প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের জীবন-মানে পরিবর্তন দেখা গেছে নওগাঁয়।
সরজমিনে নওগাঁ সদর উপজেলার বর্ষাইল ইউনিয়নের ঝিকড়া কেশবপুর এলাকার আশ্রয়ন প্রকল্পে গিয়ে দেখা যায়, সময়ের সঙ্গে এখন বদলেছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের যাপিত জীবনের।
তারা এখন বসবাস করছে রঙিন টিন আর পাকা দেয়ালের আধপাকা বাড়িতে। সেই বাড়িতেই করছে শাক-সবজির আবাদ। কেউ করছে হাঁস-মুরগি-ছাগল-গরু পালন। সন্তানদের পাঠাচ্ছে স্কুলে। বসতির দুশ্চিন্তা ছেড়ে নিশ্চিন্ত মনে কাজ করে এগিয়ে নিচ্ছে সংসার। সংসারে এসেছে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা।
নওগাঁ সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার এস এম রবিন শীষ বলেন, আমরা নিয়মিত তাদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। অনেকের একাডেমিক শিক্ষা না থাকলেও নানা প্রশিক্ষণে তারা হয়ে উঠছেন স্বশিক্ষিত। আমরা নিয়মিত তদারকি করছি যাতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা স্বাবলম্বী হতে পারে।
তিনি আরো জানান নওগাঁ সদর উপজেলায় ৪৬০ ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ভূমি ও গৃহ প্রদান করা হয়েছে। কিছু কাজ চলমান রয়েছে। আমরা ঝিকড়া কেশবপুর এলাকার আশ্রয়ন প্রকল্পে ৬৮ পরিবারকে জায়গা দিতে পেরেছি। যেখানে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা বসবাস করছে।
আশ্রয়ন প্রকল্পে আশ্রয় পাওয়া কয়েকজন বলেন, ‘কিছুদিন আগেও ভাবিনি নিজের ভালো একটা বসবাসের ঠিকানা হবে, এখন সেটি হয়েছে, বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে পারছি, নিজের হাঁস-মুরগি পালনসহ নানা কাজ করার সুযোগ পেয়েছি, সত্যই এটা স্বপ্নের। এমনটি হবে ভাবিনি, সৃষ্টিকর্তার কাছে হাসিনার জন্য দোয়া করি।
নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোঃ গোলাম মওলা বলেন, ‘এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন করেছি। নওগাঁয় আমরা আশ্রয়ণ প্রকল্প সংলগ্ন বেশ কয়েকটি স্থানে শিশুদের খেলার মাঠ, স্কুল, মসজিদ, মন্দির তৈরি করে দিয়েছি। এই প্রকল্পের বাসিন্দাদের সচ্ছলতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ এবং ঋণেরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’




















