১২:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

দাউদকান্দি গোলাপের চরে খিরার বাম্পার ফলন

  • ইমরান মাসুদ
  • প্রকাশিত : ০৯:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩
  • 342

দাউদকান্দি উপজেলার গোলাপের চরে খিরার বাম্পার ফলন ।

কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলার চেঙ্গাকান্দি গোলাপেরচর গ্রামে  খিরার বাম্পার ফলনে লাভবান হচ্ছে  চেঙ্গাকান্দি গোলাপের চর গ্রামের সাধারণ কৃষকরা ।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং খিরার ফলন ভালো হওয়ায় হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখে। কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় দিন দিন খিরা চাষ বাড়ছে এ অঞ্চলে। খিরা চাষ করে অনেক কৃষকই এখন স্বাবলম্বী ।

 

স্থানীয় গ্রামের বাসিন্দা ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুল গাফ্ফার বিজনেস বাংলাদেশ প্রতিনিধিকে বলেন, আমরা শৈশবে কাল থেকে দেখে আসছি  আমাদের এ জমিগুলোতে মাইলের পর মাইল এখানে খিরা চাষ করত এবং এখানে অন্য ফসল তেমন ভালো ফলন না হলেও মৌসুমে মৌসুমে তরমুজ ও বাঙ্গির ফলন খুব ভাল হয় । প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও খিরার চাষ ব্যাপক জনপ্রিয় হয় ও ফলন বেশি হওয়ায় আমাদের গ্রামের কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন ।

 

দাউদকান্দি পৌরসভার খুবই কাছে হওয়ায় প্রতিদিন সাধারণ মানুষ সরাসরি জমি পরিদর্শন করেন তারই মাঝে একজন প্রত্যক্ষদর্শী মানবাধিকার কর্মী বাবু জানান, আমরা আমাদের একজন বন্ধুর আমন্ত্রণে এখানে আসলাম এবং সুন্দর একটি স্মরণীয় দিন উপভোগ করলাম এবং খিরার জমিতে পরিচর্যা ও নিজ হাতে খিরা সংগ্রহ করে  করলাম এবং কচি খিরা দেখে পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য বাসায় নিয়ে যাচ্ছি ।

 

চেঙ্গাকান্দি গোলাপেরচর গ্রামের কৃষকরা মাঠে মাঠে এখন খিরার জমিতে পরিচর্যায় ব্যস্ত। চরে খিরার চাষাবাদ করা হয়েছে। সবুজ খিরা গাছে ভরে গেছে কৃষকের ক্ষেত। ইতোমধ্যেই উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে খিরা উঠতে শুরু করেছে।

 

চরের চাষি আবদুল সাত্তার জানান , অন্য ফসলের চেয়ে খিরা চাষে অধিক লাভ হওয়ায় এ চাষাবাদের প্রতি তাদের ঝোঁক। ১ বিঘা জমিতে খিরার চাষ করতে ১৪ হাজার টাকা খরচ হয়। বাজারজাত করতে শ্রমিক খরচ আরও ৮ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে ২০ হাজার টাকার মত খরচ হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ধু-ধু চরের চারদিকে শধু খিরা আর খিরা ক্ষেত। নারী, পুরুষ ও শিশু খিরা ক্ষেতে কাজে ব্যস্ত। কেউবা খিরা তুলছে, কেউবা খিরা বাছাই করছে, আবার কেউবা বস্তায় ভরছে গোলাপেরর চরের খিরা চাষীরা ।

 

দাউদকান্দি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা  নিগার সুলতানা ফোন বার্তায় বিজনেস বাংলাদেশকে   জানান, আমরা কৃষি অফিস থেকে খিরা চাষিদের বিভিন্ন পরামর্শ দেয়ার কারণে দিন দিন খিরা চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে। ফলন ভালো হওয়ায় লাভের মুখ দেখছেন এখানকার চাষিরা। তবে আমরা সব সময় কৃষকদের সচেতণ করে আসছি  খিরা ক্ষেতে যেন কীটনাশক ঔষধের ব্যবহার না হয় ।

