোংলার পশুর নদীতে ৮০০ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে ডুবে যাওয়া লাইটার জাহাজ ‌‘এমভি প্রিন্স অব ঘষিয়াখালি-১’ থেকে কয়লা অপসারণ শুরু হয়েছে।

শনিবার (১৮ নভেম্বর) দুপুরে জাহাজটির মালিকপক্ষ কয়লা অপসারণের কাজ শুরু করেন। কয়লা অপসারণ শেষে ৪-৫ দিনের ভেতর জাহাজটি উদ্ধার সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে মালিক মো. বশির আহম্মেদ।

বশির আহমেদ বলেন, ডুবে যাওয়া লাইটার জাহাজের কয়লা অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। কয়লা অপসারণের জন্য ‘ফারহা’ নামের একটি ট্রাকবোট ও অপসারণ করা কয়লা রাখার জন্য ‘মা বুশরা’ নামের একটি নৌযান ব্যবহার করা হচ্ছে। আমরা দুপুর থেকে কয়লা অপসারণের কাজ শুরু করেছি। কয়লা অপসরণ শেষ হলে জাহাজটি উদ্ধার কাজ শুরু করা হবে। আশা করছি ৪-৫ দিনের মধ্যে জাহাজটি উদ্ধার করা সম্ভব হবে।

এর আগে, গতকাল শুক্রবার মোংলা বন্দরে অবস্থানরত একটি বিদেশি বানিজ্যিক জাহাজ থেকে ৮০০ মেট্রিক টন কয়লা বোঝাই করে যশোরের নোয়াপাড়া যাওয়ার সময় পশুর নদীর কানাইনগর এলাকায় তলা ফেটে  ডুবে যায় ‘এমভি প্রিন্স অব ঘষিয়াখালী-১’ জাহাজটি।