০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

পাবনা ৫ আসন জনতার প্রিন্সেই আস্থা শেখ হাসিনার

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে পাবনা সদর আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স।

রবিবার বিকেলে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এ নিয়ে টানা ৪র্থ বারের মতো পাবনা সদরে মনোনয়ন পেলেন গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি। গোলাম ফারুক প্রিন্স মনোনয়ন পাওয়ায় পাবনায় আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছাস ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। তারা দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স ১৯৬৯ সালের ১৪ জানুয়ারি পাবনা শহরের কৃষ্ণপুর মহল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের দুর্দিনের সভাপতি বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর প্রয়াত আবু তালেব খন্দকারের বড় ছেলে। গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স পাবনার লাইব্রেরি বাজারস্থ পিটিআই স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি গোপালচন্দ্র ইনস্টিটিউশন, পাবনা থেকে ১৯৮৩ সালে এসএসসি এবং সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা থেকে ১৯৮৫ সালে এইচএসসি পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে ১৯৯০ সালে স্নাতক এবং ১৯৯২ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি, ঢাকা থেকে ২০০৭ সালে তিনি এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৮১ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে তিনি ঢাকায় আসেন এবং সক্রিয় রাজনৈতিক জীবনের সূচনা করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। তিনি ১৯৯০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৪ সালে তিনি পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৭ সালে তিনি পাবনা জেলা যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের পর বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় থাকাকালীন অপারেশন ক্লিনহার্টে তাকে নির্মম নির্যাতন করা হয়। মৃত্যুমুখ থেকে কোনমতে ফিরে আসেন তিনি। ২০০৫ সালে তিনি পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৫ (সদর) আসন থেকে নির্বাচনের জন্য তাকে মনোনয়ন দেন এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দলের মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে পাবনা-৫ আসনে পুনরায় নির্বাচিত হন।

পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের উপ দপ্তর সম্পাদক সাবিত ফয়সাল রিজভী বলেন, অশান্ত জনপদে শান্তির পতাকা উত্তোলনকারী জননেতা গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স ঠিক একজন। যিনি ছাত্র রাজনীতি যুব রাজনীতির বিভিন্ন পথ পেরিয়ে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করেছেন। অপরদিকে যার পিতা এদেশের মহান স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময়ে রাজনৈতিক বর্ণাঢ্যতার ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন। একদিকে নিজের যোগ্যতা অন্যদিকে পিতার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক অতীত। এই দুটির সংমিশ্রণ রাজনৈতিকভাবে জননেতা গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্সকে করেছে অপ্রতিরোধ্য। বিগত ১৫ বছরে যিনি একটি অশান্ত জনপদকে, রক্তাক্ত জনপদকে শান্তির জনপদে পরিণত করেছেন।

পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় ভূষণ রায় বলেন, যাদের কোন অর্জন নেই তারা পিছে কথা বলবেই, কিন্তু কর্মগুণে গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স সাধারণের হৃদয়ের মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছিলেন বলেই পরপর চারবার বঙ্গবন্ধু তনয়া তার হাতে নৌকার বৈঠা তুলে দিয়েছেন। গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্সের সবচেয়ে বড় গুণ, তিনি তার চিরশত্রুকেও কখনো আঘাত করার নীতিতে বিশ্বাস করেন না। তিনি প্রতিহিংসা নয় প্রতিযোগিতাকে বরাবরে সাদরে গ্রহন করেন। জননেত্রী শেখ হাসিনা তার এসব গুণ সম্পর্কে জেনেই তার প্রতি আস্থা রেখেছেন।

মনোনয়ন প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায়, গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স এমপি বলেন, আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় আমি শেখ হাসিনার কর্মী। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার মতো একজন ক্ষুদ্র কর্মীর উপর আবারো আস্থা রেখেছেন্। তাকে কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। আমি এই আস্থা ধরে রেখেই বাকি জীবন চলতে চাই। দলের সকল নেতাকর্মীকে নিয়ে আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে বিজয়ী করে তাকে আবারো প্রধানমন্ত্রী করে বাংলাদেশকে উন্নত বাংলাদেশ গড়াই এখন আমাদের অঙ্গীকার। আমি পাবনাবাসী ও আওয়ামীলীগের সকল নেতাকর্মীকে কৃতজ্ঞতা জানাই। নতুন প্রজন্মের জন্য একটি শান্তিময়, সমৃদ্ধ, বাসযোগ্য ও স্মার্ট পাবনা বিনির্মাণই এখন আমাদের লক্ষ্য।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

পাবনা ৫ আসন জনতার প্রিন্সেই আস্থা শেখ হাসিনার

প্রকাশিত : ১১:১৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৩

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে পাবনা সদর আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স।

