১০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হলি আর্টিজান মামলার প্রতিবেদন দাখিল ২৬ জুলাই

রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৬ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (২৫ জুন) মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবির প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য ঢাকা মহানগর হাকিম নুরুন্নাহার ইয়াসমিন প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী নতুন তারিখ ঠিক করেছেন।

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাত পৌনে ৯টার দিকে কূটনৈতিক এলাকা গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা হামলা করে এবং দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করে। এ সময় অভিযান চালাতে গিয়ে জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালাউদ্দিন খান নিহত হন। রাতের বিভিন্ন সময় তিন বাংলাদেশিসহ ২০ জন জিম্মিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা।

পরদিন সকালে যৌথ বাহিনী কমান্ডো অভিযান চালায়। এতে ছয় হামলাকারী নিহত হয়। জীবিত উদ্ধার করা হয় ১৩ জিম্মিকে।

ওই ঘটনায় ২ পুলিশ কর্মকর্তা, জাপানি, ইতালি, বাংলাদেশি বংশোদ্ভতু আমেরিকানসহ ১৮ বিদেশি ও ২ বাংলাদেশি এবং ৬ জঙ্গিসহ ২৮ জন নিহত হন। বর্তমান মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশের ঢাকা মহানগর কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।

ট্যাগ :

নীলফামারীতে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিলেন ছয় প্রার্থী, আশ্বাস দিলেন অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ানোর

হলি আর্টিজান মামলার প্রতিবেদন দাখিল ২৬ জুলাই

প্রকাশিত : ০২:০৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুন ২০১৮

রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৬ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (২৫ জুন) মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবির প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেননি। এজন্য ঢাকা মহানগর হাকিম নুরুন্নাহার ইয়াসমিন প্রতিবেদন দাখিলের পরবর্তী নতুন তারিখ ঠিক করেছেন।

২০১৬ সালের ১ জুলাই রাত পৌনে ৯টার দিকে কূটনৈতিক এলাকা গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা হামলা করে এবং দেশি-বিদেশি নাগরিকদের জিম্মি করে। এ সময় অভিযান চালাতে গিয়ে জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালাউদ্দিন খান নিহত হন। রাতের বিভিন্ন সময় তিন বাংলাদেশিসহ ২০ জন জিম্মিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা।

পরদিন সকালে যৌথ বাহিনী কমান্ডো অভিযান চালায়। এতে ছয় হামলাকারী নিহত হয়। জীবিত উদ্ধার করা হয় ১৩ জিম্মিকে।

ওই ঘটনায় ২ পুলিশ কর্মকর্তা, জাপানি, ইতালি, বাংলাদেশি বংশোদ্ভতু আমেরিকানসহ ১৮ বিদেশি ও ২ বাংলাদেশি এবং ৬ জঙ্গিসহ ২৮ জন নিহত হন। বর্তমান মামলাটি তদন্ত করছে পুলিশের ঢাকা মহানগর কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট।