পটুয়াখালীর দুমকীতে কৃষকদের স্বপ্নের সোনালী ফসল আমন ধান কাটায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। দিগন্ত জুঁড়ে সোনালী ধানের ক্ষেতে শীতের হিমেল হাওয়ায় দুলছে। ইতিমধ্যে উপজেলার প্রায় সকল জমিতে ধান কাটার উপযোগী হয়েছে। ইতিমধ্যে আগাম জাতের ধান কাটার মহোৎসব চলছে প্রতিটি মাঠে। কৃষানিরাও চুলা তৈরি , ধান শুকানোর জায়গা তৈরি করে ধান সেদ্ধ ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি আমন মৌসুমে ৬হাজার৬শত৪১হেক্টর জমিতে আমনের চাষ হয়েছে। আমন উৎপাদন লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৩হাজার ২০৫ মেট্রিক টন।উপজেলার পাঙ্গাশিয়া, আঙ্গারিয়া, লেবুখালী, মুরাদিয়া ও শ্রীরামপুর ইউনিয়নের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এবছর পরপর দুবার ঘুর্নিঝড়ের প্রভাবে আমনের কিছুটা ক্ষতি হলেও বর্তমানে যে ধান ফলেছে তাতে তারা খুশি। তবে, শ্রমিক সংকটে সময়মত ধান সংগ্রহ করতে পারছেন না বলে অনেকে জানান চাষীরা।উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের চরবয়ড়া গ্রামের কৃষক মোঃ নুরুল হাওলাদার তার ক্ষেতের ধান কাটার সময় বলেন, এবছর ৩একর জমিতে আমন ও দিশারী ধান চাষ করেছি। ঘুর্নিঝড় মিধিলি’র প্রভাবে কিছু নষ্ট হওয়ার পরেও ফলন ভালো হয়েছে। তবে কৃষি বিভাগ আমাদের সাহায্য সহযোগিতা করলে আমরা আরো উৎসাহিত হব। শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের কৃষক মোঃ ইব্রাহীম খান বলেন, চলতি বছরে ৫একর জমিতে আমন ধান চাষ করেছি, ফলন ভালো হয়েছে। আশাকরি সারাবছরের খোরাক হওয়ার পরও বাড়তি কিছু বিক্রি করতে পারব।
এব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ইমরান হোসেন বলেন, আমাদের তদারকি ও পরামর্শে কৃষকরা প্রাকৃতিক দুর্যোগ কাটিয়ে সর্বপরি আমনের ভালো ফলন হয়েছে। শ্রমিক সংকটের ব্যাপারে কৃষকদের কম্বাইন্ড হার্ভেস্টারের মাধ্যমে ধান কর্তনের পরামর্শ দিচ্ছি বলে জানান তিনি।




















