০২:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

কুষ্টিয়া দৌলতপুর পাক হানাদার মুক্ত দিবস আজ

দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র সংগ্রামের আজ ৮ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের এই দিনে কুষ্টিয়া দৌলতপুর হানাদার মুক্ত হয়। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র সংগ্রামের পর ৮ ডিসেম্বর দৌলতপুর হানাদার মুক্ত দিবস হিসেবে ঘোষিত হয়।

দৌলতপুরের ব্যাঙগাড়ীর মাঠ, শেরপুর, বাজুমারা, ফিলিপনগর, মহিষকুন্ডি, খলিশাকুন্ডি, তারাগুনিয়া ও চামনায় বিভিন্ন স্থানে সম্মুখ যুদ্ধে পরাজিত হয়ে এই দিনে পাকিস্তানী হানাদাররা মুক্তি যোদ্ধাদের কাছে আত্বসর্মপণ করে। দৌলতপুর হানাদার মুক্ত হয় এবং থানার সামনে বিজয় পতাকা উড়ান বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

তৎকালীন সময় আদবাড়িয়া ইউনিয়নের ব্যাঙগাড়ী মাঠে দৌলতপুর থানায় পাক হানাদারদের সাথে সবচেয়ে বড় যুদ্ধ সংগঠিত হয়। ৯ নভেম্বর থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত টানা তিনদিন ধরে এ যুদ্ধ চলে। সেখানে ৪ জন মুক্তিযোদ্ধা এবং ২ জন মিত্রবাহিনীর সদস্য শহীদ হন। এ যুদ্ধে প্রায় ৩ শতাধিক পাকসেনা নিহত হয়।

এরপর ২৬ নভেম্বর পিয়ারপুর ইউনিয়নের শেরপুর মাঠে পাকহানাদারদের সাথে আরেকটি বড় যুদ্ধ হয়। সেখানে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান হাবিব শহীদ হন। এ যুদ্ধে প্রায় শতাধিক পাকসেনা ও প্রায় দুই শতাধিক আলবদর ও রাজাকার নিহত হওয়ার পর পাকসেনা ও রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধাদের তোপের মুখে কোনঠাসা হয়ে পড়ে। এবং প্রাণ বাঁচাতে দৌলতপুর থানার অভ্যান্তরে আশ্রয় নেয়।

অবশেষে ৭ ডিসেম্বর রাতের অন্ধকারে পাকসেনারা পালিয়ে কুষ্টিয়ার শহরতলী জগতি ও বটতৈল এলাকায় আশ্রয় নেয়। ১৯৭১ সালে আজকের এইদিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা দৌলতপুরে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলনের মাধ্যমে দৌলতপুর কে শত্রুমুক্ত ঘোষণা করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

কুষ্টিয়া দৌলতপুর পাক হানাদার মুক্ত দিবস আজ

প্রকাশিত : ০৩:৩৯:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩

দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র সংগ্রামের আজ ৮ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের এই দিনে কুষ্টিয়া দৌলতপুর হানাদার মুক্ত হয়। দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র সংগ্রামের পর ৮ ডিসেম্বর দৌলতপুর হানাদার মুক্ত দিবস হিসেবে ঘোষিত হয়।

দৌলতপুরের ব্যাঙগাড়ীর মাঠ, শেরপুর, বাজুমারা, ফিলিপনগর, মহিষকুন্ডি, খলিশাকুন্ডি, তারাগুনিয়া ও চামনায় বিভিন্ন স্থানে সম্মুখ যুদ্ধে পরাজিত হয়ে এই দিনে পাকিস্তানী হানাদাররা মুক্তি যোদ্ধাদের কাছে আত্বসর্মপণ করে। দৌলতপুর হানাদার মুক্ত হয় এবং থানার সামনে বিজয় পতাকা উড়ান বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

তৎকালীন সময় আদবাড়িয়া ইউনিয়নের ব্যাঙগাড়ী মাঠে দৌলতপুর থানায় পাক হানাদারদের সাথে সবচেয়ে বড় যুদ্ধ সংগঠিত হয়। ৯ নভেম্বর থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত টানা তিনদিন ধরে এ যুদ্ধ চলে। সেখানে ৪ জন মুক্তিযোদ্ধা এবং ২ জন মিত্রবাহিনীর সদস্য শহীদ হন। এ যুদ্ধে প্রায় ৩ শতাধিক পাকসেনা নিহত হয়।

এরপর ২৬ নভেম্বর পিয়ারপুর ইউনিয়নের শেরপুর মাঠে পাকহানাদারদের সাথে আরেকটি বড় যুদ্ধ হয়। সেখানে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান হাবিব শহীদ হন। এ যুদ্ধে প্রায় শতাধিক পাকসেনা ও প্রায় দুই শতাধিক আলবদর ও রাজাকার নিহত হওয়ার পর পাকসেনা ও রাজাকাররা মুক্তিযোদ্ধাদের তোপের মুখে কোনঠাসা হয়ে পড়ে। এবং প্রাণ বাঁচাতে দৌলতপুর থানার অভ্যান্তরে আশ্রয় নেয়।

অবশেষে ৭ ডিসেম্বর রাতের অন্ধকারে পাকসেনারা পালিয়ে কুষ্টিয়ার শহরতলী জগতি ও বটতৈল এলাকায় আশ্রয় নেয়। ১৯৭১ সালে আজকের এইদিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা দৌলতপুরে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলনের মাধ্যমে দৌলতপুর কে শত্রুমুক্ত ঘোষণা করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে