নরসিংদী -৫, রায়পুরায় ৭তম বারের মতো এমপি হয়ে ইতিহাস গড়তে চান সাবেক মন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু। তিনি নরসিংদী-৫ রায়পুরা আসনের সংসদ সদস্য। এছাড়াও ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং পরে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি জগন্নাথ কলেজ (বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়) এর দুই বার এর ভিপি ছিলেন এবং ৬ দফা আন্দোলন এর অগ্রনায়ক ছিলেন। ৭০ এর সাধারণ পরিষদ নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন।
রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজুর জন্ম ৯ ডিসেম্বর ১৯৪৪ (বয়স ৮১), নরসিংদী জেলা, ব্রিটিশ ভারত (বর্তমান বাংলাদেশ) নাগরিকত্ব ব্রিটিশ ভারত (১৯৪৭ সাল পর্যন্ত) পাকিস্তান (১৯৭১ সালের পূর্বে) বাংলাদেশ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জন্ম ও শিক্ষাজীবনে রাজিউদ্দিন আহমেদের পৈতৃক বাড়ি নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার আদিয়াবাদ দক্ষিণপাড়া এলাকায়। তিনি স্নাতক পাশ করেছেন।
কর্মজীবন পেশায় ব্যবসায়ী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছেন। তিনি ষষ্ঠবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। টার্গেট লাকি সেভেন।
নরসিংদী-৫ ( রায়পুরা) আসনে আওমীলীগ মনোনীত নৌকা প্রার্থী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু। রবিবার (২৬নভেম্বর) আওয়ামিলীগ কার্যালয় থেকে প্রকাশিত দলীয় প্রার্থী তালিকায় বর্তমান সংসদ সদস্য রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু’র নাম প্রকাশ করা হয়েছে। এ নিয়ে সপ্তম বারের মত এমপি হওয়ার পথে “রায়পুরার রাজা” হিসেবে পরিচিত এমপি রায়পুরার রাজু। নাম ঘোষণার পর রায়পুরা আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছেন দলীয় নেতা কর্মীরা।
বার্ধক্য জনিত কারণে অনেকেই সন্দিহান ছিলেন রাজু’র দলীয় মনোনয়ন নিয়ে। কিন্তু দিন শেষে রাজুর হাতে শক্তিশালী করা আওয়ামিলীগের দূর্গ হিসেবে পরিচিত সংসদীয় আসন ২০৩ ( রায়পুরা) এর রাজ দায়িত্ব আবারও রাজুর হাতেই দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লোক মুখে এখন একটাই কথা- ‘ রাজুই রাজা’।
চলতি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে রাজিউদ্দিন ছাড়াও দলীয় মনোনয়ন দৌড়ে ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামিলীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সাবেক সদস্য এবিএম রিয়াজুল কবীর কাউছার, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তৌফিকুর রহমান, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী, যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ, আওয়ামিলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য রিয়াদ আহমেদ সরকার, এমপি পুত্র রাজিব আহমেদ পার্থ, এমপি পত্নী কল্পনা রাজিউদ্দিন, এমপির ভাই সালাহ উদ্দিন আহমেদ বাচ্চু।
অবশেষে জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বঙ্গবন্ধুর সহচর, সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী এবং আওয়ামিলীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু’ই দলীয় মনোনয়ন পান। টার্গেট লাকি সেভেন। আওয়ামিলীগের শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনে তাই আবারও সপ্তম বারের মত এমপি হতে যাচ্ছেন রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু এমনটা প্রায় নিশ্চিতই বলা যায়। এবার তিনি বিজয়ী হলে অবশিষ্ট উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন ও দলকে ঢেলে সাজাবেন বলেও জানা গেছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/একে




















