০২:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

নওগাঁয় হাঁস পালনে স্বাবলম্বী তারেক ইসলাম

হাঁস পালনে স্বাবলম্বী হয়েছেন নওগাঁর মান্দা উপজেলার তারেক ইসলাম। হাঁস পালন একটি লাভজনক পেশা এই হাঁস পালন করে অনেক বেকার যুবক স্বাবলম্বী হচ্ছেন। মান্দা উপজেলার পরানপুর ইউনিয়নের দক্ষিন পরানপুর এলাকার অল্প শিক্ষিত-দরিদ্র তারেক ইসলাম বর্তমানে তিনি হাঁসের খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছেন তার সংসারে এনেছেন স্বচ্ছলতা। মুক্তি পেয়েছেন আর্থিক দৈন্যতা থেকেও। কঠোর পরিশ্রম আর অভিজ্ঞতার ফলে যে কোনো কাজে যে কেউ স্বাবলম্বী হতে পারেন বলে প্রমাণ করেছেন তারেক ইসলাম।

মান্দা উপজেলার মধ্যে তিনি একজন সফল হাঁস খামারি হিসেবে পরিচিত। সুখের আশায় নিজেও কর্মচারী রেখে এ খামারে পরিশ্রম করে চলেছেন । সুদিনের মুখও দেখতে শুরু করেছেন তার পরিবার। তিনি ৫/৭ বছর থেকে এই খামার করে আসছেন। প্রতি মাসে খামার থেকে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় হয়। খামার থেকে অর্জিত আয় দিয়ে এখন ছেলে মেয়েদের পড়ালেখা, সংসারের খরচ সবই চলছে। আগামীতে তারেক ইসলাম তার খামারটি আরও বড় করার জন্য চেষ্টা করছেন। তাকে দেখে অনেক দরিদ্র পরিবার হাঁস পালনের মধ্য দিয়ে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন ।

কিছুদিন আগেও তারেক ইসলামের পরিবারে অভাব অনটন ছিল নিত্যসঙ্গী। তারেক ইসলাম অন্যের হাঁস-মুরগির একটি খামারে দীর্ঘদিন কাজ শিখেন। সেখানকার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি নিজ এলাকার শিব নদীর ধারে হাঁসের খামার করার পরিকল্পনা করেন । বর্তমানে তার খামারে প্রায় আটশত বিভিন্ন জাতের হাঁস রয়েছে ।তবে খাকী ক্যাম্বল জাতের হাঁস পালন করে তিনি অধিক লাভবান হচ্ছেন। খাকী ক্যাম্বেল জাতের হাঁস ২৪ মাস বয়স পর্যন্ত নিয়মিত ডিম দেয় ও পরে আস্তে আস্তে ডিম দেয়া কমতে থাকে বলে জানান তিনি। বিভিন্ন এলাকা থেকে খামারীরা তার কাছে হাঁস ও হাঁসের ডিম ক্রয় করতে আসেন।

এ ব্যাপারে মান্দা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নুরুজ্জামান জানান, হাঁস পালন করে এই উপজেলার খামারিরা দিন দিন স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন। হাঁস থেকে ৬ মাস পর পর ডিম পাওয়া যায়। প্রতিটি হাঁস বছরে ২০০-৩০০টি ডিম দেয়। উন্মুক্ত জলাশয়ে বাড়তি খাবার কম লাগে। ফলে হাঁস পালনে পূঁজিও কম লাগে এবং লাভ বেশি হয়। এছাড়া আমরা খামারিদের সকল ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/এমএইচটি

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নওগাঁয় হাঁস পালনে স্বাবলম্বী তারেক ইসলাম

প্রকাশিত : ০৮:২২:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৪

হাঁস পালনে স্বাবলম্বী হয়েছেন নওগাঁর মান্দা উপজেলার তারেক ইসলাম। হাঁস পালন একটি লাভজনক পেশা এই হাঁস পালন করে অনেক বেকার যুবক স্বাবলম্বী হচ্ছেন। মান্দা উপজেলার পরানপুর ইউনিয়নের দক্ষিন পরানপুর এলাকার অল্প শিক্ষিত-দরিদ্র তারেক ইসলাম বর্তমানে তিনি হাঁসের খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছেন তার সংসারে এনেছেন স্বচ্ছলতা। মুক্তি পেয়েছেন আর্থিক দৈন্যতা থেকেও। কঠোর পরিশ্রম আর অভিজ্ঞতার ফলে যে কোনো কাজে যে কেউ স্বাবলম্বী হতে পারেন বলে প্রমাণ করেছেন তারেক ইসলাম।

মান্দা উপজেলার মধ্যে তিনি একজন সফল হাঁস খামারি হিসেবে পরিচিত। সুখের আশায় নিজেও কর্মচারী রেখে এ খামারে পরিশ্রম করে চলেছেন । সুদিনের মুখও দেখতে শুরু করেছেন তার পরিবার। তিনি ৫/৭ বছর থেকে এই খামার করে আসছেন। প্রতি মাসে খামার থেকে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় হয়। খামার থেকে অর্জিত আয় দিয়ে এখন ছেলে মেয়েদের পড়ালেখা, সংসারের খরচ সবই চলছে। আগামীতে তারেক ইসলাম তার খামারটি আরও বড় করার জন্য চেষ্টা করছেন। তাকে দেখে অনেক দরিদ্র পরিবার হাঁস পালনের মধ্য দিয়ে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন ।

কিছুদিন আগেও তারেক ইসলামের পরিবারে অভাব অনটন ছিল নিত্যসঙ্গী। তারেক ইসলাম অন্যের হাঁস-মুরগির একটি খামারে দীর্ঘদিন কাজ শিখেন। সেখানকার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি নিজ এলাকার শিব নদীর ধারে হাঁসের খামার করার পরিকল্পনা করেন । বর্তমানে তার খামারে প্রায় আটশত বিভিন্ন জাতের হাঁস রয়েছে ।তবে খাকী ক্যাম্বল জাতের হাঁস পালন করে তিনি অধিক লাভবান হচ্ছেন। খাকী ক্যাম্বেল জাতের হাঁস ২৪ মাস বয়স পর্যন্ত নিয়মিত ডিম দেয় ও পরে আস্তে আস্তে ডিম দেয়া কমতে থাকে বলে জানান তিনি। বিভিন্ন এলাকা থেকে খামারীরা তার কাছে হাঁস ও হাঁসের ডিম ক্রয় করতে আসেন।

এ ব্যাপারে মান্দা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নুরুজ্জামান জানান, হাঁস পালন করে এই উপজেলার খামারিরা দিন দিন স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন। হাঁস থেকে ৬ মাস পর পর ডিম পাওয়া যায়। প্রতিটি হাঁস বছরে ২০০-৩০০টি ডিম দেয়। উন্মুক্ত জলাশয়ে বাড়তি খাবার কম লাগে। ফলে হাঁস পালনে পূঁজিও কম লাগে এবং লাভ বেশি হয়। এছাড়া আমরা খামারিদের সকল ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছি।

বিজনেস বাংলাদেশ/এমএইচটি