০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চাপে নৌকা প্রার্থীরা আতংকে কুষ্টিয়ার ৪টি আসনে ৪৬ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে কুষ্টিয়া জেলার ৪টি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ৪৬জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করেছেন। এদের মধ্যে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র তথা বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন ৮ জন। এর মধ্যে কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে ১৩ জন, কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে ১৩ জন, কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে ১০ জন ও কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে ১০ জন প্রার্থী রয়েছেন।
কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী আ কা ম সরওয়ার জাহান বাদশা, জাতীয় পার্টির (এরশাদ) শাহরিয়ার জামিল, স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রেজাউল হক চৌধুরী, ফারুক হোসেন (স্বতš)¿, আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ আলম মামুন (স্বতন্ত্র), বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মজিবুর রহমান, জাসদের শরিফুল কবির স্বপন, নাজমুল হুদা (স্বতন্ত্র), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের সাজেদুল ইসলাম, এনপিপির ফজলুল হক, তৃণমূল বিএনপি’র আনিসুর রহমান ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের সেলিম রেজা।
কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু (নৌকা), মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামারুল আরেফিন (স্বতন্ত্র), ডা. মুস্তানজিদ (স্বতন্ত্র), ডা. ইফতেখার মাহমুদ (স্বতন্ত্র), জাতীয় পার্টির (এরশাদ) ডা. শহিদুল ইসলাম ফারুকি, বিএনএফ’র শেখ আরিফুর রহমান, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের বাবুল আক্তার, সৈয়দ কামরুল আরেফিন (স্বতন্ত্র), সাম্যবাদি দলের আনোয়ার হোসেন বাবলু, আওয়ামী লীগ নেতা শরিফুজ্জামান নবাব (স্বতন্ত্র), জাকের পার্টির রওশন আলী, রুবেল পারভেজ (স্বতন্ত্র) ও এনপিপির এ জে এম শহিদুজ্জামান
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনিত দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ (নৌকা), জাসদ (ইনু) গোলাম মহাসিন, জাতীয় পার্টির (এরশাদ) নাফিজ আহমেদ খান টিটু, পারভেজ আনোয়ার তনু (স্বতন্ত্র), রাকিবুজ্জামান সেতু (স্বতন্ত্র), এনপিপির ফরিদ উদ্দিন শেখ, তরিকত ফেডারেশনের মেহেদি হাসান রিজভি, বিএনএফ’র কে এম জহুরুল ইসলাম ও বিএনএম এর মোস্তফা কামাল মারুফ ও জাকের পার্টির আবু আশরাফ শাহিনুর আজাদ

কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনিত যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, সাবেক এমপি আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রউফ (স্বতন্ত্র), তৃণমুল বিএনপির আবু সামস খালেকুজ্জামান, তরিকত ফেডারেশনের আলতাফ হোসেন, জাতীয় পার্টির (এরশাদ) আইনুদ্দিন, নৈশ প্রহরী খাইরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), বাংলাদেশ কংগ্রেসের রাশিদুল ইসলাম, এনপিপির শহিদুল ইসলাম ও বিএনএফ’র হারুনার রশিদ।
এদিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয় থাকলেও কুষ্টিয়া- ৩ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী মাহবুব উল আলম হানিফ এবার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। কুষ্টিয়া পৌরসভার জনপ্রিয় মেয়র আনোয়ার আলীর ছেলে পারভেজ আনোয়ার তনু স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় এমনটা ভাবছেন নেতাকর্মীরা। বিষয়টি এখন টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।
অপর দিকে কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েছেন। মিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামারুল আরেফিন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে। উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে দিয়ে তিনি স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন। এছাড়াও কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের বর্তমান এমপি ও আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সেলিম আলতাফ জর্জকে ঐ আসনের সাবেক এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রউফ’র সাথে ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হবে। আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ার কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করছেন তিনি। কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে ক্রীড়া সংগঠক ও ব্যবসায়ী পারভেজ আনোয়ার তনু এরই মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তরুণদের মধ্যে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। নেতাকর্মীরা মনে করেন, ভোটের মাঠে শেষ পর্যন্ত তনু থাকলে হিসাব-নিকাশ বদলে যেতে পারে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী দিলেও নেতাকর্মী মাঠে নামতে পারেননি। হামলা-মামলায় আক্রান্ত হয়ে তাদের ঘরে বসে থাকতে হয়েছে।
সেই তুলনায় তনু শক্ত প্রার্থী বলে মনে করেন অনেকে। তনুর বাবা আনোয়ার আলী কুষ্টিয়া পৌরসভার পাঁচবারের নির্বাচিত মেয়র। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে সামান্য ভোটে আনোয়ার আলী পরাজিত হন। জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আলী এখনো দলে জনপ্রিয় নেতা। পৌর এলাকায় তার নিজস্ব ভোট ব্যাংক আছে। তার ছেলে যুব নেতা তনু প্রার্থী হলে একটু বাড়তি সুবিধা পাবেন।
অন্যদিকে টানা দুইবারের সংসদ-সদস্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হানিফ এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করেছেন। যা অন্য কারও সময় হয়নি। তবে নেতাকর্মীদের অভিযোগ, হানিফের আমলে সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ ছিল তার চাচাতো ভাই সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতার হাতে। দলের ত্যাগী নেতারা কোণঠাসা হয়ে পড়েন।
নাদিয়া ইসলাম মিম

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চাপে নৌকা প্রার্থীরা আতংকে কুষ্টিয়ার ৪টি আসনে ৪৬ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল

