০৪:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

সরিষাবাড়ীতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পরিমাপক স্কেল স্থাপনের স্থান পরিবর্তনের দাবি

জামালপুর জেলার সড়ক ও জনপদ বিভাগের উদ্যোগে সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দি ভুয়াপুর সড়কের কুমারপাড়া ও কাওয়ামারা নামক স্থানে পরিমাপক স্কেল স্থাপনের স্থান পরিবর্তন এর দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে।
আজ রবিবার সকালে ৪ নং আওনা ইউনিয়ন এর কুমারপাড়া ও ৫ নং  পিংনা ইউনিয়নের কাওয়ামারা গ্রামে  স্কেল স্থাপনের প্রস্তাবিত এলাকার ভুক্তভোগী পরিবার এ মানববন্ধন করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদান করেন, সাবেক ইউপি সদস্য হাফিজুর রহমান, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আঃ জলিল, নূরুল ইসলাম আকন্দ, বাদশা আলম, মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন এর স্ত্রী আসমা বেগম,ও হযরত মাওলানা হারুনুর রশিদ প্রমুখ বক্তব্য প্রদান করেন।
বক্তাগণ বলেন, প্রস্তাবিত স্থান এলাকায় যমুনা নদীর ভাঙ্গনের শিকার উল্লা, কুমারপাড়া,স্থল, রসপাল,কুলপাল, আওনা সহ প্রায় ৬/৭ গ্রামের নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো কোন রকম ভাবে সমস্ত সহায় সম্বল বিক্রি করে প্রতি পরিবার ২/৩ শতাংশ করে জমি ক্রয়ের মাধ্যমে বসত বাড়ি স্থাপন করেন। যদি ওই এলাকায়  সরকার  অধিগ্রহণ করে তাহলে ওই সমস্ত পরিবারগুলো বাড়িঘর হারিয়ে মাথাগুজার জায়গা ও মানবতার জীবন যাপন সহ অসহায় হয়ে পরবেন বলে জানান।
কাজেই ভুক্তভোগি পরিবারগুলোর আকুল আবেদনের মাধ্যমে পরিমাপ স্কেল স্থাপনের স্থান পরিবর্তন করে অন্যত্র স্থাপনের জন্য প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি  জোর দাবি ও সুদৃষ্টি কামনা করেন।
ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

সরিষাবাড়ীতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পরিমাপক স্কেল স্থাপনের স্থান পরিবর্তনের দাবি

প্রকাশিত : ০৯:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৩
জামালপুর জেলার সড়ক ও জনপদ বিভাগের উদ্যোগে সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দি ভুয়াপুর সড়কের কুমারপাড়া ও কাওয়ামারা নামক স্থানে পরিমাপক স্কেল স্থাপনের স্থান পরিবর্তন এর দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে।
আজ রবিবার সকালে ৪ নং আওনা ইউনিয়ন এর কুমারপাড়া ও ৫ নং  পিংনা ইউনিয়নের কাওয়ামারা গ্রামে  স্কেল স্থাপনের প্রস্তাবিত এলাকার ভুক্তভোগী পরিবার এ মানববন্ধন করেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য প্রদান করেন, সাবেক ইউপি সদস্য হাফিজুর রহমান, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আঃ জলিল, নূরুল ইসলাম আকন্দ, বাদশা আলম, মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন এর স্ত্রী আসমা বেগম,ও হযরত মাওলানা হারুনুর রশিদ প্রমুখ বক্তব্য প্রদান করেন।
বক্তাগণ বলেন, প্রস্তাবিত স্থান এলাকায় যমুনা নদীর ভাঙ্গনের শিকার উল্লা, কুমারপাড়া,স্থল, রসপাল,কুলপাল, আওনা সহ প্রায় ৬/৭ গ্রামের নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো কোন রকম ভাবে সমস্ত সহায় সম্বল বিক্রি করে প্রতি পরিবার ২/৩ শতাংশ করে জমি ক্রয়ের মাধ্যমে বসত বাড়ি স্থাপন করেন। যদি ওই এলাকায়  সরকার  অধিগ্রহণ করে তাহলে ওই সমস্ত পরিবারগুলো বাড়িঘর হারিয়ে মাথাগুজার জায়গা ও মানবতার জীবন যাপন সহ অসহায় হয়ে পরবেন বলে জানান।
কাজেই ভুক্তভোগি পরিবারগুলোর আকুল আবেদনের মাধ্যমে পরিমাপ স্কেল স্থাপনের স্থান পরিবর্তন করে অন্যত্র স্থাপনের জন্য প্রশাসন সহ সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতি  জোর দাবি ও সুদৃষ্টি কামনা করেন।