০৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

জামালপুরে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত কমপক্ষে ৬

জামালপুর-৫ সদর আসনের শাহবাজপুর ইউনিয়নে নৌকা ও ঈগল প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচার কেন্দ্র ভাংচুর ও নৌকার কর্মী সমর্থকদের ছুরিকাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে শাহবাজপুর  ইউনিয়নের দক্ষিণ কৈডোলা এলাকার হক দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নৌকা প্রতীকের প্রায় ৬ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছে। আহতদের জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহতরা হলেন, কসিম উদ্দিনের ছেলে ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য নিয়ামত আলী (৭০), তার ছেলে যুবলীগ নেতা মো. জাকির হোসেন ওরফে ফকির (৪০), বেলাল হোসেনের ছেলে মাসুদ রানা (২৭) ও মারুফ হোসেন (২২)।
স্থানীয় এলাকাবাসী  জানায়, বুধবার নৌকার প্রচার মিছিল শেষে হক দাখিল মাদ্রাসা প্রচার কেন্দ্রে যায় নৌকার কর্মী-সমর্থকরা। এসময় ঈগল প্রতীকের কর্মী-সমর্থক সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে ১০/১২জন নিয়ে নৌকার প্রচার কেন্দ্র ভাংচুর করে। তাদেরকে বাঁধা দিতে গেলে নৌকার কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা চালায়। এসময় প্রায় ৬জন আহত হয়। এসময় আহত ৪ জনকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও শাহবাজপুর ইউনিয়নের সমন্বয়কারী সদস্য হৃদয় আকন্দ চমক জানান, জেলা আওয়ামী লীগের নির্দেশনায় গত কয়েকদিন যাবত আমরা এই ইউনিয়নের ২ ও ৩নং ওয়ার্ডে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থণা করছি। এ সময় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে পারি নৌকা প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের মারধর ও প্রচার কেন্দ্র ভাংচুর করেছে। দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আহতরা মাটিতে পড়ে আছে। পরে তাদেরকে সেখান থেকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাই। তারা সবাই  হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
হামলা প্রসঙ্গে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। যারা এ হামলা করেছে তাদের বিচার হওয়া দরকার। যাদের হুকুমে হামলা করা হয়েছে তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনার দাবিও জানান তিনি।
এ ঘটনায় ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম রেজনুর মুঠোফোনে কল দিলে তিনি ফোন ধরেননি।  তবে তার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রতিনিধি ইকরামুল হক নবীন জানান, নৌকা প্রতীকের প্রচার কেন্দ্র ভাংচুর করার দু:সাহস কারও নেই। তারা নিজেদের মধ্যে গন্ডগোল তৈরি করে ঈগল প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকদের উপর দোষ চাপিয়ে দিচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা মেহনাজ ফেরদৌস, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: সোহরাব হোসেন, জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মহব্বত কবীর।

এ ব্যাপারে সহকারি রিটার্নিং কমকর্তা ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহনাজ ফেরদৌস জানান, নৌকা ও ঈগল প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে মারমারির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

ট্যাগ :

মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়াল, অস্বস্তি বেড়েছে খাদ্যেও

জামালপুরে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত কমপক্ষে ৬

প্রকাশিত : ১০:০৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩

জামালপুর-৫ সদর আসনের শাহবাজপুর ইউনিয়নে নৌকা ও ঈগল প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচার কেন্দ্র ভাংচুর ও নৌকার কর্মী সমর্থকদের ছুরিকাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে শাহবাজপুর  ইউনিয়নের দক্ষিণ কৈডোলা এলাকার হক দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নৌকা প্রতীকের প্রায় ৬ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছে। আহতদের জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহতরা হলেন, কসিম উদ্দিনের ছেলে ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য নিয়ামত আলী (৭০), তার ছেলে যুবলীগ নেতা মো. জাকির হোসেন ওরফে ফকির (৪০), বেলাল হোসেনের ছেলে মাসুদ রানা (২৭) ও মারুফ হোসেন (২২)।
স্থানীয় এলাকাবাসী  জানায়, বুধবার নৌকার প্রচার মিছিল শেষে হক দাখিল মাদ্রাসা প্রচার কেন্দ্রে যায় নৌকার কর্মী-সমর্থকরা। এসময় ঈগল প্রতীকের কর্মী-সমর্থক সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে ১০/১২জন নিয়ে নৌকার প্রচার কেন্দ্র ভাংচুর করে। তাদেরকে বাঁধা দিতে গেলে নৌকার কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা চালায়। এসময় প্রায় ৬জন আহত হয়। এসময় আহত ৪ জনকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জামালপুর জেলা ছাত্রলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও শাহবাজপুর ইউনিয়নের সমন্বয়কারী সদস্য হৃদয় আকন্দ চমক জানান, জেলা আওয়ামী লীগের নির্দেশনায় গত কয়েকদিন যাবত আমরা এই ইউনিয়নের ২ ও ৩নং ওয়ার্ডে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থণা করছি। এ সময় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে পারি নৌকা প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের মারধর ও প্রচার কেন্দ্র ভাংচুর করেছে। দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি আহতরা মাটিতে পড়ে আছে। পরে তাদেরকে সেখান থেকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাই। তারা সবাই  হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
হামলা প্রসঙ্গে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। যারা এ হামলা করেছে তাদের বিচার হওয়া দরকার। যাদের হুকুমে হামলা করা হয়েছে তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনার দাবিও জানান তিনি।
এ ঘটনায় ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম রেজনুর মুঠোফোনে কল দিলে তিনি ফোন ধরেননি।  তবে তার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রতিনিধি ইকরামুল হক নবীন জানান, নৌকা প্রতীকের প্রচার কেন্দ্র ভাংচুর করার দু:সাহস কারও নেই। তারা নিজেদের মধ্যে গন্ডগোল তৈরি করে ঈগল প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকদের উপর দোষ চাপিয়ে দিচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা মেহনাজ ফেরদৌস, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: সোহরাব হোসেন, জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মহব্বত কবীর।

এ ব্যাপারে সহকারি রিটার্নিং কমকর্তা ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহনাজ ফেরদৌস জানান, নৌকা ও ঈগল প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে মারমারির ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।