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

দাউদকান্দি গোলাপের চরে খিরার বাম্পার ফলন

প্রকাশিত : ০৯:৪০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩

কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলার চেঙ্গাকান্দি গোলাপেরচর গ্রামে  খিরার বাম্পার ফলনে লাভবান হচ্ছে  চেঙ্গাকান্দি গোলাপের চর গ্রামের সাধারণ কৃষকরা ।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং খিরার ফলন ভালো হওয়ায় হাসি ফুটেছে কৃষকদের মুখে। কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় দিন দিন খিরা চাষ বাড়ছে এ অঞ্চলে। খিরা চাষ করে অনেক কৃষকই এখন স্বাবলম্বী ।

 

স্থানীয় গ্রামের বাসিন্দা ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুল গাফ্ফার বিজনেস বাংলাদেশ প্রতিনিধিকে বলেন, আমরা শৈশবে কাল থেকে দেখে আসছি  আমাদের এ জমিগুলোতে মাইলের পর মাইল এখানে খিরা চাষ করত এবং এখানে অন্য ফসল তেমন ভালো ফলন না হলেও মৌসুমে মৌসুমে তরমুজ ও বাঙ্গির ফলন খুব ভাল হয় । প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও খিরার চাষ ব্যাপক জনপ্রিয় হয় ও ফলন বেশি হওয়ায় আমাদের গ্রামের কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন ।

 

দাউদকান্দি পৌরসভার খুবই কাছে হওয়ায় প্রতিদিন সাধারণ মানুষ সরাসরি জমি পরিদর্শন করেন তারই মাঝে একজন প্রত্যক্ষদর্শী মানবাধিকার কর্মী বাবু জানান, আমরা আমাদের একজন বন্ধুর আমন্ত্রণে এখানে আসলাম এবং সুন্দর একটি স্মরণীয় দিন উপভোগ করলাম এবং খিরার জমিতে পরিচর্যা ও নিজ হাতে খিরা সংগ্রহ করে  করলাম এবং কচি খিরা দেখে পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য বাসায় নিয়ে যাচ্ছি ।

 

চেঙ্গাকান্দি গোলাপেরচর গ্রামের কৃষকরা মাঠে মাঠে এখন খিরার জমিতে পরিচর্যায় ব্যস্ত। চরে খিরার চাষাবাদ করা হয়েছে। সবুজ খিরা গাছে ভরে গেছে কৃষকের ক্ষেত। ইতোমধ্যেই উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে খিরা উঠতে শুরু করেছে।

 

চরের চাষি আবদুল সাত্তার জানান , অন্য ফসলের চেয়ে খিরা চাষে অধিক লাভ হওয়ায় এ চাষাবাদের প্রতি তাদের ঝোঁক। ১ বিঘা জমিতে খিরার চাষ করতে ১৪ হাজার টাকা খরচ হয়। বাজারজাত করতে শ্রমিক খরচ আরও ৮ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে ২০ হাজার টাকার মত খরচ হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ধু-ধু চরের চারদিকে শধু খিরা আর খিরা ক্ষেত। নারী, পুরুষ ও শিশু খিরা ক্ষেতে কাজে ব্যস্ত। কেউবা খিরা তুলছে, কেউবা খিরা বাছাই করছে, আবার কেউবা বস্তায় ভরছে গোলাপেরর চরের খিরা চাষীরা ।

 

দাউদকান্দি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা  নিগার সুলতানা ফোন বার্তায় বিজনেস বাংলাদেশকে   জানান, আমরা কৃষি অফিস থেকে খিরা চাষিদের বিভিন্ন পরামর্শ দেয়ার কারণে দিন দিন খিরা চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে। ফলন ভালো হওয়ায় লাভের মুখ দেখছেন এখানকার চাষিরা। তবে আমরা সব সময় কৃষকদের সচেতণ করে আসছি  খিরা ক্ষেতে যেন কীটনাশক ঔষধের ব্যবহার না হয় ।