রবিবার বিকেলে আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এ নিয়ে টানা ৪র্থ বারের মতো পাবনা সদরে মনোনয়ন পেলেন গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি। গোলাম ফারুক প্রিন্স মনোনয়ন পাওয়ায় পাবনায় আওয়ামীলীগের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছাস ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। তারা দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স ১৯৬৯ সালের ১৪ জানুয়ারি পাবনা শহরের কৃষ্ণপুর মহল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের দুর্দিনের সভাপতি বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর প্রয়াত আবু তালেব খন্দকারের বড় ছেলে। গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স পাবনার লাইব্রেরি বাজারস্থ পিটিআই স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি গোপালচন্দ্র ইনস্টিটিউশন, পাবনা থেকে ১৯৮৩ সালে এসএসসি এবং সরকারি এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা থেকে ১৯৮৫ সালে এইচএসসি পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে ১৯৯০ সালে স্নাতক এবং ১৯৯২ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি, ঢাকা থেকে ২০০৭ সালে তিনি এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৮১ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে তিনি ঢাকায় আসেন এবং সক্রিয় রাজনৈতিক জীবনের সূচনা করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। তিনি ১৯৯০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৪ সালে তিনি পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৭ সালে তিনি পাবনা জেলা যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের পর বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় থাকাকালীন অপারেশন ক্লিনহার্টে তাকে নির্মম নির্যাতন করা হয়। মৃত্যুমুখ থেকে কোনমতে ফিরে আসেন তিনি। ২০০৫ সালে তিনি পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৫ (সদর) আসন থেকে নির্বাচনের জন্য তাকে মনোনয়ন দেন এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দলের মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে পাবনা-৫ আসনে পুনরায় নির্বাচিত হন।

পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের উপ দপ্তর সম্পাদক সাবিত ফয়সাল রিজভী বলেন, অশান্ত জনপদে শান্তির পতাকা উত্তোলনকারী জননেতা গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স ঠিক একজন। যিনি ছাত্র রাজনীতি যুব রাজনীতির বিভিন্ন পথ পেরিয়ে নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করেছেন। অপরদিকে যার পিতা এদেশের মহান স্বাধীনতার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময়ে রাজনৈতিক বর্ণাঢ্যতার ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন। একদিকে নিজের যোগ্যতা অন্যদিকে পিতার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক অতীত। এই দুটির সংমিশ্রণ রাজনৈতিকভাবে জননেতা গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্সকে করেছে অপ্রতিরোধ্য। বিগত ১৫ বছরে যিনি একটি অশান্ত জনপদকে, রক্তাক্ত জনপদকে শান্তির জনপদে পরিণত করেছেন।

পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় ভূষণ রায় বলেন, যাদের কোন অর্জন নেই তারা পিছে কথা বলবেই, কিন্তু কর্মগুণে গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স সাধারণের হৃদয়ের মনিকোঠায় স্থান করে নিয়েছিলেন বলেই পরপর চারবার বঙ্গবন্ধু তনয়া তার হাতে নৌকার বৈঠা তুলে দিয়েছেন। গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্সের সবচেয়ে বড় গুণ, তিনি তার চিরশত্রুকেও কখনো আঘাত করার নীতিতে বিশ্বাস করেন না। তিনি প্রতিহিংসা নয় প্রতিযোগিতাকে বরাবরে সাদরে গ্রহন করেন। জননেত্রী শেখ হাসিনা তার এসব গুণ সম্পর্কে জেনেই তার প্রতি আস্থা রেখেছেন।

মনোনয়ন প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায়, গোলাম ফারুক খন্দকার প্রিন্স এমপি বলেন, আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় আমি শেখ হাসিনার কর্মী। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার মতো একজন ক্ষুদ্র কর্মীর উপর আবারো আস্থা রেখেছেন্। তাকে কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। আমি এই আস্থা ধরে রেখেই বাকি জীবন চলতে চাই। দলের সকল নেতাকর্মীকে নিয়ে আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে বিজয়ী করে তাকে আবারো প্রধানমন্ত্রী করে বাংলাদেশকে উন্নত বাংলাদেশ গড়াই এখন আমাদের অঙ্গীকার। আমি পাবনাবাসী ও আওয়ামীলীগের সকল নেতাকর্মীকে কৃতজ্ঞতা জানাই। নতুন প্রজন্মের জন্য একটি শান্তিময়, সমৃদ্ধ, বাসযোগ্য ও স্মার্ট পাবনা বিনির্মাণই এখন আমাদের লক্ষ্য।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে