১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ভারতীয় উপকূলে আঘাত হানতে পারে আজ, বৃষ্টি হতে পারে বাংলাদেশে

বঙ্গোপসাগরের সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করছে। দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের মাসুলিপট্টমের এবং নেল্লোরের মাঝখান দিয়ে এটি উপকূল অতিক্রম করছে।

এজন্য বাংলাদেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত বহাল রাখা হয়েছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশে বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টি শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ আরও উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

এটি আজ সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৫৩০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৫০০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৩৪৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে এক ৩৭৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আজ সকাল নাগাদ নিল্লর ও মাসুলিপট্টমের কাছ দিয়ে ভারতের অন্ধপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এটি আরও উত্তর- উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

‘ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিমি, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১১০ কিমি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুদ্ধ রয়েছে।’

বিজ্ঞপ্তি আরও জানানো হয়, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত বাংলাদেশ বৃষ্টি হতে পারে।

বিজনেস বাংলাদেশ/এমএইচটি

জনপ্রিয়

ভারতীয় উপকূলে আঘাত হানতে পারে আজ, বৃষ্টি হতে পারে বাংলাদেশে

প্রকাশিত : ১০:৪৮:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩

বঙ্গোপসাগরের সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করছে। দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের মাসুলিপট্টমের এবং নেল্লোরের মাঝখান দিয়ে এটি উপকূল অতিক্রম করছে।

এজন্য বাংলাদেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত বহাল রাখা হয়েছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশে বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টি শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’ আরও উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে।

এটি আজ সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৫৩০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৫০০ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে এক হাজার ৩৪৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে এক ৩৭৫ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আজ সকাল নাগাদ নিল্লর ও মাসুলিপট্টমের কাছ দিয়ে ভারতের অন্ধপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এটি আরও উত্তর- উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে।

‘ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ কিমি, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১১০ কিমি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুদ্ধ রয়েছে।’

বিজ্ঞপ্তি আরও জানানো হয়, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত বাংলাদেশ বৃষ্টি হতে পারে।

বিজনেস বাংলাদেশ/এমএইচটি