প্রকাশিত : ০২:৫৯:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৩

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে কুষ্টিয়া জেলার ৪টি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে মোট ৪৬জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র রিটার্নিং অফিসারের নিকট দাখিল করেছেন। এদের মধ্যে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র তথা বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন ৮ জন। এর মধ্যে কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে ১৩ জন, কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে ১৩ জন, কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে ১০ জন ও কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে ১০ জন প্রার্থী রয়েছেন।
কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী আ কা ম সরওয়ার জাহান বাদশা, জাতীয় পার্টির (এরশাদ) শাহরিয়ার জামিল, স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রেজাউল হক চৌধুরী, ফারুক হোসেন (স্বতš)¿, আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ আলম মামুন (স্বতন্ত্র), বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মজিবুর রহমান, জাসদের শরিফুল কবির স্বপন, নাজমুল হুদা (স্বতন্ত্র), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের সাজেদুল ইসলাম, এনপিপির ফজলুল হক, তৃণমূল বিএনপি’র আনিসুর রহমান ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের সেলিম রেজা।
কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু (নৌকা), মিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামারুল আরেফিন (স্বতন্ত্র), ডা. মুস্তানজিদ (স্বতন্ত্র), ডা. ইফতেখার মাহমুদ (স্বতন্ত্র), জাতীয় পার্টির (এরশাদ) ডা. শহিদুল ইসলাম ফারুকি, বিএনএফ’র শেখ আরিফুর রহমান, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের বাবুল আক্তার, সৈয়দ কামরুল আরেফিন (স্বতন্ত্র), সাম্যবাদি দলের আনোয়ার হোসেন বাবলু, আওয়ামী লীগ নেতা শরিফুজ্জামান নবাব (স্বতন্ত্র), জাকের পার্টির রওশন আলী, রুবেল পারভেজ (স্বতন্ত্র) ও এনপিপির এ জে এম শহিদুজ্জামান
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনিত দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ (নৌকা), জাসদ (ইনু) গোলাম মহাসিন, জাতীয় পার্টির (এরশাদ) নাফিজ আহমেদ খান টিটু, পারভেজ আনোয়ার তনু (স্বতন্ত্র), রাকিবুজ্জামান সেতু (স্বতন্ত্র), এনপিপির ফরিদ উদ্দিন শেখ, তরিকত ফেডারেশনের মেহেদি হাসান রিজভি, বিএনএফ’র কে এম জহুরুল ইসলাম ও বিএনএম এর মোস্তফা কামাল মারুফ ও জাকের পার্টির আবু আশরাফ শাহিনুর আজাদ

কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে আওয়ামী লীগ মনোনিত যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, সাবেক এমপি আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রউফ (স্বতন্ত্র), তৃণমুল বিএনপির আবু সামস খালেকুজ্জামান, তরিকত ফেডারেশনের আলতাফ হোসেন, জাতীয় পার্টির (এরশাদ) আইনুদ্দিন, নৈশ প্রহরী খাইরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), বাংলাদেশ কংগ্রেসের রাশিদুল ইসলাম, এনপিপির শহিদুল ইসলাম ও বিএনএফ’র হারুনার রশিদ।
এদিকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণ নিয়ে সংশয় থাকলেও কুষ্টিয়া- ৩ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী মাহবুব উল আলম হানিফ এবার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারেন বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। কুষ্টিয়া পৌরসভার জনপ্রিয় মেয়র আনোয়ার আলীর ছেলে পারভেজ আনোয়ার তনু স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় এমনটা ভাবছেন নেতাকর্মীরা। বিষয়টি এখন টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।
অপর দিকে কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েছেন। মিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামারুল আরেফিন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে। উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ ছেড়ে দিয়ে তিনি স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন। এছাড়াও কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের বর্তমান এমপি ও আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সেলিম আলতাফ জর্জকে ঐ আসনের সাবেক এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুর রউফ’র সাথে ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হবে। আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ার কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করছেন তিনি। কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে ক্রীড়া সংগঠক ও ব্যবসায়ী পারভেজ আনোয়ার তনু এরই মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তরুণদের মধ্যে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। নেতাকর্মীরা মনে করেন, ভোটের মাঠে শেষ পর্যন্ত তনু থাকলে হিসাব-নিকাশ বদলে যেতে পারে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী দিলেও নেতাকর্মী মাঠে নামতে পারেননি। হামলা-মামলায় আক্রান্ত হয়ে তাদের ঘরে বসে থাকতে হয়েছে।
সেই তুলনায় তনু শক্ত প্রার্থী বলে মনে করেন অনেকে। তনুর বাবা আনোয়ার আলী কুষ্টিয়া পৌরসভার পাঁচবারের নির্বাচিত মেয়র। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে সামান্য ভোটে আনোয়ার আলী পরাজিত হন। জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার আলী এখনো দলে জনপ্রিয় নেতা। পৌর এলাকায় তার নিজস্ব ভোট ব্যাংক আছে। তার ছেলে যুব নেতা তনু প্রার্থী হলে একটু বাড়তি সুবিধা পাবেন।
অন্যদিকে টানা দুইবারের সংসদ-সদস্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হানিফ এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করেছেন। যা অন্য কারও সময় হয়নি। তবে নেতাকর্মীদের অভিযোগ, হানিফের আমলে সব কিছুর নিয়ন্ত্রণ ছিল তার চাচাতো ভাই সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতার হাতে। দলের ত্যাগী নেতারা কোণঠাসা হয়ে পড়েন।
নাদিয়া ইসলাম মিম