আগাম জাতের আলু তুলতে শুরু করেছে চাষিরা। আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার কম উৎপাদন খরচে আলুর বাম্পার ফলন ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা আগাম জাতের আলু চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন। জমি থেকে পাইকাররা ৪৩ টাকা কেজি দরে আলু কিনে নিয়ে যাচ্ছে।
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এবছর আগাম জাতের আলু চাষ হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় আলুর বাম্পার ফলন ও ভালো দাম পেয়ে খুশি আলু চাষীরা। বর্তমানে আলু চাষীদের চাষযোগ্য আলুর মধ্যে গ্রানোলা, ক্যারেজ, আটলান্টিকা ও এ্যালুয়েট জাতের আলু ব্যাপক আকারে চাষ হয়েছে। তবে এবার জাতভেদে এসব আলুর হেক্টর প্রতি ফলন হচ্ছে ১৫-১৮.৫ মে. টন।
বর্তমানে কৃষকেরা আলুর ক্ষেতেই পাইকারি বিক্রি করছেন ৪২-৪৬ টাকা কেজি দরে। গত বছরের তুলনায় এবার আগাম জাতের আলুর ফলন ও বাজার মূল্য বেশি হওয়ায় কৃষকরা অধিক লাভবান হচ্ছেন। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবছর বীরগঞ্জের ১১ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা সহ বিভিন্ন এলাকায় মোট ৯৫৬২ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আলুর আবাদ হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পলাশবাড়ী গ্রামের আলু চাষী সম্রাট আকবর এবছর আগাম ৩ বিঘা আগাম আলু চাষ করেছে প্রতি বিঘা আলু চাষে সর্বমোট হয়েছে খরচ ৩৮ হাজার টাকা এবং প্রতি কেজি আলু ৪৯ টাকা দরে বিক্রি করে প্রতি বিঘায় ১ লক্ষ ৫ হাজার টাকার মতো আলু বিক্রি করেছেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/এমএইচটি





















